সোমবার,  ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ৪:১৬

আইনি জটিলতায় নষ্ট হচ্ছে জব্দকৃত যানবাহন

মার্চ ৮, ২০১৮ , ০০:৩৪


স্টাফ রিপোর্টার :
মামলার নিষ্পত্তি এবং আইনি জটিলতার কারণে শরীয়তপুরে পুলিশের জব্দ করা দুই শতাধিক যানবাহন খোলা আকাশের নিচে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। পুলিশ বলছে আলাদা স্টোর রুম না থাকায় গাড়ি গুলো বাইরে রাখতে হচ্ছে। ফলে ঝামেলায় পড়ছেন যানবাহনের মালিক এবং পুলিশ কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে আটক করা এসব যানবাহনের মধ্যে রয়েছে প্রাইভেটকার, ট্রাক, পিকাপ ভ্যান, মাইক্রোবাস এবং মোটর সাইকেল। জব্দকৃত এসব গাড়ির বর্তমান বাজার মূল্য কয়েক কোটি টাকা।
জব্দকৃত এসব গাড়ি মামলার আলামত হিসেবে স্বযতেœ রাখার কথা থাকলেও তা থানার সামনে অযতœ আর অবহেলায় পড়ে রয়েছে বছরের পর বছর ধরে। রোদে পুড়ে আর বৃষ্টিতে ভিজে মরিচা ধরায় বেশির ভাগ যানবাহনই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিকল হয়ে যাচ্ছে গাড়ির ইঞ্জিন।
অন্য দিকে দিন দিন জব্দ হওয়া যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় তা রাখার জন্য জায়গার অভাব দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি মামলার আলামত হিসেবে যানবাহন গুলো সঠিক ভাবে সংরক্ষণ করতে না পারায় কোর্ট পুলিশ এবং থানা পুলিশকে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। জেলা সদরসহ ৬টি থানা চত্বরে দিন দিন আটক গাড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

শরীয়তপুর কোর্ট, পুলিশ বক্স এবং বিভিন্ন থানা সূত্রে জানা যায়, জেলার ৬টি থানা, কোর্ট এবং পুলিশ লাইনে ২শ ৬৫টি গাড়ি পড়ে রয়েছে। তার মধ্যে সদর থানায় ১৩১টি, গোসাইরহাট থানায় ৯টি, জাজিরা থানায় ২১টি, ভেদরগঞ্জ থানায় ১৯টি, নড়িয়া থানায় ২টি, ডামুড্যা থানায় ৩টি, শরীয়তপুর কোর্টে ৩৫টি এবং পুলিশলাইনে ৪৫টি। এসব গাড়ির বেশির ভাগই মোটরসাইকেল। তবে এদের মধ্যে পাইভেটকার, পিকাপ ভ্যান, মাইক্রোবাস এবং ট্রাকও রয়েছে।
জব্দকৃত একাধিক গাড়ির মালিকের সাথে আলাপ কালে জানা যায়, পুলিশের দায়ের করা মামলায় নিজেদের জামিন হলেও শুধু মাত্র আইনি জটিলতার কারণে গাড়িটি মুক্ত করতে পারছেন না। তারা আশঙ্কা করছেন, আর কিছুদিন এভাবে থাকার পর আইনী জটিলতা কাটিয়ে উঠলেও হয়তো মোটরসাইকেল নয়, লোহা লক্কও ফেরত নিতে হবে।
ভোজেশ্বর বাজারের বাসিন্দা ইয়াকুব পেদা বলেন, সঠিক কাগজ পত্র না থাকায় তিনিসহ অনেকেই গাড়ি ফেরত পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছেন। আবার অনেকে বৈধ কাগজ পত্র থাকা সত্বেও আইনি জটিলতা এবং হয়রানীর কারণে গাড়ি ফেরত পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছেন।
এদিকে জব্দকৃত গাড়িগুলোকে রাষ্ট্রীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে তা সহজ উপায়ে ছাড়পত্র প্রদানের দাবি জানিয়েছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ। তিনি মনে করেন জব্দকৃত গাড়ি গুলোকে সহজ উপয়ে নিলামে বিক্রি করলে কোটি টাকার রাজস্ব আসবে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে।
শরীয়তপুরের ট্রাফিক সার্জেন্ট মেহেদী হাসান বলেন, জব্দকৃত যে সব যানবাহন রয়েছে, তার বেশির ভাগই নাম্বার বিহীন, চুরি এবং ছিনতাই করা। এদের কোনো বৈধ কাগজ পত্র না থাকায় জব্দ করা হয়েছে। যা থানায় মামলার আলামত হিসেবে রাখা হয়েছে।

Total View: 1076

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter