রবিবার,  ১৭ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ১১:৫০

আয়া এমবিবিএস ডাক্তার সেজে করলেন ডেলিভারি, অবশেষে নবজাতকের মৃত্যু!

এপ্রিল ১১, ২০২০ , ০০:২০

স্টাফ রিপোর্টার
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আয়া (চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী) হোসনে আরা বেগম এমবিবিএস ডাক্তার পরিচয় দিয়ে ডেলিভারী করাতে গিয়ে এক নবজাতককে মেরে ফেলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পালং মডেল থানায় দুইজনকে আসামি করে একটি মামলা হয়েছে।

আসামিরা হলেন শরীয়তপুর সদর উপজেলার ছোট বিনোদপুর (পশ্চিমপাড়) গ্রামের মোতালেব সরদারের স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৫৫) ও এনায়েত হোসেন সরদারের স্ত্রী ও শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আয়া হোসনে আরা বেগম। পুলিশ আসামিদের গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার ছোট বিনোদপুর (পশ্চিম পাড়) গ্রামের কালা চাঁন ঢালীর মেয়ে সারমিন আক্তার (২১) গত ৭ এপ্রিল প্রসব বেদনা অনুভব করে। তখন স্থানীয় দাই প্রধান আসামি সুফিয়া বেগমকে নিয়োগ করা হয়। সুফিয়া বেগম সারমিনের পরিবারকে ভয় ভীতি দেখিয়ে বলেন, এখানে নর্মাল ডেলিভারী করানো সম্ভব না। আমার একজন পরিচিত এমবিবিএস ডাক্তার আছে তার সহযোগিতা নিলে সহজে ডেলিভারী করানো সম্ভব। তখন সারমিনের পরিবারের সাথে ১০ হাজার টাকা চুক্তিতে প্রধান আসামি সুফিয়া বেগম এমবিবিএস ডাক্তার পরিচয়দানকারী সহযোগী আসামী হোসনে আরাকে মোবাইল ফোনে কল করে নিয়ে আসেন। আসামিদ্বয় সারমিনকে ঘরে একা রেখে অন্যান্যদের বের করে দেয়। আসামিরা ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত সারে ৯টা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করান। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরিবারের লোকজন সারমিনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। সারমিনের মা মাকসুদা সারমিনের অবস্থা খারাপ হতে থাকলে ৮ এপ্রিল সকালে হযরত শাহজালাল হাসপাতালে নিয়ে তাকে ভর্তি করা হয়। পরে সারমিনের পরিবার জানতে পারে এমবিবিএস ডাক্তার পরিচয়দানকারী ব্যক্তি হোসনে আরা বেগম শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের একজন আয়া মাত্র। এই বিষয়ে মাকসুদা বেগম বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় মামলা করেছেন।

বাদী মাকসুদা বেগম বলেন, আসামি সুফিয়া বেগম প্রতারণা করে আয়াকে ডাক্তার সাজিয়ে আমার মেয়ের কাছে নিয়ে আসে। আমার সাথে ১০ হাজার টাকার চুক্তিও করে। আমি তাদের সকল কথা মেনে নেই। আড়াই ঘণ্টা আমার মেয়ে সারমিনের উপর নির্যাতন করেছে তারা। আমার মেয়ের জীবিত সন্তান ভুমিষ্ট হয় এবং আমি ওই সন্তানের কান্না শুনেছি। পরে সেই সন্তান মারা গেছে। আমি ওই ভণ্ড প্রতারকদের সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

পালং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসলাম উদ্দিন বলেন, সদর হাসপাতালের আয়া হোসনে আরা বেগম এমবিবিএস ডাক্তার পরিচয়ে এক নবজাতককে মেরে ফেলেছে এমন অভিযোগ এনে মাকসুদা বেগম নামে এক মহিলা মামলা করেছেন। অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Total View: 277

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter