শনিবার,  ১৭ই এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ৪ঠা বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,  দুপুর ১:২৬

এ্যাডভোকেট মোতালেবের বিরুদ্ধে দেনমোহরের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯ , ২২:১২

স্টাফ রিপোর্টার
নাম রুমি বেগম। দুটি শিশু সন্তান নিয়ে শরীয়তপুরের পালং বাজারে একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। স্বামী নাজমুল ইসলাম খোঁজ নেন না তাদের। স্ত্রী ও সন্তান রেখে অন্য নারীকে বিয়ে করে পেতেছেন নতুন সংসার। অবুঝ দুটি সন্তান নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন ২৭ বছর বয়সী রুমি বেগম।
এক রকম বাধ্য হয়ে তিনি শরীয়তপুর লিগ্যাল এইড আদালতে দেনমোহর ও খোরপোষের দাবিতে একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি পরিচালনা করার জন্য শরীয়তপুর জেলা লিগ্যাল এইডের পক্ষে জেলা জজ কোর্টের এ্যাডভোকেট মোতালেব মাদবরকে প্যানেল আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।
উক্ত মামলায় আসামী আদালতে হাজির হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কিছুদিন কারাভোগের পর আইনজীবী মোতালেব মাদবরের মাধ্যমে দেনমোহরের টাকা পরিষোধ স্বাপেক্ষে জামিন পান তিনি। ওই সময় কিছু টাকাও দেন আদালতের মাধ্যমে।
তাদের কাবিননামায় দেনমোহর নির্ধারিত ছিল ১০ লাখ টাকা। এর মধ্যে এক লাখ টাকা ওয়াশিল থাকায় বাকি নয় লাখ টাকা আইনজীবী আব্দুল মোতালেব মাদবরের হাতে তুলে দেন আসামী নাজমুল ইসলাম।
কিন্তু এ্যাডভোকেট আব্দুল মোতালেব মাদবর পুরো টাকার বিষয়টি গোপন করে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেয় রুমির হাতে। বাকি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন তিনি। এমন অভিযোগই করেন অসহায় রুমি বেগম।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২০ আগস্ট রুমি বেগম তার স্বামী নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ পারিবারিক আদালতে দেনমোহর ও খোরপোষের দাবিতে একটি মামলা দায়ের করেন।
রুমি বলেন, আমি এ্যাভোকেট মোতালেব মাদবরের কাছে দেনমোহরের টাকা চাইতে গেলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন তিনি। তার চেম্বারে গেলে চেম্বার থেকে বের করে দেন। আমার দেনমোহরের টাকা ফেরত পেতে জেলা আইনজীবী সমিতির কাছে সাহায্য কামনা করে একটি আবেদন করেছি।
এ ব্যাপারে অ্যাডভোকেট মোতালেব মাতবরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। বার সমিতির কিছু এ্যাডভোকেট আমার বিরুদ্ধে অভিযোগটি দিয়েছে।
এ ব্যাপারে শরীয়তপুর আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট আবু সাঈদ বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর আমাদের নির্বাহী কমিটি দিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলাম। তদন্তে এ ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। আমরা বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছি। তাকে তিনকার্য দিবসের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এ্যাডভোকেট মোতালেব মাদবর এক সময়ে সরকারি জিপি ছিলেন। অনিয়মের জন্য তাকে জিপি পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। সেই সাথে জেলা আইনজীবী সমিতি তাকে ৬ মাসের জন্য বহিস্কৃত করেছিলেন।

Total View: 305

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter