সোমবার,  ১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ১:৪৭

ঐক্যফ্রন্টের দাবি ও লক্ষ্য কূটনীতিকদের জানালেন ড. কামাল হোসেন

অক্টোবর ১৮, ২০১৮ , ২১:২৮


টি.এম গোলাম মোস্তফা
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বক্তব্য কূটনীতিকদের কাছে ব্রিফিং করেছেন ড. কামাল হোসেন।

১৮ অ‌ক্টোবর, বৃহস্প‌তিবার রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি আ স ম আবদুর রব সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

আবদুর রব বলেন, ‘আজকে আমরা শুধু বাংলাদেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত-হাইকমিশনার-কূটনীতিকদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় করেছি। আমদের শীর্ষ নেতা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ড. কামাল হোসেন ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেছেন। তাদের প্রশ্নের জবাবও তিনি দিয়েছেন।’

অত্যন্ত সফল ভাবে এ মতবিনিময় সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেন আ স ম আবদুর রব।

বৈঠক সূত্র জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হলে জোটের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, এ বিষয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কাছে জানতে চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে কামাল হোসেন সরাসরি জানিয়েছেন, নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, সেটা নির্বাচিত সংসদ ঠিক করবে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরও তিনটি প্রশ্ন করা হয়।

জোটের অন্যতম প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেন ফ্রন্টের সাত দফা ও ১১ দফা লক্ষ্য কূটনীতিকদের উদ্দেশে পাঠ করেন। এরপর বর্তমান গণতন্ত্র, সরকার, নির্বাচন প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ভূমিকা বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৈঠকে প্রশ্ন করা হয়, বর্তমানে ক্ষমতাসীন দলের প্রধান শেখ হাসিনার বিপরীতে লিডার (নেতা) কে হবেন? বিশেষ করে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও কারাগারে আছেন। সে ক্ষেত্রে নেতৃত্ব সংকট কীভাবে পূরণ হবে? জবাবে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘এখানে একক নেতৃত্ব নেই। যৌথ নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে সবকিছু পরিচালিত হচ্ছে।’

বৈঠক শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, আপনারা কী আলোচনা করেছেন। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা কূটনীতিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। এর বেশি কিছু বলা যাবে না।’

একাদশ নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পূর্ব শর্তাবলী, যুক্তফ্রন্টের নেতৃত্ব, কারাবন্দি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির সঙ্গে নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার বিষয় সম্পর্কিত কূটনীতিকদের কয়েকটি প্রশ্নের জবাব দেন ড. কামাল হোসেন।

বিকেল ৩টা থেকে এক ঘণ্টা বৈঠক হয়। বৈঠকের শুরুতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কূটনীতিকদের স্বাগত জানিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃবৃন্দকে পরিচয় করিয়ে দেন। এরপর ফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন বক্তব্য রাখেন।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, কাতার, মরক্কোসহ ৩০টি দেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, আবদুল্লাহ আল নোমান, হাফিজউদ্দিন আহমেদ, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, আবদুল মান্নান, শাহজাহান ওমর, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, খন্দকার মাহবুব হোসেন, জয়নাল আবেদীন, সাবিহউদ্দিন আহমেদ, মীর নাসির, শাহিদা রফিক, শ্যামা ওবায়েদ, তাবিথ আউয়াল, মীর হেলাল, জেএসডির আসম আবদুর রব, তানিয়া রব, আবদুল মালেক রতন, গণফোরামের মোস্তফা মহসিন মন্টু, সুব্রত চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, এসএস আকবর, শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গণস্বাস্থ্য সংস্থার ট্রাস্টের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনও ছিলেন বৈঠকে।

Total View: 660

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter