মঙ্গলবার,  ২৪শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  সকাল ১০:৩২

কবি এ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান জুয়েল এর চল্লিশা উৎসব-১

মার্চ ১৮, ২০১৯ , ২৩:৫৫

ব্যাগ নাই, খাবার নাই,
ম্যাগাজিন নাই, ভুল আর ভুল,
আমি দেখি চোরের ছড়াছড়ি।

সম্প্রতি একটা উৎসব হয়ে গেলো। বিশাল উৎসব। কোথায় হয়ে গেলো নামটা বলছি না! অনেকেই যার নাম দিয়েছে চল্লিশা। তবে উৎসবের যা শ্রী তাতে চল্লিশাকেও হার মানাবে। কেন? তা আস্তে আস্তে লিখতে হবে। হয়তো সবটা এক বা একাধিক খন্ডেও তুলে ধরা সম্ভব হবে না। তবুও চল্লিশার সাথে জড়িত এক নাদান হিসাবে তুলে ধরছি। লিখতে লিখতে নিজের ভিতরে লজ্জা লজ্জা লাগছে এই ভেবে যে আমার নামও যে বিভিন্ন কমিটিতে স্থান পেয়েছে। তবে নামযে শুধু কাগজে রেখেছে, কোন কথা শোনেনি, কোন কিছুতে জড়ায়নি, শুধু কিছু কিছু কাজ করিয়েছে। আর রুটি হালুয়া নিজেরা ভাগ করে খেয়েছে অতিথিদের ডেকে এনে অপমান করেছে যার দায় আমার উপরও বর্তায় সেটা বলা খুবই জরুরী বলে মনে করছি। আমি ক্ষমা প্রার্থী, নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

চল্লিশ এমন একটি সংখা যার নানান রকম বিশ্লেষণ আছে। স্থান কাল পাত্র ভেদে এর রয়েছে নানান রকম ব্যবহার। কোন মানুষ মারা গেলে মৃত্যুর চল্লিশ দিন পর চল্লিশা খাওয়ানো হয়। মৃতের আত্মার শান্তি কামনা করে একটা ভোজন উৎসব করে দিন-রাত পরিশ্রম করে এবং উৎসবের দিন শেষে একটা তৃপ্তির ঢেকুর তুলে শান্তিতে নিদ্রায় যায়। আবার সিনেমায় যখন চল্লিশের ব্যবহার হয় তখন সেটা আর মধুর থাকে না। যেমন আলী বাবা চল্লিশ চোর। অনেকেই জানি চল্লিশ পেরোলেই চালশে লাগে। তাই চল্লিশ খুব বাজে একটা সংখ্যা আগে না হলেও এখন থেকে সবাই তাই মনে করবেন।

আমি যে চল্লিশার কথা বলতে চাই সেটা এমন এক চল্লিশা যেখানে চল্লিশ চোরের ছড়াছড়ি। চোরের ছড়াছড়ি কেন বলছি? কারন আছে। একটা উৎসব করতে হলে আন্তরিকতার প্রয়োজন হয়। আর উৎসবের কিছু দিন ক্ষণ থাকে। যেমন দশক পূর্তি, পচিশ বৎসর, পঞ্চাশ বৎসর, শত বৎসর এভাবেই বর্ষপূর্তি হতে দেখেছি এতদিন। এবার দেখলাম পঞ্চাশও না আবার পচিশও না চল্লিশ বৎসর পূর্তি উৎসবে মেতে উঠতে কিছু চল্লিশ বছর পূর্বে চোরের দীক্ষা নিয়ে বেরিয়ে যাওয়া ব্যক্তিবর্গ তাদের হীন উদ্দেশ্য ও বাণিজ্য লাভের আশায় অনুষ্ঠানের ফাদ পাতে যেই ফাদে আমরা ধরা দিয়ে বোকা বনে যাই। সেই মানুষরূপী ব্যক্তিগন নেমে পড়ের ভীক্ষাবৃত্তিতে। যার যার সুবিধা মত বাণিজ্য খুজে নেন। স্বার্থের কাছে ছোট হয়ে আসে আমনত্রিত অতিথিদের স্বার্থ। হাজার হাজার নিবন্ধিত অতিথি এসে কি করবে, কি খাবে, কি পাবে, কিভাবে উৎসব করবে তার কোন পরিকল্পনা নেই অথচ বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন পেতে বসলো যার ভ্যালু অন্তত অর্ধকোটি টাকা।

বড় মাপের কোন কিছু করতে হলে তো আর একা করা যায় না। বন্দুক রাখতে কিছু ঘার দরকার, লবন রাখতে কিছু মাথা দরকার চোরেরা সেই মাথা জোড়ার করে ফেললো। কিছু কমিটি গঠনের মাধ্যমে লোক জড়ো করে ফেললো মুহুর্তের মধ্যেই। লাল নীল স্বপ্নের বাবল ফুলিয়ে দেখালো রঙ্গীন স্বপ্ন। বোকার মত অনেকেই সেই বাবলের দিকে ছুটতে থাকলো.. এরপর..

বিঃ দ্রঃ আমার এই লেখায় কেউ যদি সংক্ষুব্ধ হন তবে আমার বিরুদ্ধে কোন এ্যাকশনে গিয়ে লাভ নেই। কেন লাভ নেই তা একটা কৌতুকের মাধ্যমে বলি-
এক যুবককে পুলিশে ধরেছে। বিচারকের সামনে হাজির করলে বিজ্ঞ বিচারক যুবককে বললো-
-তোমার বিরুদ্ধে দেশের অর্থ মন্ত্রীকে বেকুব বলার জন্য চার্জ গঠন করা হলো।
যুবক-আমিতো কোন দেশের অর্থ মন্ত্রী তা বলি নাই। আমি উগান্ডার অর্থ মন্ত্রীকে বলেছি।
বিচারক-কোন দেশের অর্থ মন্ত্রী বেকুব আমরা জানিনা মনে করো? আমাদেরকে দেখে কি তোমার আবুল মনে হয়?
কোথায় হয়েছে উৎসব তা কিন্তু আমি বলিনি!
আবার হবে দেখা.. এ লেখাই শেষ লেখা নয় তো…

Total View: 257

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter