শনিবার,  ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  বিকাল ৫:১৫

কী হবে ৮ ফেব্রুয়ারি ?

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৮ , ১৮:৪৩


মিতালী শিকদার

জিয়া অর্ফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে চলছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের মধ্যে চলছে কথার মারপ্যাচ। এমনকি একে অপরের মধ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ হুমকিধামকি চলছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

‘কী হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি’ এ নিয়ে জনমনে বাড়ছে শঙ্কা। রায়ে খালেদা জিয়ার জেল হবে না অর্থদণ্ড? নাকি উভয় দণ্ড হবে, রায় পিছিয়ে নেওয়া হবে কি, যদি জেল হয় তবে বিএনপি নেতাকর্মীদের ভূমিকা কী হবে, খালেদা জিয়ার অবর্তমানে বিএনপির নেতৃত্বে কে থাকবে, বিএনপি মারমুখী অবস্থান নিলে আওয়ামীলীগ কী তার পাল্টা অবস্থান নিবে?

প্রশ্ন বাড়ছে। বাড়ছে শঙ্কা। সবকিছুর অবসান ঘটিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ঢাকা জজ আদালত এই মামলার রায় দিবেন। রায় ঘোষণার পরবর্তী সময়ে যেকোনও অপ্রীতিকর অবস্থাই তৈরি হতে পারে। যেকোনও পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত আছে প্রশাসন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্তরের পুলিশ নেমে গেছে। পথে পথে তৈরি হয়েছে অস্থায়ী চেকপোস্ট। বাস, ট্রেনসহ সকল যানবাহনেই পুলিশ তদারকি বাড়ছে।

আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে এই রায় নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও বিএনপি নেতারা তাদের বক্তব্যে অটল রয়েছেন। বিএনপির সব নেতাকে ঘরে বসে না থাকার আহ্বান জানিয়ে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অনৈতিক রায় হলে বিএনপি নেতারা ঘরে বসে থাকবে না।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, ‘খালেদা জিয়ার শাস্তি হলে তার জবাব দেওয়ার জন্য বিএনপি নেতারা প্রস্তুত আছে।

অন্যদিকে এই রায়কে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন মতামত দেখা দিয়েছে। দলের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গেল সপ্তাহে বলেছেন, ‘বিএনপি সহিংস আচরণ করলে পাল্টা জবাব দিবে আওয়ামী লীগ।

তবে ৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় দলের সভানেত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘রায়কে ঘিরে বিএনপি নেতাকর্মীরা সহিংস আচরণ করলে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা পুলিশকে সহায়তা করবে।

অন্যদিকে দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ৬ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বলেছেন, ‘বিএনপির সহিংসতা ঠেকাতে প্রশাসন মাঠে থাকবে, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী নয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া ইতোমধ্যে বলেছেন, ‘লাঠি, ছুরি, দা কিংবা কোনধরনের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কেউ পথে থাকতে পারবে না। কেউ এই আদেশ অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টিএসসিতে বসে একঝাঁক শিক্ষার্থী আলোচনা করছেন, আবার ক্লাস বন্ধ হয়ে যায় কী না?

‘আওয়ামী লীগ বিএনপি মাঠে নামলে তো উভয় দল মুখোমুখি হবে। তখন যে কী হয়!’ হতাশার সঙ্গে কথাটি বলছিলেন ফার্সি সাহিত্যের শিক্ষার্থী আফরোজা পারভীন।

চায়ের দোকান থেকে হাট বাজার যানবাহন সব জায়গাতেই এই আলোচনা। পুরানা পল্টন মোড়ে বসে কথা বলছিলেন কয়েকজন রিকশাচালক। মেরাদিয়াবাসী রিকশাচালক ছুবহান মিয়া বলেন, ‘কাল আর রিক্সা চালানো যাবে না। দেখপেন মারামারি একটা হবে। তাদের কী! আমাদেরই না যত সমস্যা।’

মিরপুর থেকে মতিঝিলের বাসে করে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মরত আবদুল ছাত্তার। তিনি বলেন, ‘একটা সহনীয় রাজনৈতিক পরিবেশ আমাদের দেশে হবে বলে মনে হচ্ছে না। সবার মুখে প্রতিহিংসার আগুন। কাল যে কী হয়!’

প্রকৃতপক্ষেই কী হতে চলেছে? অপেক্ষায় আদালতের দিকে তাকিয়ে আছে আওয়ামী লীগ, বিএনপির সঙ্গে দেশের সাধারণ মানুষও।

Total View: 1099

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter