বুধবার,  ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  ভোর ৫:২৬

কোদালপুরে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে বাড়িঘর ফসলী জমি!

অক্টোবর ২৪, ২০২০ , ২৩:৩৭

স্টাফ রিপের্টার
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়নের ঠান্ডার বাজার এলাকা দিয়ে বহমান পদ্মার শাখা নদীটির ভাঙ্গন রোধে একপাশ দিয়ে যখন জিওব্যাগ ফেলছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড, তখন একটি প্রভাবশালী মহল নদীর মাঝখানে কয়েকটি ড্রেজার বসিয়ে প্রতিদিন বালি উত্তোলন করে বিক্রি করছেন। যার প্রেক্ষিতে হুমকির মুখে পড়েছে জালালপুর ও ঠান্ডার বাজার এলাকার কয়েকশ বাড়িঘর, ফসলী জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। যা নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

কিন্তু কি এক রহস্যজনক কারণে এসব ড্রেজার উচ্ছেদের বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হচ্ছে না কোন পদক্ষেপ। আর নামমাত্র কিছু অভিযান পরিচালনা করা হলেও স্থানীয়রা এসব অভিযানকে তামাশা ও আইওয়াশ বলছেন। তবে গোসাইরহাট উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব অবৈধ কর্মকান্ডের সাথে তাদের সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করেছেন। তারা বলছেন, এসব অবৈধ ড্রেজার উচ্ছেদে তাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যহত রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়দের সাথে আলাপ করে জানা গেছে, স্থানীয় প্রভাবশালী সুমন দেওয়ান, দেলোয়ার হোসেন, সুজন দেওয়ান, মাসুদ মৃধা এবং খবির খান নদীটিতে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে মাসের পর মাস বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছেন। প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ জাহাজ বালি বিক্রি করছেন তারা। অর্থাৎ প্রতি জাহাজ বালির মূল্য ১০ হাজার টাকা হলে ৬০ জাহাজ বালির মূল্য আসে ৬ লক্ষ টাকা। এই ৬ লক্ষ টাকা তারা প্রতিদিন অবৈধ ভাবে কামিয়ে নিচ্ছেন। তারা প্রভাবশালী হওয়ায় স্থানীয় কেউ তাদেরকে কিছু বলতে সাহস পাচ্ছে না।

মঙ্গলবার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, নদীর মাঝখানে চারটি ড্রেজার বসানো রয়েছে। সেখান থেকে মাঝারি আকৃতির জাহাজে বালু নিয়ে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছে বালু ব্যবসায়ীরা। বালু নেয়ার অপেক্ষায় আছে আরো শতাধিক জাহাজ।

নদীর পাড়ের স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, যারা বালি কাঁটে তারা অনেক প্রভাবশালী। আমাদের বাড়ি ঘর হুমকির মুখে থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে কিছু বলতে পারছি না। মাসের পর মাস এভাবে বালি কাঁটলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে, ড্রেজার ব্যবসায়ী কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায় যায়নি। পরে সুমন দেওয়ান ও খবির খাঁ এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বলেন, এসব অবৈধ ড্রেজার উচ্ছেদ করতে আমাদের অভিযান অব্যহত রয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা কয়েকবার ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছি। শীঘ্রই এসব ড্রেজার স্থায়ীভাবে উচ্ছেদ করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Total View: 92

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter