শনিবার,  ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  বিকাল ৫:২২

কোদালপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ মদদেই চলছে অবৈধ ড্রেজার

অক্টোবর ১৩, ২০২০ , ২১:৩৫

স্টাফ রিপোর্টার
গোসাইরহাট উপজেলার কোদালপুর ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা মোঃ আবদুস ছালামের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তার প্রত্যক্ষ মদদেই কোদালপুর ইউনিয়ন দিয়ে প্রবাহিত মেঘনা নদীতে চলছে অবৈধ ড্রেজার। আর এই সুবাদে ড্রেজার মালিকদের মাধ্যমে তিনি হাতিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। শুধু তাই নয়, তার বিরুদ্ধে নামজারীর নাম করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয় প্রভাবশালী সুমন দেওয়ান, দেলোয়ার হোসেন, সুজন দেওয়ান, মাসুদ মৃধা এবং কোদালপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি খবির খান মেঘনা নদীতে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছেন। যার প্রেক্ষিতে হুমকির মুখে পড়েছে নদীর পাড়ে বসবাসরত কয়েকশ বাড়িঘর ও ফসলী জমি। যা নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, ভূমি কর্মকর্তা মোঃ আবদুস ছালামের ছত্র-ছায়ায় থেকেই তারা বালু উত্তোলন করে বিক্রী করছে।
ড্রেজার বন্ধে স্থানীয়রা বেশ কয়েকবার ভূমি কর্মকর্তা মোঃ আবদুস ছালামের কাছে অভিযোগ করে কোন প্রতিকার পায়নি। বিধায় তারা গোসাইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে মৌখিক অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাৎক্ষণিক ভাবে ড্রেজার মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোদালপুর ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা আবদুস ছালামকে নির্দেশ দেন। কিন্তু আবদুস ছালাম সেই নির্দেশনাকে পাত্তা না দিয়ে ড্রেজার মালিকদের কাছে গিয়ে তার সাপ্তাহিক বখরাটা নিয়ে আসেন।
ভুক্তভোগীরা জানায়, বেশ কয়েক বার কোদালপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছি। কিন্তু তিনি ড্রেজার বন্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মেঘনা নদীতে তিনটি ড্রেজার চলছে। তখন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয়রা বলেন, ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা আবদুস ছালাম প্রতি সপ্তাহে ড্রেজারের কাছে আসেন। ড্রেজার মালিকদের সাথে খোসগল্প করে সাপ্তাহিক পাওয়ানাটা নিয়ে যান। কিন্তু অবৈধ ড্রেজিংয়ের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না। এই ড্রেজারের কারণে আমাদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে নদীতে বিলিন যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
ড্রেজার মালিক সুমন দেওয়ান, দেলোয়ার হোসেন, সুজন দেওয়ান, মাসুদ মৃধা এবং কোদালপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ সভাপতি খবির খানের সাথে আলাপ কালে তারা বলেন, আমরা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ আবদুস ছালামের সাথে লিয়াজো করেই ড্রেজার চালাই। বুঝতেই তো পারছেন, তার সাথে লিয়াজো না করে ড্রেজার চালানো সম্ভব না।
এ ব্যাপারে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ আবদুস ছালামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনার প্রশ্নের জবাব দিবেন এ্যাসিল্যান্ড। আমি কোন জবাব দিতে পারবো না।

Total View: 150

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter