বুধবার,  ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৮ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  বিকাল ৩:৫৭

ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাবেক আইজিপি’র আত্মীয়রা আজ কোটিপতি !

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৮ , ১৯:১৬

চীফ রিপোর্টার
সাবেক ইন্সিপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) এ.কে.এম শহীদুল হক এর ক্ষমতাকে পূঁজি করে তার ভাই, ভাতিজা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা শূণ্য থেকে কোটিপতি বনে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, তারা এলাকায় মানুষের প্রতি অনেক জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন করেছেন এবং মামলা হামলার ভয়-ভীতি দেখিয়ে অনেক লোকের জায়গা জমি দখল করে নিয়েছেন। পাশাপাশি নিয়োগ বাণিজ্য, ঠিকাদারী বাণিজ্য, ভোটকেন্দ্র দখলসহ পুলিশ নিয়ন্ত্রণ করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আইজিপি শহীদুল হক ক্ষমতায় থাকাকালীন তার ভাই, ভাতিজা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এলাকার মানুষকে এতোটাই অত্যাচার করেছেন যে, তাদের অত্যাচারে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। তারা অপেক্ষায় ছিলেন কবে, কখন আইজিপি’র পদ থেকে বিদায় নিবেন। ৩১ জানুয়ারী তার বিদায় নেয়ার মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। জনগনের মনে বইছে আনন্দের বন্যা। তারা এখন শান্তির নিঃশ্বাস ফেলছে। নড়িয়া উপজেলা যেন আবার নতুন করে স্বাধীন হয়েছে। এদিকে নির্যাতিত মানুষের মধ্যে জমে থাকা ক্ষোভ মিটাতে তারা একটু বেপরোয়া হয়ে উঠছে। গোটা নড়িয়া এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যে কোন সময় বড় ধরণের সহিংস ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। আর এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। জেলা শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
শরীয়তপুর সদর উপজেলার ডোমসার গ্রামের মোস্তফা কাজী, কাগদী গ্রামের বিল্লাল হোসেন খানসহ একাধিক লোকের সাথে আইজিপি শহীদুল হক সম্পর্কে আলাপ কালে তারা জানায়, শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলার নর কলিকাতা গ্রামের আবদুর মজিদ বেপারীর ছেলে শহীদুল হক। আবদুর মজিদ বেপারী সদর উপজেলার আংগারিয়া বাজারে অবস্থিত সরকারী খাদ্য গুদামের দারোয়ান ছিলেন। আর স্ত্রী জরিনা বেগম ছিলেন একজন গৃহীনি। হতোদরিদ্র পরিবারে অভাব আর অনটনের মধ্যে দিয়ে চলতো তাদের সংসার।

ছোট বেলা থেকেই মেধাবী ছিলেন শহীদুল হক। ১৯৭৩ সালে পালং তুলাসার গুরুদাস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি পাশ করেন। ১৯৭৫ সালে কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পাশ করেন। এরপর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজ বিজ্ঞানে অনার্স পাশ করেন। জীবিকার প্রয়োজনে তিনি রূপালী ব্যাংকে যোগদান করেন। পরে চাকুরী চলাকালীন অবস্থায় তিনি মাষ্টার্স পাশ করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি ৮৪ ব্যাচে বিসিএস পাশ করে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগদান করেন। পুলিশ বিভাগে চাকুরীতে যোগদান করার পর তাদের ভাগ্য খুলে যায়। পেয়ে যান আলাদিনের চেরাগ। তারপর তাদেরকে আর পিছনে তাকাতে হয়নি। দু’হাত ভরে অর্থ কামিয়ে তারা শত শত কোটি টাকার মালিক বনে যান। কিনতে থাকেন দেশে বিদেশে বাড়ি, গাড়িসহ অনেক জায়গা জমি।

এরপরেও তার চাহিদা পূরণ হয়নি। তিনি পুলিশ ব্যাংক করার নাম করে প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের নিকট থেকে ২৭ হাজার টাকা করে নিয়েছেন। কিন্তু ব্যাংকের কোন খবর নেই। টাকারও কোন হদিস নেই। যার ফলে সকল সাধারণ পুলিশের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। শোনা যাচ্ছে শহীদুল হক কানাডা ও আমেরিকা বাড়ি কিনেছেন। সেখানেই তার পরিবার বসবাস করছেন। মাঝে মধ্যে তারা দেশে বেড়াতে আসেন। আইজিপি দেশে তার বাবা এবং মায়ের নামে একটি স্কুল এ্যান্ড কলেজ নির্মাণ করেছেন। তার নাম রেখেছেন মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশন স্কুল এন্ড কলেজ। অতি সম্প্রতি সেই মজিদ জরিনা স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তার সহধর্মীনি সামসুন্নাহার এসেছিলেন। সে অনুষ্ঠানে আইজিপি শহীদুল হক প্রচুর টাকা ব্যায় করেছেন। সবার মনে একটাই প্রশ্ন উঠে আসে, এতো টাকা উৎস কোথায় ? অথচ এ প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতে গিয়ে অনেক জমি মালিকের টাকা ঠিকমত পরিশোধ করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নিয়োগ ও বদলী বাণিজ্য
শহীদুল হক যখন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদে উন্নীত হন, তারপর থেকেই শুরু হয় ভাই এবং ভাতিজার ক্ষমতার দাপট। বিশেষ করে তার ছোট ভাই বর্তমান নড়িয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ.কে.এম ইসমাইল হক বড় ভাইয়ের ক্ষমতায় পুলিশ বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করেন। পুলিশের বিভিন্ন পদে নিয়োগ, বদলী বাণিজ্য করে শত কোটি টাকা কামিয়েছেন।
আর এ টাকা ভাগাভাগি নিয়ে শহীদুল হকের সাথে ইসমাইল হকের দূরত্বের সৃষ্টি হয়। এরপর বদলী বাণিজ্যের দায়িত্ব পান তারই আপন ভাই ভোজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হক বেপারীর ছেলে ইমরান বেপারী। ইমরান যুবক বয়সে নিয়ন্ত্রণ শুরু করেন পুলিশ সুপার থেকে একজন কনস্টেবল পর্যন্ত। সেই সাথে শুরু করেন চাচা ইসমাইল হকের মতো নিয়োগ আর বদলী বাণিজ্য। পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগের ক্ষেত্রে ৫ থেকে ৭ লাখ করে টাকা নিয়েছেন। আর এ বাণিজ্য করে রাতারাতি তিনি কয়েক শত কোটি টাকার মালিক বনে যান। এ দিকে ইমরান বেপারী আইজিপি’র আশির্বাদ পুষ্ট হওয়ায় শরীয়তপুর শহরে চলছে তার কোটি কোটি টাকার ঠিকাদারী ব্যবসা।

জনপ্রতিনিধি 
শহীদুল হক এর দাপট খাটিয়ে তারই ছোট ভাই ইসমাইল হক প্রথমে নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর ক্ষমতার অপব্যবহার করে নড়িয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সরকার দলীয় প্রার্থীকে জোরপূর্বক ফেল করিয়ে তার ছোট ভাই ইসমাইল হককে বিজয়ী ঘোষনা করেন।
উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ার পর ইসমাইল হক ভোজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ছেড়ে দেন। এরপর ভোজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে শহীদৃুল হক তার আরেক ছোট ভাই নুরুল হক বেপারীকে জোর করে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় বিজয়ী ঘোষনা করেন।

বাড়ি দখল 
আইজিপি’র ভাই এবং ভাতিজা ইমরান অনেক লোকের বাড়ি দখল করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ জানুয়ারী আইজিপি’র ভাতিজা ইমরান নড়িয়া উপজেলার চান্দনী গ্রামের আবদুল হক সরদারের বসত বাড়িটি দখল করেন এবং বাড়ির লোকদেরকে মারধর করে তাড়িয়ে দেন। এ ঘটনায় ইমরান বেপারীকে প্রধান আসামী করে শরীয়তপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে নাজমা বেগম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ ঘটনায় ২ জনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। এ দিকে ঘটনার নায়ক আইজিপি’র ভাতিজা ইমরান বেপারী রয়েছেন ধরা ছোয়ার বাইরে।
শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে পালং উত্তর বাজরে মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশনের নামে বহুতলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। সেই ভবনের ১০০ ফুট লম্বা ও ৪০ ফুট পাশ জমির মালিক হচ্ছেন মৃত সরোয়ার হোসেন তালৃুকদারের স্ত্রী মেহেরীন ও তার ভাগ্নে লিটন কাজি। তাদের জায়গা জোরপূর্বক দখল করে ভবন নির্মাণ করছেন। পাশাপাশি চরপালং গ্রামের সাইদুল ইসলাম তালুকদারের জমি জোরপূর্বক দখল করেছেন। এ ব্যাপারে সাইদুল ইসলাম তালুকদার বাদী হয়ে সাবেক আইজিপি শহীদুল হক, ছোট ভাই ইসমাইল হক এবং ভাতিজা ইমরান বেপারীকে আসামী করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

নড়িয়া উপজেলার নরকলিকাতা গ্রামের আফাজ উদ্দিন এবং রেফাজ উদ্দিনের জমি দখলের পর পুকুর খনন করে মাছ চাষ করা করেছেন। আর এদিকে নড়িয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এ.কে.এম ইসমাইল হক ভোজেশ্বর বাজারের উত্তর মাথায় হাবিবুর রহমান মাষ্টারের বসত বাড়ি ও কবরস্থান দখল করে ঘর বাড়ি নির্মাণ করেছে।

ভোজেশ্বর বাজারের উত্তর মাথায় জলিল ডাক্তারের কিয়দাংশ জমি ক্রয় করে এবং সিরাজ খানের জমি জোরপূর্বক দখল করে বিশাল মার্কেট নির্মাণ করেছে আইজিপি’র ছোট ভাই ইসমাইল হক। শুধু তাই নয়, ইসমাইল হক শরীয়তপুর সদর উপজেলার আটি পাড়া গ্রামে ইলিয়াস ঢালির জমি জোরপূর্বক দখল করে পুকুর খনন করে মাছ চাষ করেছেন।

ভাংচুর 
শরীয়তপুর শহরে অবস্থিত হাজী শরীয়তউল্লাহ জেনারেল হাসপাতাল এ্যান্ড ক্লিনিকসহ ভোজেশ্বর উত্তর বাজার হাবিব মাষ্টারের বাড়ি ঘর ভাংচুর করেছে ইমরান বেপারী। গত পৌরসভা নির্বাচনে সরকার দলীয় প্রার্থী নড়িয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র হায়দার আলীর বাড়িতে হামলা করে ভাংচুর করেছে নড়িয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ইসমাইল হক এবং ভাতিজা ইমরান বেপারী।

সরকারী গাছকাটা
সদর উপজেলার কানার বাজার-বুড়িরহাট সড়কে জেলা পরিষদের সংরক্ষিত শতাধিক শিশু গাছ কেটে নিয়ে গরুর খামার করেছে আইজিপি’র ভাতিজা ইমরান বেপারী। আইজিপি’র রক্তচক্ষুর কারণে জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ কোন প্রতিবাদ করতে সাহস পায়নি।

ভোজেশ্বর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার গিয়াস উদ্দিন শেখ বলেন, আমাদের জমি জমা আইজিপি, তার ভাই ইসমাইল এবং ভাতিজা ইমরান জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে। আমরা ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারিনি।

চরপালং গ্রামের সাইদুল ইসলাম তালুকদার বলেন, আমার ১০ শতাংশ জায়গা জবর দখল করে মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশনের নামে বহুতল খবন নির্মান করেছে। আমাকে কোন টাকা পয়সা দেয়নি। আমি পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে গেলে আমার মোটর সাইকেলটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে আইজিপি’র ভাতিজা ইমরান বেপারী বলেন, আমি করো বাড়ি দখল করিনি। আমি চান্দনী মোড়ে জমি কিনেছি। সেই বাড়ির সামনে দোকান ঘর নির্মাণ করেছি। আমার সব বৈধ কাগজপত্র আছে। আমার মান সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। আমি পুলিশের কোন দালালি করিনি। এ রকম কোন প্রমান কেউ দিতে পারবে না। আমি ঠিকাদারী ব্যবসা করি। আমার একটি গরুর খামার রয়েছে। গরুর খামারে কোন গাছের কাজ করিনি। দেয়াল করে ঘর করেছি। ভোট কেটে নিয়েছি এমন কোন প্রমান নেই। আমি শর্টগান নিয়ে মোহরা দিয়েছি এমন কোন প্রমান নেই। এটা মিথ্যা কথা। আমাদের বিরুদ্ধে কিছু লোল মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে।

এ ব্যাপারে আইজিপি শহীদুল হক এর ছোট ভাই ভোজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হক বেপারী বলেন, মজিদ জরিনা ফাউন্ডেশনের বহুতলা ভবন নির্মাণে স্থানীয় সাইদুল তালুকদারের জমি তারা দখল করেনি। জমি বাবদ ১৫ লাখ টাকা তাকে দেয়া হয়েছে। টাকা নিয়ে এখন জমি দলিল করে দিচ্ছেনা। এ বিষয়ে কাগজপত্রে সই স্বাক্ষর আছে। মৃত সরোয়ার হোসেন তালৃুকদারের স্ত্রী মেহেরীর জমি, তারই ভাগ্নে লিটন কাজির ১০০ ফুট লম্বা ও ৪০ ফুট পাশ জায়গা দখল করে ভবন নির্মাণ বিষয়ে বলেন, এ জমি ক্রয় করে ভবন নির্মাণ করেছি। আমরা আবদুল হক সরদারের জমি দখল করিনি। এটা আমাদের ক্রয় করা জমি। ওরা জবর দখল করে ঐ বাড়িতে ছিল। জোর করে কোন জমি দখল করে পুকুর খনন করিনি। নির্বাচনে আমি কোন প্রভাব বিস্তার করিনি। বরং আমার বিরুদ্ধে কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি। মজিদ জরিনা স্কুল-কলেজ নির্মাণে কারো জমি দখল করা হয়নি। ন্যায্য মূল্য দিয়ে সকল জমি ক্রয় করা হয়েছে। আমি হজ্জ করে এসেছি। আইজিপি’র প্রভাব খাটিয়ে কোন টাকার মালিক হইনি। ব্যবসা বাণিজ্য করেই কোটিপতি হয়েছি। বাড়ি করেছি। তোমরা আমাদের পিছনে লাগছ কেন। আমার সঙ্গে দেখা করো।

আইজিপি’র আপন ছোটভাই নড়িয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ.কে.এম ইসমাইল হক বলেন, আমার বড় ভাই আইজিপি শহীদুল হক কোন বাণিজ্য পছন্দ করতেন না। আর আমি পুলিশ বাণিজ্য তো দুরের কথা কোন বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। উপজেলা পরিষদের নির্বাচন ১০০ ভাগ নিরপেক্ষ হয়েছে। আমি আরো ভোট পাবার কথা ছিল। প্রতিপক্ষ আমার ভোট কেটে নেয়ার কারণে আমি কমভোটে বিজয়ী হয়েছি। আমি কোন ভোট কারচুপি করিনি। এমপি সাহেবের বরাদ্ধকৃত টিন এমপি সাহেব বিতরণ করার কথা। সে আমার নামে বরাদ্দকৃত টিন নিয়ে যাওয়ায় আমি বাঁধা দিয়েছিলাম।

Total View: 2331

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter