বৃহস্পতিবার,  ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৯ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  দুপুর ২:০৬

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচার কাজ বেআইনি: ফখরুল

সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৮ , ০০:০১


স্টাফ রিপোর্টার
খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে মামলার বিচারকাজ চালু রাখা বেআইনি, তার প্রতি অবিচার করা, যা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

২১ সে‌প্টেম্বর, শুক্রবার বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশা‌নের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় কারাগারে স্থানান্তরিত আদালত রায় দিয়েছে, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ চলবে। এটা বেআইনি, তার প্রতি অবিচার, এটা মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।’

‘খালেদা জিয়া অসুস্থ, তিনি হাঁটতে পারেন না, অথচ তাকে চিকিৎসা না দিয়ে আদালতকে কারাগারে স্থানান্তরিত করে বিচারকাজ পরিচালনা করছে। অথচ আইনে বলা আছে, বিচারকাজ চলতে হবে অভিযুক্ত ব্যক্তির সামনে। কিন্তু আদালত আদেশ দিলো তার অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ চলবে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আদালতের এ আদেশ জনগণ মেনে নিতে পারছে না। এ আদেশ পরিবর্তন হওয়া জরুরি। আমরা আবারও দাবি জানাচ্ছি, খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতলে চিকিৎসা দেওয়া হোক।’

সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মূলত নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও বিরোধী মতকে বাইরে রাখতে সরকার বিএনপি ও বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে গায়েবি মামলা দিয়ে দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করছে। অথচ নির্বাচনের আগমুহূর্তে পৃথিবীর কোনো দেশ এমন গায়েবি মামলা দায়ের করে না।’

‘বিশ্বের যেকোনো দেশে নির্বাচনের সময় জনগণকে নির্বাচনমুখী করা হয়। অথচ বাংলাদেশে সরকার নিজেদের অবৈধ ক্ষমতা দখলে রাখতে বিরোধী দলের নেতাকর্মী-সমর্থকদের নামে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। যাতে আবারও ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন করে ক্ষমতায় যায়।’

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, ‘এই আইন করা হলো যাতে কেউ আর সরকারের অপশাসন, অন্যায়, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে না পারে। এ আইনে কোনো সরকারি কর্মকর্তার গোপন তথ্য বা দুনীতির খবর প্রকাশ করলে ১৪ বছরের কারাদণ্ড ও ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানা। তাহলে বলেন গণতন্ত্র কোথায়?’

ভৌতিক মামলা দিয়ে সরকার নির্বাচনকে অনিশ্চিত করে তুলছে—এমন মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অত্যাচার, নির্যাতন, নির্মমতা, পাশবিকতা, অমানবিকতা পরিহার করে সোজা পথে আসুন। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে কথা বলে একটা সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি পথ বের করুন।’

মহাসচিব বলেন, ‘অন্যথায় জাতি আপনাদেরকে ক্ষমা করবে না। এ দেশের মানুষ আপনাদেরকে ক্ষমা করবে না আপনাদের এই অপরাধের জন্য। সংবিধানকে লঙ্ঘন করা, মানুষের অধিকারকে হরণ করার অপরাধে আপনাদেরকে অব্যশই একদিন-না-একদিন কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।’

ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন পাস এবং বাম মোর্চার মিছিলে পুলিশি হামলার ঘটনায় সরকারের সমালোচনা করেন বিএনপির মহাসচিব।

২২ সেপ্টেম্বর জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার কর্মসূচিতে বিএনপি যোগ দেবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ফখরুল বলেন, ‘আমরা দেখি, এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি, আমরা জানাব।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যা‌রিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আ‌মির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।

Total View: 621

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter