বুধবার,  ২৫শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১০ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ১১:১২

গোসাইর হাট উপজেলার ইউএনও কে হত্যার হুমকি

জানুয়ারি ২৪, ২০১৮ , ১৫:১১

মঞ্জুর খান

শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ মামুন শিবলীকে হত্যার হুমকির অভিযোগে গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডাইরী করা হয়েছে।

২২ জানুয়ারী সোমবার রাত ১০টার দিকে গোসাইরহাট থানায় এ সাধারণ ডাইরী রেকর্ড হয়েছে।

গোসাইর হাট ইউএনও অফিস ও সাধারণ ডায়েরী সূত্রে জানা যায়, ২২ জানুয়ারী উপজেলার বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী নিয়োগ সংক্রান্ত সভায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তার প্রতিনিধি প্রেরণ না করে সভার শেষলগ্নে নিজেই সভা কক্ষে প্রবেশ করে। উপস্থিত সকলের সম্মতিক্রমে ইউএনও সভার কার্যক্রম সমাপ্ত করেন। সভা শেষ করে ইউএনও তার কার্যালয়ে বসে দাপ্তরিক কাজ করার সময় উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি শাহজাহান শিকদার, ভাইস চেয়ারম্যান দেওয়ান মো. শাহজাহান ও মুক্তিযোদ্ধা আলী আহম্মদ আকনের উপস্থিতিতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অপরিচিত ৬-৭ জন লোক নিয়ে ইউএনও’র কার্যালয়ে প্রবেশ করে।

এক পর্যায়ে দপ্তরী নিয়োগের বিষয়ে বেআইনী ভাবে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশে চিৎকার চেচামেচি করে এবং টেবিলে থাপ্পর দিয়ে বলেন ইউএনওকে দেখে নিবে। ইউএনও চেয়ারম্যানকে শান্ত ভাবে কথা বলতে বললে আরও ক্ষিপ্ত হয় এবং পাঞ্জাবী উচু করে কোমরে থাকা পিস্তল প্রদর্শণ করে।

পরে ইউএনও জীবনের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে গোসাইর হাট থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন।
এ ব্যাপারে ইউএনও মোহাম্মদ মামুন শিবলী সংলাপ ৭১.কমকে বলেন, জীবনের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে বিষয়টি আলাপ করি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে দুপুরের থানায় একটি অভিযোগ পত্র লিখে পাঠাই। রাত ১০টার দিকে উক্ত অভিযোগ পত্রটি সাধারণ ডায়েরী হিসেবে রেকর্ড করা হয়।

গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাসির উদ্দিনের সাথে আলাপ কালে সংলাপ ৭১.কমকে বলেন, আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ থাকায় বেশীর ভাগ সময় চিকিৎসার জন্য ঢাকায় থাকি। আমি ইদিলপুর দাখিল মাদ্রাসর সভাপতি। সোমবার ওই মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান ছিল। অনুষ্ঠান শেষ করে সভায় যেতে দেরী হয়। সভার উপস্থিতি বহিতে স্বাক্ষর করতেই ইউএনও সভার কার্যক্রম সমাপ্ত করে চলে যান।

১৯৯৭ সাল থেকে আমার লাইসেন্স করা পিস্তল আছে। অদ্যবদি কেউ সেটা দেখেনি। তাছাড়া ডাক্তার আমার শারীরিক দিক বিবেচনা করে পিস্তল ব্যবহার করতে নিষেধ করেছে। তাছাড়া ওইদিন আমি স্যুট-কোর্ট পরেছি। আমার পরনে পাঞ্জাবী ছিল না। আমাদের মধ্যকার বিরোধ জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক বাবু অনল কুমার দের মধ্যস্থতায় সমাধান হয়েছে। এখন জানতে পারলাম আমার বিরুদ্ধে জিডি করা হয়েছে। আমি ধারণা করছি দলীয় কোন নেতাকর্মী আমার বিরুদ্ধে ইউএনও’র কান ভারী করেছে। দলের উর্ধ্বতন নেতা ও এমপি’র সাথে আলাপ করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

Total View: 1267

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter