বৃহস্পতিবার,  ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  বিকাল ৪:০৪

জাজিরার পিআইও’র প্রত্যক্ষ মদদেই অনিয়ম করেছে বাসার-২

নভেম্বর ৩, ২০২০ , ০৯:৪০

স্টাফ রিপোর্টার
জাজিরা উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে “গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ” প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্ণীতির অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে সুবিধাবঞ্চিতরা বলছেন, সরকার গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ করে দিচ্ছেন। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম এবং প্রকল্পের ঠিকাদার আবুল বাসার যে ঘর নির্মাণ করছেন, সেই ঘর নির্মাণ করতে এতোটাই নিম্ন মানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে যে, বড় কোন দুর্যোগ হলে আমরা সেই ঘরের নীচে পড়েই মারা যাবো।
অপরদিকে কি এক অদৃশ্য স্বার্থে প্রকল্পের ঠিকাদার আবুল বাসারকে বাঁচানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম।
জাজিরা উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় “গৃহহীনদের জন্য দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ” অর্থাৎ যাদের ভিটা আছে, ঘর নেই তাদেরকে পিআইও অফিসের মাধ্যমে সরকার ৩ লক্ষ টাকা মূল্যের ঘর দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় জাজিরা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ৭০ জন গৃহহীনকে ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে।
সেই ঘর নির্মাণ করতে গিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম এবং ঠিকাদার আবুল বাসার করেছেন ব্যাপক অনিয়ম।
সরকারী বিধি মোতাবেক দুর্যোগ সহনীয় এই ৩ লক্ষ টাকা মূল্যের ঘরগুলো পিআইও অফিস সংশ্লষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের দিয়ে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করবেন। কোন ক্রমেই ঠিকাদার দিয়ে করা যাবে না। কিন্তু পিআইও সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে তার পছন্দের ঠিকাদার দিয়ে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছেন।
সরেজমিনে জাজিরা উপজেলার মুলনা ইউনিয়নে নির্মাণাধীন প্রত্যেকটি ঘরে গিয়ে দেখা যায়, ঘর গুলো খুবই নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। সরকারী বিধি মোতাবেক নকসা অনুসারে প্রত্যেকটি ঘর মাটির ১ ফুট গভীরে গাথনি দিতে হবে। তারপর মাটির উপর থেকে ২ ফুট পাঁকা ভিটির উপর ঘর নির্মাণ করতে হবে। কিন্তু কোন ঘরই মাটির গভীর থেকে ১ ফুট গাথনি দিয়ে নির্মাণ করা হয়নি। প্রত্যেকটি ঘরই মাটির উপর থেকে নির্মাণ করা হয়েছে।
ঘরে এতোটাই কম সিমেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে যে, ঘরের দেয়ালে হাত দিয়ে ঘসা দিলে বালি খসে পরে। সরকারী বিধি মোতাবেক ঘরে মানসম্মত কাঠ ব্যবহার করার কথা থাকলেও সেখানে খুবই নিম্নমানের কাঠ ব্যবহার করা হয়েছে।
ঘরের পিলারে কোন রড ব্যবহার করা হয়নি। যার কারণে হাত দিয়ে ধাক্কা দিলেই পিলার গুলো লড়ে। ঘরের ফিনিসিং না দিয়েই চুনকাম করে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে ঘরের মালিককে।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার আবুল বাসারের সাথে মুঠোফোনে বক্তব্য চাইলে তিনি বলেন, আমি আপনার সাথে পরে দেখা করবো।
এ ব্যাপারে জাজিরা উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের সাথে আলাপ করতে গেলে তিনি ব্যাপারটি এড়িয়ে যান।

Total View: 246

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter