বৃহস্পতিবার,  ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  বিকাল ৪:১০

জাজিরায় আধিপত্ব বিস্তার করতে গিয়ে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি

জানুয়ারি ১১, ২০১৯ , ০৮:৩৩

স্টাফ রিপোর্টার
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউানয়নের সারেং কান্দি গ্রামে বংশীয় দ্বন্দ্ব এবং আধিপত্ব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনা ঘটেছে। আর এ সহিংস ঘটনায় ৪ জন আহত হয়েছে। এই সহিংস ঘটনার প্রতিশোধ নিতে মালয়েশিয়া প্রবাসী জসিম সারেংয়ের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এ অভিযোগটি করেছেন প্রবাসী জসিম সারেংয়ের স্ত্রী লিপি বেগম। এদিকে ডাকাতির ঘটনাকে নির্বাচন পরবর্তী সহিংস ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা চলছে।

১০ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টায় এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা নগদ ৪০ হাজার টাকা, ১৯ ভরি স্বর্ণ, ১টা এ্যানড্রয়েট মোবাইল এবং একটি ব্লেজার নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পরবর্তী সহিংস ঘটনা এড়ানোর জন্য এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী আল মামুন সারেং বলেন, আমাদের বংশে ৪টা গ্রুপ। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রফিকুল ইসলাম সারেং, আবুল বাসার সারেং, মোখলেছ সারেং, তোতা মিয়া সারেং, শাহীন সারেং, সেলিম সারেং, জয় মিয়া সারেংরা ইকবাল হোসেন অপু’র পক্ষে নির্বাচন করেছে।
অপরদিকে একই বংশের আউয়াল হোসেন সারেং, রিফাত সারেং, আবদুর রহিম সারেং এবং বাহার সারেংরা ছিলেন সাবেক এমপি বি.এম মোজাম্মেল হকের লোক। কিন্তু তারাও ইকবাল হোসেন অপু’র পক্ষে নৌকার নির্বাচন করেছে।

মূলত বংশীয় দ্বন্দ্ব এবং অধিপত্ত বিস্তারের জন্যই এ সহিংস ঘটনা ঘটেছে। আর তার জের পোহাচ্ছে জসিম সারেং। জসিম সারেং দীর্ঘদিন যাবৎ মালয়েশিয়ায় থাকেন। তিনি নির্বাচনের সময় দেশে ছিলেন না। নির্বাচনের রেশ ধরে তার বাড়িতে ডাকাতি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রবাসী জসিম সারেংয়ের স্ত্রী লিপি বেগম বলেন, ১০ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার আনুমানিক রাত সাড়ে ৩টার দিকে তোতা সারেং, শাহীন সারেং, সেলিম সারেং এবং ইমরান মির্জা আমার ঘরের জানালা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে ঘরের জিনিস পত্র ভাংচুর শুরু করে। সেলিম সারেং আমার গলায় চাকু ধরে বলে তোর ঘরে গহনাপত্র, টাকা পয়সা যা আছে দিয়ে দে, তা না হলে তোকে জানে মেরে ফেলবো। তখন আমি আমার জানের ভয়ে স্টিলের আলমারীর চাবি দিয়ে দেই। তারা তখন আলমারীতে রাখা নগদ ৪০ হাজার টাকা, ১৯ ভরি স্বর্ণ, একটা এ্যানড্রয়েট মোবাইল এবং একটি ব্লেজার নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় বলে যায় এ ঘটনা যদি কাউকে বলি তাহলে পরের দিন এসে আমাকে জানে মেরে ফেলবে। আমাকে আপনারা বাঁচান। আমি জীবনের হুমকিতে আছি। এ ঘটনা পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ এসে তদন্ত করে গেছে। কিন্তু এখনও মামলা নেয়নি।

এ ব্যাপারে বিলাসপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু তাহের সরদার বলেন, সারেং কান্দি যে সহিংস ঘটনা ঘটেছে তা কোন রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নয়। এটি তাদের বংশীয় দ্বন্দ্ব। যারা সহিংস ঘটনা ঘটিয়েছে তারা সবাই নৌকার লোক। তারা সকলেই নৌকায় ভোট দিয়েছে। কিন্তু যারা সহিংসতার নামে ডাকাতি করেছে, তারা নৌকার লোক নয়। নৌকার লোক ডাকাতি করে না। যারা নৌকার নাম করে ডাকাতি করে, মহিলাদের গায়ে হাত দেয় তারা মানুষ নয়, তারা পশু। আমি শান্তি প্রিয় মানুষ। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই এবং দোষী ব্যাক্তিদের ধরে আইনের আওতায় আনার দাবী জানাচ্ছি।

এ ব্যাপারে জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বেলায়েত হোসেন বলেন, বিলাসপুর ইউানয়নের সারেং গ্রামে বংশীয় দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে সহিংস ঘটনা ঘটেছে এবং সেখানে একটি ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আমাদের কাছে কোন লিখিত অভিযোগ আসেনি। আসলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Total View: 742

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter