মঙ্গলবার,  ২৪শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  সকাল ৯:৫৪

দালাল মুক্ত শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ! কিন্তু..

এপ্রিল ৬, ২০১৯ , ০৯:৩৮

স্টাফ রিপোর্টার
শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আনিসুর রহমানের সঠিক তদারকির কারণে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসটি এখন দালাল মুক্ত হয়েছে। এদিকে দালালরা তাদের কর্মপরিকল্পনা পরিবর্তন করেছেন। তারা এখন শহরের বিভিন্ন স্টুডিও, যে সকল ব্যাংকে পাসপোর্টের ফি জমা নেয়া হয় সে সকল ব্যাংকের সামনে, পাসপোর্ট অফিসের আশেপাশে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানে, হাসপাতালের চিকিৎসকদের চেম্বারসহ ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য সেবা কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

এর কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে জানা যায়, পাসপোর্ট অফিস এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়টি সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। এই সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে দালালদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে। এছাড়া আইন শৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঝে মধ্যেই পাসপোর্ট অফিসে অভিযান পরিচালনা করছেন। যার কারণে দালালরা ঝামেলা মুক্ত থাকার জন্য পাসপোর্ট অফিসে সহসা প্রবেশ করছেন না। অথচ কিছুদিন আগেও পাসপোর্ট অফিসের অভ্যন্তরে এবং গেটের সামনে দালালদের ছিল দীপ্ত পদাচারণা।

এতোকিছু করেও ভোগান্তি কমেনি পাসপোর্ট গ্রাহকদের। নতুন পাসপোর্ট আবেদনকারীর সামান্য ভুলের কারণে দুই থেকে তিনবার ফেরত পাঠাচ্ছে পাসপোর্ট অফিস। সরকারি চাকরীজীবীরা তাদের অফিসিয়াল নিয়ম কানুনের মধ্যে থেকে অতি সহজে পাসপোর্ট করতে পারলেও বেসরকারি চাকরিজীবীরা পড়ছেন বিপাকে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাড়িয়ে থাকার পর পাসপোর্টের ফরমে কম্পিউটার প্রিন্ট ছবি, সত্যায়নের সিল সঠিক জায়গায় না পড়া, জন্মনিবন্ধনের সমস্যা, মূল ফরমে ফ্লুইট ব্যবহার করা, ফরমে ছবির সাইজ ছোট-বড় হওয়া এবং সকল কাগজপত্র সত্যায়িত থাকার পরও মূল কপি না আনার কারণে তাদেরকে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

অনুসন্ধান করে জানা গেছে পাসপোর্ট অফিসের কতিপয় কর্মচারীর সাথে রয়েছে দালালদের দারুন সখ্যতা। সেই সখ্যতার কারণে গ্রাহকরা যাতে দালালদের স্মরণাপন্ন হয় সে কারণে পাসপোর্ট ফরমে সামান্য ত্রুটি পেলেই তা ফেরত পাঠাচ্ছেন।

আর এই সুযোগটি কাজে লাগাচ্ছেন দালালরা। তারা ফরম পূরণ, নতুন পাসপোর্ট তৈরি করা, পাসপোর্টের নবায়ন, পাসপোর্ট সংশোধন, পুলিশ ভেরিফিকেশন সহ সকল সমস্যার সমাধানের কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। আর সেই টাকার একটা অংশ পেয়ে যাচ্ছেন পাসপোর্ট অফিসের কতিপয় কর্মচারী।

এ ব্যাপারে শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপের্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মাদ আনিসুর রহমানের সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, পাসপোর্ট করতে কোনো ঘুষ লাগে না। সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসাবে শরীয়তপুরের পাসপোর্ট অফিসটি ইতোমধ্যে প্রচুর সুনাম অর্জন করেছে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি আমার অফিস চত্বরে এখন কোন দালালের আনাগোনা নেই।

তবে কেউ যদি আমাদের অজ্ঞাতসারে কাউকে টাকা দিয়ে সাহায্য নেয় এবং তার শিকার না করে সেক্ষেত্রে আমাদের কিছুই থাকে না। আমার অফিসের স্টাফের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ থাকলে তা প্রমানসহ আমাকে দেখানোর অনুরোধ জানাচ্ছি। আমি অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবো।

শরীয়তপুর বাসীর প্রতি অনুরোধ রইলো, ফরম পূরণের কথা বলে কেউ যদি অতিরিক্ত টাকা চায়, টাকা দেবেন না। প্রয়োজনে আমাদের অফিসে এসে কিংবা ওয়েবসাইট ইউটিউবে জেনে পাসপোর্ট করবেন। আপনারা সচেতন হলেই দালালরা দালালী করতে পারবে না এবং আপনাদের অতিরিক্ত টাকা অপচয় হবে না।

Total View: 390

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter