সোমবার,  ১৮ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ১:৪৩

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ, অতঃপর থানায় বিয়ে

মে ১৩, ২০১৮ , ২২:১১


মিতালী সিকদার
শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়নের এক দৃষ্টি প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল ওই ইউনিয়নের সমাজ সেবা কার্যালয়ের ইউনিয়ন সমাজকর্মী মোঃ আশ্রাফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে। মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপে আশ্রাফ উদ্দিন ওই নারীকে বিয়ে করেন। ৯মে বুধবার রাতে ডামুড্যা থানায় বসে তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। ডামুড্য থানা ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়নের একটি গ্রামের ২৭ বছর বয়সী এক দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ২০০৫ সাল থেকে সমাজ সেবা কার্যালয় থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছিল। ওই সুবাদে পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়ন সমাজ কর্মী মোঃ আশ্রাফ উদ্দিনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। গত বছরের অক্টোবর মাসে সে ওই নারীকে ২০ হাজার টাকা ঋণ দেন। সমাজ সেবা অধিদফতরের এসিড দগ্ধ মহিলা ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ঋণ কার্যক্রম থেকে ঋণটি দেয়া হয়। এরপর থেকেই ওই মেয়ের বাড়িতে বিভিন্ন সময় যাতায়াত করতে থাকেন আশ্রাফ। গত মার্চে ওই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন আশ্রাফ। এরপর কয়েক দফায় তাকে ধর্ষণ করা হয়। শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন এ বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ পেয়ে ডিবি পুলিশ দিয়ে বুধবার বিকালে অভিযুক্ত আশ্রাফ উদ্দিনকে আটক করেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশের একটি রেস্তোরাঁ থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে ডামুড্যা থানায় নেয়া হয়। ডামুড্যা থানা পুলিশ রাতে ধর্ষণের শিকার ওই নারীকে থানায় নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে দু‘পক্ষের মতামতের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা না নিয়ে তাদের বিয়ের আয়োজন করেন। রাত ১০টায় ডামুড্যা পৌরসভার কাজী হাফিজ উদ্দিন বিয়ে নিবন্ধন করেন। বিয়ের কাবিনে দেনমোহর তিন লাখ টাকা ধার্য করা হয়েছে। এর মধ্যে নগদ ২০ হাজার প্রদান করা হয়েছে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার সময় উপস্থিত ছিলেন, পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ পারভেজ লিটন, ডামুড্য পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জসীম উদ্দিন মিটল ও ধানকাঠি ইউনিয়ন সমাজ কর্মী মোঃ আলী আহম্মেদ। পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ পারভেজ লিটন বলেন, ‘আশ্রাফ উদ্দিন মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। তখন মেয়েটি ও তার পরিবার রাজি হওয়ায় আমরা বিয়ের ব্যবস্থা করেছি।’ অভিযুক্ত আশ্রাফের বক্তব্য জানার জন্য ডামুড্য উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ডামুড্যা থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের মৌখিক অভিযোগে সমাজ সেবা কর্মীকে আটক করা হয়। মেয়েটি মামলা না করে তাকে বিয়ে করার কথা বলেন। ওই নারী মামলা না করায় বিয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার রাতে থানায় বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়।’

Total View: 1168

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter