মঙ্গলবার,  ২৬শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ১২ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  বিকাল ৩:৫৯

নড়িয়ায় ডাকাতির মামলায় পৌর মেয়রের ভাইসহ আটক ২

মে ২৭, ২০১৮ , ২২:৫৩

ইলিয়াছ মাহমুদ
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ডাকাতির মামলায় নড়িয়া পৌরসভার মেয়র বাবু রাড়ীর ছোট ভাইসহ ২ জনকে আটক করেছে নড়িয়া থানা পুলিশ। শুক্রবার নড়িয়ার লোনসিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো নড়িয়া পৌরসভার মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাড়ীর ছোট ভাই রাসেল রাড়ী ও তার সহযোগী সাখাওয়াত হোসেন দেওয়ান। আসামীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। আসামীদের দেয়া তথ্য মতে ডাকাতি হওয়া বেশ কিছু মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, নড়িয়া পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের লোনসিং গ্রামের লাভলু চৌকিদারের বাড়িতে গত ২৩ মে দিবাগত রাতে ৫/৬ জনের একটি দুর্ধর্ষ ডাকাত দল ডাকাতি করতে যায়। ঐদিন বাড়ির মালিক লাভলু চৌকিদার ঢাকায় ছিলেন। এ সময় ডাকাত দল ঘরের কেচি গেটের তালা ও দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে ঘরের ভিতরে সবাইকে জিম্মি করে প্রায় ২ ঘন্টাব্যাপী ডাকাতি করে। ডাকাতরা আলমারী ও স্যুটকেস ভেঙ্গে ৪২ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং ৯টি মোবাইল সেট নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ডাকাতেদের মধ্যে দুই জনের মুখ গামছা দিয়ে বাঁধা এবং দুই জনের মুখে মাক্স লাগানো ছিল। আর দুইজন বাইরে দাড়ানো ছিলো। এ সময় লাভলু চৌকিদারের স্ত্রী রেখা বেগমের চিৎকার শুনে আশে পাশের লোকজন ছুটে আসলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি এসে লাভলু চৌকিদার বাদী হয়ে অজ্ঞাত লোকদের আসামী করে নড়িয়া থানায় একটি মামলার দায়ের করেন। মামলার সূত্র ধরে নড়িয়া থানার পুলিশ সন্দেহাতীত ভাবে নড়িয়া পৌরসভার মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাড়ীর ভাই রাসেল রাড়ী এবং তার সহযোগী সাখাওয়াত হোসেন দেওয়ানকে আটক করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা পুলিশের কাছে ডাকাতির কথা স্বীকার করেন। তাদের স্বীকারোক্তি মতে ডাকাতির সময় খোয়া যাওয়া মালামালের মধ্যে ১টি স্বর্ণের চেইন, ১টি আংটি এবং নগদ ১২ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিকে মেয়রের ভাই ডাকাতির ঘটনায় জড়িত জেনে এলাকায় চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার বাদী লাভলু চৌকিদার বলেন, ঘটনার সময় আমি ঢাকায় ছিলাম। খবর পেয়ে বাড়িতে আসি। তারপর ডাকাতির ঘটনা শুনে নড়িয়া থানায় অজ্ঞাত আসামী করে একটি মামলা দায়ের করি। পুলিশ সন্দেহ করে মেয়রের ভাই রাসেল রাড়ী এবং সাখাওয়াত দেওয়ানকে আটক করে। তারা দইজনেই ডাকাতির কথা স্বীকার করেছে। ডাকাতের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী কিছু মালামাল উদ্ধার করেছে। এ ব্যাপারে নড়িয়া পৌরসভার মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাড়ী বলেন, ডাকাতির ঘটনায় আমার ভাই কেন, যেই জড়িত থাকুক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হোক। নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আসলাম উদ্দিন বলেন, মধ্য লোনসিং গ্রামের লাভলু চৌকিদারের বাড়িতে তালা ভেঙ্গে ডাকাতি করে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হওয়ার পর দুইজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা পুলিশের কাছে ডাকাতির কথা স্বীকার করে। তাদের স্বীকারোক্তি মতে সাখাওয়াত দেওয়ানের বাড়ি থেকে কিছু মালামাল এবং নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

Total View: 1016

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter