সোমবার,  ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ২:১৩

নড়িয়ায় বেড়ীবাঁধ বাস্তবায়নের দাবীতে গণঅবরোধ

এপ্রিল ৪, ২০১৮ , ১৮:১৬

ইলিয়াছ মাহমুদ
পদ্মার ডান তীর সংরক্ষণে বেড়ীবাঁধ নির্মাণ ও নদী শাসন প্রকল্পটি দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ণ এবং আগামী বর্ষার আগেই কাজ শুরুর দাবীতে শরীয়তপুরের নড়িয়ায় সকাল-সন্ধ্যা অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে পদ্মার ভাঙ্গন কবলিত মানুষ। এক মাসের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
৪ এপ্রিল বুধবার সকাল ৬টা থেকেই নড়িয়া-শরীয়তপুর মহাসড়কে সাধারণ মানুষ অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করে রাখে। এতে জেলা শহরের সাথে সড়ক যোগাযোগ সম্পুর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পরে। সাধারণ ব্যবসায়ীরা স্বতষ্ফুর্ত ভাবে এ কর্মসূচি অংশ গ্রহণ করে। পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী নড়িয়া বাজারের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। মূলত অবরোধে জনগনের স্বতস্ফূর্ত অংশ গ্রহণে সব কিছু কার্যত অচল হয়ে পরে। সকল ব্যাংক-বীমা ও সরকারি অফিস নামমাত্র খোলা হলেও জনসাধারণের অনুপস্থিতিতে তা ছিল প্রাণহীন।


অবরোধ উপলক্ষ্যে সকাল ১০টার দিকে নড়িয়া বাসস্টান্ডে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শরীয়তপুর জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ (গেরিলা আজাদ), উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আবুল বাশার দেওয়ান, বর্তমান সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন বাদশা শেখ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জাকির বেপারী, কেদারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইমাম হোসেন দেওয়ান, ভিপি মোস্তফা শিকদার, মাষ্টার ওবায়দুল হক বাবুল, মাষ্টার সাইদুল হক মুন্নাহসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
সমাবেশ থেকে বক্তারা সরকারের প্রতি কঠোর হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমাদের মৌলিক অধিকার বাসস্থান রক্ষা করা সরকারের কর্তব্য। আমাদের অধিকার রক্ষার জন্য আমরা আন্দোলনে নেমেছি। আমরা কোন দয়া-ভিক্ষা চাইনা। আমরা আমাদের অধিকার চাই। বিগত কয়েক বছর ধরে পদ্মার ভাঙ্গনের ফলে জনগন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কিন্তু এ বছর ভাঙ্গনের হুমকিতে রয়েছে উপজেলা পরিষদসহ প্রায় কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্পদ। অনতিবিলম্বে একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দাবী জানাচ্ছি।


প্রসঙ্গত গত দুই বছরে পদ্মার অব্যাহত ভাঙ্গনে শরীয়তপুরের নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার প্রায় ৭ হাজার পরিবার গৃহহীন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী বর্তমানে ভাঙ্গনের হুমকিতে রয়েছে ৮ হাজার বসত বাড়ি, ১৮৫ কিলোমিটার সড়ক, ১ কিলোমিটার সুরেশ্বর রক্ষা বাঁধ, ২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৫৫ মসজিদ মাদ্রাসাসহ প্রায় ৩ হাজার ৪২৫ কোটি টাকার সম্পদ। এ ক্ষতি এড়াতে জাজিরা-নড়িয়া পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প গত ২ জানুয়ারি অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। ১ হাজার ৯৭ কোটি টাকার এ প্রকল্পের আওতায় ৯ কিলোমিটার এলাকায় বাঁধ ও চর ড্রেজিং করা হবে। কিন্তু শুষ্ক মৌসুমে এ প্রকল্পের কোন দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে দুই উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। শুস্ক মৌসুমে বাঁধ নির্মাণ করা না গেলে আগামী বর্ষায় নড়িয়া উপজেলা সদর পদ্মা নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে বেড়ীবাঁধ নির্মাণের দাবী জানিয়েছে স্থানীয়রা।

Total View: 1039

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter