শনিবার,  ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  বিকাল ৩:৫৯

পদ্মাসেতুর ২২৫০ মিটার দৃশ্যমান হতে পারে মঙ্গলবার

অক্টোবর ১৯, ২০১৯ , ২২:১৮

স্টাফ রিপোর্টার
বর্ষা মৌসুম ও নাব্যতা সংকটের কারণে ৩ মাসের বেশি সময় ধরে পদ্মাসেতুতে কোনো স্প্যান বসানো সম্ভব হয়নি। ড্রেজিং করেও অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা যাচ্ছে না। জাজিরা প্রান্তের চর এলাকা থেকে ‘৪-ই’ স্প্যানকে ভাসমান ক্রেনের মাধ্যমে ২৮ ও ২৯ নম্বর পিলারের সামনে নোঙ্গর করে রাখা হয়েছে। সেতু কর্তৃপক্ষ ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সেতুর ২৩ ও ২৪ নম্বর পিলারের ওপর স্প্যান বসানোর সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন।

সোমবার স্প্যানটি বসানো সম্ভব হলে দৃশ্যমান হবে সেতুর ২২৫০ মিটার অর্থাৎ ২.২৫ কিলোমিটার। পদ্মাসেতুর প্রকৌশল সূত্রে জানা যায়, তিনটি ড্রেজারের মাধ্যমে ড্রেজিং চলছে। ড্রেজিং করেও স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না। পলি অপসারণ করার ১-২ ঘণ্টা সময় পরে আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যায়। ধূসর রংয়ের ১শ ৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ও ৩ হাজার ১শ ৪০ টন ওজনের স্প্যানটিকে ৩ হাজার ৬শ টন ধারণ ক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ ক্রেন বহন করে চলাচলের জন্য নাব্যতা সংকট বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতোমধ্যে পদ্মাসেতুর আরও ৩টি স্প্যান প্রস্তুত হয়ে আছে। কিন্তু নাব্যতা সংকটের কারণে স্প্যানগুলো বসাতে দেরি হচ্ছে।

সেতুর ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩ নম্বর পিলারের ওপর চারটি স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা আছে চলতি বছরের মধ্যে। সর্বশেষ ২৯ জুন মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে ১৫ ও ১৬ নম্বর পিলারের ওপর বসে চতুর্দশ স্প্যান ৩সি। প্রকৌশল সূত্রে জানা যায়, সবকিছু অনুকূলে থাকলে মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হবে স্প্যান বসানোর কার্যক্রম। দুই পিলারের মধ্যবর্তী সুবিধাজনক স্থানে এনে ভাসমান ক্রেনটিকে নোঙ্গর করা হবে। এরপর পজিশনিং করে ইঞ্চি ইঞ্চি মেপে স্প্যানটিকে তোলা হবে পিলারের উচ্চতায়। রাখা হবে দুই পিলারের বেয়ারিং এর ওপর।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রকৌশলী জানান, পদ্মাসেতুর জন্য মোট ৩০টি স্প্যান আসে মাওয়ায়। এর মধ্যে ১৪টি স্প্যান বসানো হয়েছে সেতুর পিলারের ওপর। একটি স্প্যান জাজিরা প্রান্তের চর এলাকায় স্টোরেজ করে রাখা এবং আরেকটি স্প্যান ক্রেনে আছে। মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে ১৪টি স্প্যান আছে এর মধ্যে চারটি স্প্যান ফিটিং করে প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। ৪২টি পিলারের মধ্যে এখন ১০টি পিলারের কাজ বাকি আছে।

জাজিরা প্রান্তে রেলওয়ে স্ল্যাব বসেছে ৩৬১টি ও রোডওয়ে স্ল্যাব বসেছে ৫৪টি। পদ্মাসেতুর ৪, ৫, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ২৪, ২৫, ৩৩, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২ নম্বর পিলারে ১৪টি স্প্যান বসিয়ে দৃশ্যমান হয়েছে ২১শ মিটার। জানা যায়, পুরো সেতুতে ২ হাজার ৯শ ৩১টি রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে। আর রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো হবে ২ হাজার ৯৫৯টি। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সেতু নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ হাজার কোটি টাকা। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।

Total View: 204

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter