বৃহস্পতিবার,  ২২শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ৮:৩০

পদ্মায় নিখোঁজ হওয়া ৮ জনের এখনও খোঁজ মেলেনি

আগস্ট ৮, ২০১৮ , ২১:০৯

স্টাফ রিপোর্টার

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সাধুর বাজারের বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ লঞ্চঘাট পদ্মা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার সময় নিখোঁজ ব্যাক্তিদের মধ্যে আট জনের এখনও কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাদের সন্ধানে আসা স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পদ্মা পাড়ের আকাশ বাতাস। এরই মধ্যে নিখোঁজ আট জনেরই পরিচয় পাওয়া গেছে।

তারা হলেন, নড়িয়া উপজেলার উত্তর কেদারপুর গ্রামের শাহজাহান বেপারী, মজিবুর ছৈয়াল, গুপী বাছার, আব্দুর রশিদ হাওলাদার, মোশারফ চোকদার। কলুকাঠি গ্রামের নাছির বয়াতী, চাকধ গ্রমের নাছির হাওলাদার এবং বরিশালের নাজিরপুর গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে আল আমিন। নড়িয়া উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, নিখোঁজ ব্যাক্তিদের সন্ধানে ঘটনাস্থলের আশেপাশে তল্লাশি চালাচ্ছেন পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

বুধবার দুপুর ১১টার দিকে ক্ষতিগ্রস্থদের খোঁজখবর নিতে দুর্ঘটনাস্থল যান জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের। তিনি নিখোঁজদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং খোঁজ না পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চালিয়ে রাখার আশ্বাস দেন।

এদিকে সকাল থেকেই নিখোঁজদের সন্ধানে নদীর পাড়ে ভিড় জমাতে থাকে নিখোঁজের স্বজনেরা। তাদের কান্না আর আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে পদ্মাপারের আকাশ বাতাস।

নিখোঁজ মজিবুর ছৈয়ালের স্ত্রী রাবেয়া বেগম জানান, তার স্বামী গাছ কেনাবেচার ব্যবসা করতেন। ভাঙ্গন এলাকার গাছ কেনার জন্য তিনি মঙ্গলবার দুপুরে সাধুরবাজার এসেছিলেন। কিন্তু লঞ্চঘাট এলাকা ধসে পড়ার পর থেকে তার আর কোনও খোঁজ নেই।

নিখোঁজ নাছির বয়াতীর মা নাজমা বেগম ছেলের শোকে শুধুই বিলাপ করছিলেন। তিনি জানান, ‘ছেলেটা কাঠমিস্ত্রির কাজ করতো। পেটের দায়ে নদীর পাড়ের ঘর ভাঙ্গার কাজ করতে এসেছিল। মঙ্গলবার দুপুর থেকে তার কোনও খোঁজ নেই’।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নিখোঁজ হওয়া আট জনের নাম ও পরিচয় পাওয়া গেছে। নিখোঁজদের খোঁজে উদ্ধার তৎপরতা চলমান আছে। ভাঙ্গন এলাকা থেকে লোকজনকে দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে বলা হয়েছে’।

উল্লেখ্য, ৭আগষ্ট মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে হঠাৎ নড়িয়া উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের সাধুর বাজার লঞ্চঘাটের বিশাল অংশ পদ্মা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। লঞ্চঘাট এলাকায় থাকা ৬-৭টি ছোট দোকানঘর এ সময় নদীতে তলিয়ে যায়। ঘটনার সময় সেখানে স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ প্রায় ৩৫-৪০ জন লোক ছিলেন। এর মধ্যে শেষ পর্যন্ত আট জন নিখোঁজ রয়েছেন।

Total View: 696

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter