বৃহস্পতিবার,  ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  বিকাল ৫:৫৩

পারিবারিক কবরস্থানে চির নিদ্রায় শায়িত আতিকুর

মার্চ ৩০, ২০১৯ , ০৯:২৬

স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর বনানীর এফআর টাওয়ারে অগ্নিকান্ডে নিহত শরীয়তপুরের মির্জা আতিকুর রহমানের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে। তিনি এফআর টাওয়ারের ১৩ তলায় একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করতেন।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, মির্জা আতিকুর রহমান শরীয়তপুর সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব সারেঙ্গা গ্রামের মৃত মির্জা আব্দুল কাদিরের ছেলে। চাকরির সুবাদে তিনি ১৫ বছর আগে ঢাকায় যান। তিনি স্ত্রী, ১০ বছর বয়সী মেয়ে মির্জা তাসফিয়া আক্তার তানহা ও চার বছরের ছেলে মির্জা রাফিউর রহমানকে নিয়ে ঢাকার এসিবি চত্বর মানিকদি বাজার আমতলিতে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

আতিকুর স্ক্যানওয়াল লগিস্টিক বাংলাদেশ (প্রাঃ) লিমিটেড কোম্পানিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এফআর টাওয়ারের ১৩ তলায় ছিল তার অফিস।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে এফআর টাওয়ারের ৯ম তলা থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। আগুন ছড়িয়ে পড়েলে ওই ভবনের ১৩ তলার অফিসে আটকা পড়েন আতিকুর। পরিবার অনেক খোঁজ করেও তাকে পায়নি। পরে ওইদিন রাত ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ শনাক্ত করেন আতিকুরের চাচাতো ভাই মির্জা বাদল। পরে শুক্রবার সাড়ে ১১ টার দিকে মরদেহ শরীয়তপুরের গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। দুপুর আড়াইটায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

মির্জা আতিকুর রহমানের স্ত্রী এনি আক্তার পলি বলেন, “তখন দুপুর ১টা ১০মিনিট। আমার কাছে মোবাইলে আতিকুর ফোন করে। আমাকে বলে, আমার জন্য দোয়া করো। তখন আমি বলি, কেন এ কথা বলছো। তখন সে বলে, অফিসে আগুন লাগছে। ধোঁয়ায় অফিস ভরে গেছে, আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না”।

তিনি কান্না জড়িত কন্ঠে আরও বলেন, “আমার আতিকুর মারা গেছে। এখন সন্তানেরা কাকে বাবা বলে ডাকবে”।

মির্জা আতিকুর রহমানের ভাই মির্জা আবুল হোসেন বলেন, “এফআর টাওয়ারে আগুন লাগলে ধোঁয়ায় চারদিক অন্ধকার হয়ে যায়। সেই ভবনে আমার ভাই চাকরি করতো। সেদিন অফিসে ছিল, অফিস থেকে বের হতে পারেনি সে। অক্সিজেনের অভাবে শ্বাস বন্ধ হয়ে মারা গেছে আমার ভাই। আল্লহ কেন এমন করলা” ?

চাচাতো ভাই মির্জা বাদল বলেন, “আতিকুর অনেক ভালো ছিল। এভাবে সে মারা যাবে কল্পনাও করতে পারিনি। তার মৃত্যু মানতে পারছি না”।

শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, দুর্ঘটনায় শরীয়তপুরের একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি। ঘটনাটি খুবই বেদনাদায়ক। জেলা প্রশাসন নিহতের পরিবারকে সব ধরণের সহায়তা দেবে।

Total View: 273

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter