শুক্রবার,  ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১০ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  সকাল ৯:২৩

পুরো চাল বুঝে না পেয়েই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে শরীয়তপুরের খাদ্য বিভাগ

মে ২৭, ২০১৮ , ০১:২১

স্টাফ রিপোর্টার
দেশের মানুষের খাদ্যের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সরকার বিদেশ থেকে দরপত্রের মাধ্যমে এক লক্ষ মেট্রিক টন চাল আমদানি করছেন। সেই চাল থেকে শরীয়তপুর জেলা খাদ্য গুদামের জন্য সরকার দুই হাজার মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছেন। ২০১৮ সালের ২৫ মের মধ্যে উক্ত চাল সংশ্লিষ্ট খাদ্য গুদামে পৌছানোর কথা থাকলেও মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও সে চাল খাদ্য গুদামে পৌছায়নি। অথচ শরীয়তপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পুরো চাল বুঝে না পেয়েই খাদ্য অধিদপ্তরের কাছে পুরো চাল বুঝে পাওয়ার প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
এদিকে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার বলছেন গত ২০ মে’র আগেই সমস্ত গুদামের চাল সরবরাহ করা হয়েছে। কিন্তু শরীয়তপুরের জন্য বরাদ্দকৃত চাল সঠিক সময়ে না পৌছানোর কারণে খাদ্য বিভাগের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
ব্যবসায়ী ও খাদ্য বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজসে রাস্তা থেকেই সরকারের সরবরাহকৃত উন্নত মানের চাল নিন্ম মানের চালের সাথে বদল করে আনার কারণে যথা সময়ে গুদামে পৌছানো সম্ভব হচ্ছে না বলে ধারণা অনেকের। অভিজ্ঞদের ধারণা, সরাসরি ভারত থেকে আমদানিকৃত চাল দেয়ার কথা থাকলেও বেশীরভাগ চালই বদল হয়ে দেশীয় উৎপাদনকৃত চালে পরিণত হবে।
জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সরকার দরপত্রেরে মাধ্যমে প্যাকেজ-৩ এর আওতায় বৈদেশিক উৎস থেকে এক লক্ষ মেট্রিক টন নন-বাসমতি সিদ্ধ চাল আমদানি করছে। চুক্তি অনুযায়ী রশিদ অটোমেটিক রাইচ মিলস্ লিমিটেড দেশের বিভিন্ন জেলার ৫৪টি খাদ্য গুদামে এ চাল সরবরাহ করবে। এর আওতায় শরীয়তপুরে জেলা সদরের আঙ্গারিয়া খাদ্য গুদাম দুই হাজার মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালের ২৫ মে’র মধ্যে সংশ্লিষ্ট খাদ্য গুদাম সকল চাল পৌছে দেয়ার কথা রয়েছে। সেক্ষেত্রে আঙ্গারিয়া খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষ মাত্র এক হাজার বিশ মেট্রিক টন চাল বুঝে পেয়েই পুরো দুই হাজার মেট্রিক টন চাল বুঝে পেয়েছেন বলে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
এ ঘটনাটি সাংবাদিকদের নজরে আসলে বিষয়টি শরীয়তপুর জেলা প্রশাসককে জানানো হয়। জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিক ভাবে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জিয়াউর রহমানকে তদন্ত করার দায়িত্ব দেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান মাত্র কয়েক মিনিট লোক দেখানো তদন্ত করে জানিয়ে দেন এ অভিযোগের কোন ভিত্তি নেই। জেলা প্রশাসক তখন আঙ্গারিয়া খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ আলম দীনাকে তলব করেন। গুদামে সম্পূর্ণ চাল বুঝে না পেয়েই পুরো চাল বুঝে পাওয়া হয়েছে বলে খাদ্য অধিদপ্তরের চলতি মওজুদ বিবরনী জেলা প্রশাসকের কাছে দেয়া হলে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের ২৪ মে বৃহস্পতিবার বিকেলে আঙ্গারিয়া খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ আলম দীনাকে তিন ঘন্টার মধ্যে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দিতে মৌখিক আদেশ প্রদান করেন। জেলা প্রশাসকের সেই আদেশের প্রেক্ষিতে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ আলম দীনা কি জবাব দিয়েছেন তা জানা যায়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী রশিদ অটোমেটিক রাইস মিলস্ এর সাথে সরকারের এই মর্মে চুক্তি হয় যে, ২৩ মার্চের মধ্যে সকল খাদ্য গুদামে চাল পৌছে দেয়ার জন্য। নির্ধারিত সময়ে চাল সরবরাহ করতে না পারায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পূণরায় আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার চাল হস্তান্তরের সর্বশেষ তারিখ নির্ধারণ করেন ২০১৮ সালের ২৫ মে পর্যন্ত। ৪ মে থেকে আঙ্গারিয়া খাদ্য গুদামে চাল আসা শুরু করে। সরকারের সাথে চুক্তি অনুযায়ী ৫০ কেজি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ডাবল সেলাইযুক্ত পলি ব্যাগে চাল সরবরাহ করতে হবে। প্রতিটি ব্যাগের গায়ে খাদ্য অধিদপ্তর ও সরবরাহকারি প্রতিষ্ঠানের সীলমোহর সংযুক্ত থাকা বাধ্যতামূলক। সরবরাহকৃত চাল বুঝে নিতে প্রতিটি গুদাম ভিত্তিক একটি কোয়ালিটি ভ্যারিফিকেশন কমিটি অর্থাৎ চালের মান যাচাই কমিটি গঠন থাকতে হবে। আর এ কমিটিতে থাকবেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা, একজন কারিগরি খাদ্য পরিদর্শক এবং খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। উল্লেখিত কমিটি সংগ্রহ নীতিমালার নির্দেশনা অনুযায়ী গুদামে চাল গ্রহণপূর্বক খামাল গঠন করবেন। চাল খামালীকরণের পর চালের আদ্রতা অর্থাৎ চালের প্রাকৃতিক জলীয় অংশ সর্বোচ্চ ১৪ শতাংশ আছে কিনা তা নিশ্চিত করবেন। শুধু তাই নয়, চালের ভাঙ্গা দানা, আস্ত দানা ও মরা দানা যাচাই করবেন। এরপর শতভাগ বস্তা গননা নিশ্চিত করে কমিটি তিনটি প্রতিনিধিত্বমূলক নমুনা সংগ্রহ করবে। প্রথম নমূনা সংশ্লিষ্ট খাদ্য গুদামে, দ্বিতীয় নমুনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে এবং তৃতীয় নমুনাটি সরবরাহকারি প্রতিষ্ঠানকে পাঠাবেন। এতোগুলো ধাপ অতিক্রমের পরে খাদ্য বিভাগ নির্ধারিত ট্রেজারী ব্যাংক বরাবরে ডব্লিউ কিউ এস সি অর্থাৎ ওজন মান যাচাই সনদ প্রদান করার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক সরবরাহকারিকে প্রতি মেট্রিক টন চালের বিপরীতে ৪২ হাজার ২ শত ৭৫ টাকা পরিশোধ করবেন।
খাদ্য গুদামের তথ্য মতে, গত ২০ মে পর্যন্ত গুদামে ১ হাজার ২০ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। সে অনুয়ায়ী শরীয়তপুর সোনালী ব্যাংক রশিদ অটো রাইচ মিলস্ লিমিটেডকে ২২ মে ৪ কোটি ৩১ লক্ষ ২০ পরিশোধ করেছেন বলে জানিয়ে ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মোঃ হাবিবুর রহমান। কিন্তু গত ২২ মে মঙ্গলবার শরীয়তপুর খাদ্য বিভাগ ঢাকা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে যে, ২০ মে ২০১৮ তারিখেই দুই হাজার টন চালের সমূদয় বুঝে পাওয়া গেছে। কিন্তু গুদামে আমদানিকৃত চালের মওজুদ অনুযায়ী ২৫ মে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৬ শত মেট্রিক টন চাল গ্রহণ করা হয়েছে। আরো প্রায় ২ শত টন চাল ভর্তি ১০টি ট্রাক বাইরে অপেক্ষমান। প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে বাকি প্রায় ২ শত টন চাল গেল কোথায়। আর মাত্র ১ হাজার ২০ টন চাল গুদামে থাকতে অধিদপ্তরকে কেন ৫ দিন আগেই তথ্য দেয়া হলো পুরো ২ হাজার টন বুঝে পাবার ? কি তার রহস্য ?


আঙ্গারিয়া খাদ্য গুদামে গিয়ে দেখা গেছে, বস্তার গায়ে সীল থাকা বাধ্যতামূলক হওয়া সত্বেও অধিকাংশ চালের বস্তায় কোন সীল নেই। অতি পুরনো ৫০ কেজির পলি বস্তায়ই এসেছে শত শত টন চাল। চটের বস্তায় চাল সরবরাহের আদেশ না থাকলেও অন্তত দেড় শত টন চাল এসেছে চটের বস্তায় ভরে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তথ্য প্রদানকারি জানিয়েছেন, একটি গুদামে অন্তত সাড়ে ৩ শত টন চাল রয়েছে পুরনো ও পোকায় ধরা। চটের বস্তায় আমদানিকৃত চাল থেকে পোকা বেরুচ্ছে। জানা গেছে, চালের মান যাচাই কমিটি নিয়মানুযায়ী যাচাই বাছাই না করেই নিন্ম মানের চাল গ্রহণ করেছেন।
খাদ্য ব্যবসার সাথে জরিত একটি সূত্র জানিয়েছে, আঙ্গারিয়া খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা সরবরাহকৃত উন্নত মানের চাল বহনকারি সংশ্লিষ্ট ট্রাক চালকদের সাথে যোগসাজসে গুদামে পৌছার আগেই মাদারীপুর জেলার জনৈক ব্যবসায়ীর সহায়তায় বস্তা বদল করে ভালো চালের বিনিময়ে নিন্ম মানের চাল এনে গুদামজাত করছেন। এতে প্রতি মেট্রিক টন চালে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা বিনিময় মূল্য পাচ্ছে খাদ্য কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ আলম দীনা।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে শাহনেওয়াজ আলম দীনা আঙ্গারিয়া খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-এলএসডি) হিসেবে যোগদান করেন। তিনি এখানে যোগদানের পর থেকেই খাদ্যগুদামে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরণের অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে ওসিএলএসডি শাহনেওয়াজ আলম দীনা খাদ্য বিভাগের সুনাম ক্ষুণœ করছেন। সরকারি কর্মসূচির খাদ্য শস্য ওজনে কম দেয়া, অসাধু ব্যবসায়ীদের সাথে হাত মিলিয়ে উন্নতমানের চাল গুদাম থেকে বাইরে বের করে দিয়ে গুদামে নিন্ম মানের চাল-গম প্রবেশ করানোসহ নিয়ম ভহির্ভূত নানা কাজে তিনি জড়িয়ে পড়েছেন।
চলতি বছরের জানুয়ারী মাসে শরীয়তপুর বিসিক শিল্প নগরীর তালুকদার ফ্লাওয়ার মিলের জন্য বরাদ্দকৃত ৩শ মেট্রিক টন গম সরবরাহ নিয়ে ব্যাপক দুর্নীতি করেন খাদ্য কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ আলম দীনা। ৩শ টন গমের মধ্যে তিনি তালুকদার ফ্লাওয়ার মিলকে ১৪ মেট্রিক টন গম ওজনে কম দিয়েছেন। এ বিষয়ে তালুকদার ফ্লাওয়ার মিলের পরিচালক আজিজুল হক মীর মালত শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেন। আজিজুল হক বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে সরকার ৩ শত মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দিলে আমি গত জানুয়ারী মাসে সে গম খাদ্য গুদামে উত্তোলন করতে গেলে ওসিএলএসডি আমাকে মেয়াদ উত্তীর্ণ, পচা, পোকায় খাওয়া গম সরবরাহ করেন। আমি গম বুঝে নিতে গিয়ে দেখি আমাকে মোট ১৪ মেট্রিক টন গম কম দেয়া হয়েছে। যার মূল্য প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা। এ বিষয়ে আমি শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কাছে একটি আবেদন করলে তিনি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটি যথাযথ তদন্তে বিষয়টি সঠিক প্রমানিত হয়। কিন্তু কতিপয় রাজনৈতিক নেতার হস্তক্ষেপে ওসিএলএসডি’র বিরুদ্ধে কমিটি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে আমাকে ১৪ টন গমের সমূদয় মূল্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে ফেরৎ দিয়ে দেয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাদারীপুরের একজন খাদ্য ব্যবসায়ী বলেন, শরীয়তপুরের ওসিএলএসডি শাহনেওয়াজ আলম দীনা মাদারীপুরের চরমুগুরিয়া খাদ্য গুদামের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ব্যাপক দুর্নীতি করেছেন। তার বিরুদ্ধে আমরা খাদ্যমন্ত্রী, খাদ্য বিভাগের মহা পরিচালক, আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, জেলা প্রশাসন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করি। আমাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। এরপর ২০১৭ সনের এপ্রিল মাসে তাকে মাদারীপুর থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।
এ বিষয়ে রশিদ অটোমেটিক রাইস মিলস্ লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার হারুন অর রশীদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা ২০ মে’র আগেই চুক্তিকৃত চাল বহনকারি ট্রাক দিয়ে সংশ্লিষ্ট গুদামে পাঠিয়ে দিয়েছি।
আঙ্গারিয়া খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহনেওয়াজ আলমের সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে নির্দেশনা আছে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের অনুমতি ছার কোন তথ্য প্রদান করা যাবে না।
শরীয়তপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খন্দকার নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি, আমি অসুস্থ্য মানুষ। এ বিষয়ে আমি কোন কিছু বলতে আগ্রহী নই।

Total View: 1032

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter