রবিবার,  ২০শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ৬ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,  সন্ধ্যা ৭:৫৮

বিনোদপুর ইউনিয়নে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন এ্যাড. নজরুল

এপ্রিল ৮, ২০২০ , ০০:১৫

স্টাফ রিপোর্টার
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার এ.কে.এম নাসির উদ্দিন কালুর প্রেরণায় শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ২৪টি গ্রামের ২শ ৫৫টি পরিবারকে ব্যাক্তিগত উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন জেলা বিএনপির সহ প্রচার সম্পাদক এ্যাডভোকেট মৃধা নজরুল কবির।

৬ এপ্রিল সোমবার সকাল ১০টায় বিনোদপুর বাজার থেকে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। যে সকল লোকজন খাদ্য সামগ্রী নিতে আসতে পারেনি যুবদল এবং ছাত্রদলের নেতারা সে সকল লোকের বাড়িতে গিয়ে এ খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন।

আর এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণের ক্ষেত্রে সার্বিক ভাবে সহায়তা করেছেন এ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম কাশেম, এ্যাডভোকেট আলী আকবর এবং নাজমুল হাসান নান্নু।

শরীয়তপুরে করোনা মহামারী আকার ধারণ করেছে। করোনার বিস্তার রোধ এবং করোনায় যেন কোন লোক আক্রান্ত করতে না পারে সেজন্য গত ২৬ মার্চ থেকে সরকারী ভাবে শরীয়তপুর জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আর এই লকডাউন ঘোষণার কারণে সমস্যায় পরেছেন নিম্ন আয়ের হতোদরিদ্র ভ্যানচালক, রিকশা চালক, অটো রিকশা চালক, চা বিক্রেতা সহ দিন মজুর এবং খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ।

“মানুষ মানুষের জন্য’’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঐসকল নিম্ন আয়ের হতোদরিদ্র ভ্যানচালক, রিকশা চালক, অটো রিকশা চালক এবং চা বিক্রেতা সহ দিন মজুর, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তারই নির্দেশে বিনোদপুর ইউনিয়নের ২শ ৫৫টি পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এই খাদ্য সামগ্রী পাওয়ার পর ঐ সকল নিম্ন আয়ের হতোদরিদ্র ভ্যানচালক, রিকশা চালক, অটো রিকশা চালক এবং চা বিক্রেতা সহ দিন মজুর, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে।

খাদ্য সমগ্রী নিতে আসা হাকিম মাদবর বলেন, আমি একজন দিন মজুর। প্রতিদিন বদলা দিয়ে খাই। করোনার কারণে শরীয়তপুরকে লকডাউন ঘোষণা করায় আমার কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গেছে। তিন বেলার খাবার যোগাতে পারছিলাম না। এই মুহুর্তে যদি আমাকে চাল না দিতো তাহলে না খেয়ে মরা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মরার আগেই তো আমরা না খেয়ে মরে যেতাম।

ভ্যান চালক তোতা ঢালী বলেন, করোনার কারণে আমার কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গেছে। এখন না খেয়ে মরার অবস্থায় আছি। নজরুল সাহায্য করায় আমার অনেক উপকার হলো।

দিনমজুর কামাল বলেন, আমি অসহায় দিন মজুর। করোনার কারণে কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গেছে। আমি দিন আনি দিন খাই। নজরুল এই বিপদের দিনে সাহায্য করায় মরার হাত থেকে বেঁচে গেছি। তা না হলে না খেয়ে মরতে হতো।

খাদ্য সামগ্রী বিতরণের আয়োজক এ্যাডভোকেট মৃধা নজরুল কবির বলেন, বিশ্বব্যাপী যখন করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করেছে, তখন আমি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার এ.কে.এম নাসির উদ্দিন কালুর প্রেরণায় বিনোদপুর ইউনিয়নের নিন্ম আয়ের মানুষের মাঝে খাদ সামগ্রী বিতরণ করেছি। আজ বিনোদপুর ইউনিয়নের ২শ ৫৫টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হলো। ভবিষ্যতে আরও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করার ইচ্ছে আছে।

Total View: 320

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter