শনিবার,  ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  সন্ধ্যা ৬:০২

বিনোদপুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ মদদেই চলছে অবৈধ ড্রেজার

অক্টোবর ৭, ২০২০ , ২৩:২০

স্টাফ রিপোর্টার
শরীয়তপুর সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তার প্রত্যক্ষ মদদেই বিনোদপুরে চলছে অবৈধ ড্রেজার। আর এই সুবাদে ড্রেজার মালিকদের মাধ্যমে তিনি কামিয়ে নিচ্ছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।
স্থানীয় প্রভাবশালী সোহাগ হাওলাদার, আবদুল লতিফ মোড়ল এবং বাবু খা বিনোদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছেন। যার প্রেক্ষিতে হুমকির মুখে পড়েছে মৌলভী কান্দি ও চরের কান্দি গ্রামের নদীর পাড়ে বসবাসরত কয়েকশ বাড়িঘর ও ফসলী জমি। যা নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব আলমের ছত্র-ছায়ায় থেকেই তারা বালু উত্তোলন করছে।
ড্রেজার বন্ধে বিনোদপুর ইউনিয়নের মৌলভী কান্দি গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে ওবায়দুল হক হাওলাদার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুর রহমান শেখ তাৎক্ষণিক ভাবে ড্রেজার মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিনোদপুর ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা মাহাবুব আলমকে নির্দেশ দেন। কিন্তু মাহাবুব আলম সেই নির্দেশনাকে পাত্তা না দিয়ে ড্রেজার মালিকদের কাছে গিয়ে তার সাপ্তাহিক বখরাটা নিয়ে আসেন।
ভুক্তভোগী ওবায়দুল হক হাওলাদার জানান, বেশ কয়েক বার তার কাছে অভিযোগ করেছি। কিন্তু তিনি ড্রেজার বন্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। উপায়ান্ত না দেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করি।

সরেজমিনে মৌলভী কান্দি ও চরের কান্দি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে নদীর ভিতর তিনটি ড্রেজার চলছে। তখন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয়রা বলেন, ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মাহাবুব আলম প্রতি সপ্তাহে ড্রেজারের কাছে আসেন। ড্রেজার মালিকদের সাথে খোসগল্প করে সাপ্তাহিক পাওয়ানাটা নিয়ে যান। কিন্তু অবৈধ ড্রেজিংয়ের বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন না। এই ড্রেজারের কারণে আমাদের ঘরবাড়ি ভেঙ্গে নদীতে বিলিন যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
ড্রেজার মালিক মোঃ সোহাগ হাওলাদার, আবদুল লতিফ মোড়ল এবং বাবু খা’র সাথে আলাপ কালে তারা বলেন, আমরা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব আলমের সাথে যোগাযোগ করেই ড্রেজার চালাই। তার অনুমতি ছাড়া ড্রেজার চালানো সম্ভব না। প্রতি সপ্তাহে তিনি আমাদের ড্রেজারের কাছে আসেন। তখন তার বখশিসটা দিয়ে দেই।
এ ব্যাপারে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব আলমের কাছে জানতে চাইলে, তিনি কোন কথা বলতে রাজি হননি।

Total View: 268

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter