বৃহস্পতিবার,  ১লা অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  দুপুর ২:৪১

বিভাজন মিটেছে, চলবে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন

এপ্রিল ১০, ২০১৮ , ২৩:৪৯


স্টাফ রিপোর্টার
কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের বিভক্ত হওয়া দুই অংশ আবারও এক হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সমাধান না আসা পর্যন্ত তারা ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

১০ এপ্রিল, মঙ্গলবার বিকেলে বিভেদ ভুলে ‘ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের’ ব্যানারে এই আন্দোলন চলবে। এর আগে আন্দোলন স্থগিতের সিদ্ধান্তে দুটি অংশে ভাগ হয়ে যায় চাকরিপ্রত্যাশী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে।

বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজু ভাস্কর্যের সামনে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট করে কোনো বিবৃতি না আসা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’

এ সময় কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর কুশপুতুলে জুতার মালা পরানো হয় এবং পরে সেটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এর আগে মতিয়া চৌধুরীর দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহার না করলে আবারও অবরোধ করে দেশ অচল করার ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।

৯ এপ্রিল সংসদে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানেরা সুযোগ পাবে না, রাজাকারের বাচ্চারা সুযোগ পাবে? তাদের জন্য মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংকোচিত হবে? পরিষ্কার বলতে চাই, মুক্তিযুদ্ধ চলছে, চলবে। রাজাকারের বাচ্চাদের আমরা দেখে নেব।’

৮ এপ্রিল শাহবাগ মোড়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে অবস্থান নেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনকারীদের হটানোর জন্য রাত ৮টার দিকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে ও লাঠিচার্জ শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এরপর শুরু হয় দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এ ঘটনায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় শাহবাগ-টিএসসি এলাকা। আহত হন অনেকে। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

৯ এপ্রিল, সোমবার বিকেল ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়। সে সময় সেতুমন্ত্রী তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দিলে আগামী ৭ মে পর্যন্ত এ আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেন কেন্দ্রীয় কমিটি।

তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের একাংশ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় দুটি ভাগে ভাগ হয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলন স্থগিতের সিদ্ধান্তে একটি অংশ ফিরে যান, অপর অংশ রাজু ভাস্কর্যের সামনেই থেকে যান। পরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কারণে মঙ্গলবারের কর্মসূচি ঘোষণা করে এই অংশটিও ফিরে যান এবং সকালে আবারও একত্রিত হন তারা।

মঙ্গলবার বেলা ১২টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিন দিনের মধ্যে কোটা ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং এ ব্যাপারে সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

Total View: 945

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter