রবিবার,  ২৫শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ১০ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,  সকাল ৬:২০

বিয়াইনকে অপহরণ কালে বিয়াই আটক

জানুয়ারি ৩০, ২০১৮ , ০০:২৪

মিতালী শিকদার

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় বিয়াইনকে অপহরণ কালে বিয়াইকে আটক করেছে স্থানীয় জনগন।

২৯ জানুয়ারী সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মোল্লাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটক মামুন মাদবর শৌলপাড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের গয়ঘর গ্রামের আব্দুল জলিল মাদবরের ছেলে।
মামুন পেশায় একজন মটরসাইকেল চালক।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মোল্লাকান্দি গ্রামের মোসলেম ঢালীর মেয়ে রুনা আক্তার (১৭) এর সাথে একই ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের গয়ঘর গ্রামের আব্দুল জলিল মাদবরের ছেলে মামুন মাদবর (২৪) এর তিন বছর যাবৎ প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা সম্পর্কে বিয়াই বিয়াইন।
এরই মধ্যে তুচ্ছ কিছু বিষয় নিয়ে মামুন-রুনা’র সাথে মনমালিন্য হয়। এরই প্রেক্ষিতে মামুনের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখে রুনা। এক পর্যায়ে মামুন রুনার প্রতি ক্ষিপ্ত হয় উঠে।

সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রুনা আক্তার কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রাস্তায় গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তখন মামুন মটরসাইকেল নিয়ে রুনা’র সামনে এসে দাঁড়ায়। তখন রুনার বন্ধবীদের সামনে রুনাকে জোর করে মটরসাইকেলে উঠিয়ে অপহরণের চেষ্টা করে। রুনা না যেতে চাইলে তার গালে আট থেকে দশটা চড় মারে মামুন। রুনা চিৎকার করলে স্থানীয় চেয়ারম্যান ইয়াসিন হাওলাদার, মেম্বার হারুন মোল্লা, সায়েদ মোল্যা, রুস্তম ঢালী, প্রাণ কৃষ্ণ দাস, মোতালেব ঢালী, মান্নান ঢালী রুনাকে উদ্ধার করেন এবং মামুন মাদবরকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়।

এদিকে প্রেমিকা রুনা আক্তারের বাবা মোসলেম ঢালী সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাল সাড়ে ৪টার একটি ভ্রাম্যমান আদালত বসান। সেখানে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান প্রেমিক মামুন মাদবরকে ইভটিজিং এর অপরাধে ৬ মাসের কারাদন্ডের আদেশ দেন।

এ ব্যাপারে রুনা আক্তার বলেন, আমি শরীয়তপুর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। সকালে বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার জন্য বাড়ির সড়কে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলাম। তখন মামুন জোর করে মটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে আমাকে। আমি যেতে না চাইলে আমার গালে আট থেকে দশটা চড় মারে মামুন। তখন আমি চিৎকার করি। তখন এলাকার লোকজন এসে আমাকে উদ্ধার করে।

অভিযুক্ত মামুন মাদবর বলেন, তিন বছর যাবৎ রুনার সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক। রুনা আমার বড় ভাইর শালি। কিছুদিন আগে রুনার সাথে আমার মন মালিন্য হয়। রুনা মোবাইল ফোন বন্ধ করে রেখেছে, আমার সাথে কথা বলে না, দেখাও করে না।
তাই আমি আজ দেখা করতে যাই। বলি চল মটর সাইকেল করে কলেজে দিয়ে আসি। না যাইতে চাইলে আমি ওরে থাপ্পর দেই।

শৌলপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইয়াসিন হাওলাদার বলেন, মামুন-রুনা’র সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সকালে রুনাকে মামুন মটরসাইকেল করে শরীয়তপুর নিয়ে যেতে চাইলে আমার গ্রামের লোকজন রুনাকে উদ্ধার করি এবং মামুনকে পুলিশের হেফাজতে দিয়ে দেই।

Total View: 1351

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter