বৃহস্পতিবার,  ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  বিকাল ৪:২৩

বিয়ের দাবীতে ৩দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছেন প্রেমিকা

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৯ , ২৩:৫৫

আবদুল বারেক ভূইয়া
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার ডিএম খালী ইউনিয়নের সরদার কান্দি গ্রামের আবদুর রাজ্জাক সরদারের ছেলে রমজান সরদারকে বিয়ে করার দাবীতে অনশন করছেন সুখী আক্তার নামে এক প্রেমিকা।

২১ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার সকালে প্রেমিকা সুখী আক্তার প্রেমিক রমজান সরদারের বাড়িতে চলে আসেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অনশন চলমান রয়েছে। এদিকে প্রেমিকা সুখী আক্তারের অবস্থান দেখে প্রেমিক বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ভেদরগঞ্জ উপজেলার ডিএম খালী ইউনিয়নের সরদার কান্দি গ্রামের আবদুর রাজ্জাক সরদারের ছেলে রমজান সরদারের নানা বাড়ি হচ্ছে একই উপজেলার আরশী নগর ইউনিয়নের চর মহিষখালী হারুণ বালার কান্দি গ্রামে। সেখানে রমজান সরদার প্রায়ই বেড়াতে যেতেন। নানা বাড়ির পাশেই প্রেমিকা সুখী আক্তারের বাড়ি। সেখানে উভয়ের পরিচয় হয়। পরিচয়ের এক পর্যায়ে তাদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই প্রেমকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রেমিকা সুখী আক্তার প্রেমিক রমজান সরদারের বাড়ি চলে আসেন এবং বিয়ের দাবীতে ২১ ফেব্রুয়ারী থেকে অনশন শুরু করেন। অদ্যবধি অনশন চলমান রয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রেমিকা সুখী আক্তার বলেন, আমার সাথে রমজান সরদারের ৬ মাসের প্রেমের সম্পর্ক। আমি রমজান সরদারকে ভালবাসি। সে আমাকে বিয়ে করবে বলেছে। আমি ওকে ছাড়া বাঁচবো না। তাই আমি ওর কাছে চলে এসেছি। আমি এখান থেকে যাবো না। আজ যদি ওর সাথে আমার বিয়ে দেয়া না হয় তাহলে আমি আত্মহত্যা করবো।

এ ব্যাপারে সুখী আক্তারের বাবা ফিরোজ আলী দেও এর সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন, সুখী নামে আমার একটি মেয়ে ছিল। এখন সে মারা গেছে। তার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। সে কোথায় গেছে আমি জানি না। আর জানতেও চাই না।

রমজান সরদারের বাবা আবদুর রাজ্জাক সরদার বলেন, যেহেতু ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের বিয়ের বয়স হয়নি। তাই আমি বলেছিলাম, সুখী যেন তার বাপের বাড়ি চলে যায়। তিন বছর পর আমার ছেলের সাথে তার বিয়ে দেবো। কিন্তু সে মানে না।

এ ব্যাপারে ডিএম খালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম মাদবরের সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি। সেই মোতাবেক আমি সুখী আক্তারের অভিভাবক এবং রমজান সরদারের অভিভাবকদেরকে আমার কাছে আসতে বলেছিলাম। কিন্তু রমজান সরদারের অভিভাবক আমার কাছে আসলেও সুখী আক্তারের অভিভাবক আমার কাছে আসেনি। তাছাড়া আমার কাছে মনে হয়েছে ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের বিয়ের বয়স হয়নি। আমি সখিপুর থানার ওসি সাহেবের সাথে কথা বলেছি। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন।

Total View: 229

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter