শনিবার,  ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  বিকাল ৫:২৮

ব্যাক্তিগত ভাবে ২ হাজার পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী দিলেন অপু এমপি

মার্চ ৩১, ২০২০ , ১২:৩৭

স্টাফ রিপোর্টার
শরীয়তপুর সদর উপজেলার ২ হাজার পরিবারকে ব্যাক্তিগত ভাবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করলেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা ইকবাল হোসেন অপু এমপি।

৩১ মার্চ মঙ্গলবার সকালে পালং মডেল থানার সামনে থেকে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

শরীয়তপুরে করোনা মহামারী আকার ধারণ করেছে। করোনার বিস্তার রোধ এবং করোনায় যেন কোন লোক আক্রান্ত করতে না পারে সেজন্য গত ২৬ মার্চ থেকে সরকারী ভাবে শরীয়তপুর জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আর এই লকডাউন ঘোষণার কারণে সমস্যায় পরেছেন নিম্ন আয়ের হতোদরিদ্র ভ্যানচালক, রিকশা চালক, অটো রিকশা চালক এবং চা বিক্রেতা সহ দিন মজুর, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ।

“মানুষ মানুষের জন্য’’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঐসকল নিম্ন আয়ের হতোদরিদ্র ভ্যানচালক, রিকশা চালক, অটো রিকশা চালক এবং চা বিক্রেতা সহ দিন মজুর, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা ইকবাল হোসেন অপু এমপি।

তিনি করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করার পূর্ব থেকেই পালং-জাজিরার মানুষদেরকে ব্যাক্তিগত ভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে আসছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ৩১ মার্চ মঙ্গলবার পালং মডেল থানার সামনে থেকে শরীয়তপুর সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভার ২ হাজার পরিবারকে ব্যাক্তিগত উদ্যোগে ত্রাণ সমগ্রী বিতরণ করেছে। যারা ত্রাণ সামগ্রী নিতে আসতে পারেননি, তাদের ত্রাণ সামগ্রী ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মীদের মাধ্যমে তাদের বাড়িতে পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

ত্রাণ সামগ্রী পাওয়ায় ঐসকল নিম্ন আয়ের হতোদরিদ্র ভ্যানচালক, রিকশা চালক, অটো রিকশা চালক এবং চা বিক্রেতা সহ দিন মজুর, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন।

কাগদী গ্রাম থেকে ত্রাণ সমগ্রী নিতে আসা হাকিম মাদবর বলেন, আমি একজন দিন মজুর। প্রতিদিন বদলা দিয়ে খাই। করোনার কারণে শরীয়তপুরকে লকডাউন ঘোষণা করায় আমার কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গেছে। তিন বেলার খাবার যোগাতে পারছিলাম না। এই মুহুর্তে এমপি সাব যদি আমাকে চাল না দিতো তাহলে না খেয়ে মরা ছাড়া কোন উপায় ছিল না। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মরার আগেই তো আমরা না খেয়ে মরে যেতাম।

মাহমুদপুর ইউনিয়নের ভ্যান চালক তোতা বয়াতী বলেন, করোনার কারণে আমার কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গেছে। এখন না খেয়ে মরার অবস্থায় আছি। এমপি সাহেব সাহায্য করায় অনেক উপকার হলো।

আটং গ্রাম থেকে ত্রাণ নিতে আসা দিন মজুর কামাল শেখ বলেন, আমি অসহায় দিন মজুর। করোনার কারণে কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গেছে। আমি দিন আনি দিন খাই। এমপি সাহেব এই বিপদের দিনে সাহয্য করায় মরার হাত থেকে বেঁচে গেছি। তা না হলে না খেয়ে মরতে হতো।

এ ব্যাপারে জননেতা ইকবাল হোসেন অপু এমপি বলেন, করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করার পূর্বে থেকেই আমি পালং-জাজিরার গরীব, দুঃখী, অসহায় মানুষদেরকে আমার ব্যাক্তিগত উদ্যোগে সাহায্য সহযোগিতা করে আসছিলাম। আজও তার ব্যাপ্তয় ঘটেনি। আমি এলাকাবাসীকে বলবো, তারা যেন ধৈর্য্য না হারায়। আমরা সকলে একসাথে করোনার মোকাবেলা করবো। আমি বিগত দিনে আপনাদের পাশে ছিলাম, এখনও আছি, ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ সহায় থাকলে কোন মানুষকে না খেয়ে মরতে দেয়া হবে না।

এ সময় জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ এবং ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Total View: 1071

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter