সোমবার,  ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ২:১১

ভেদরগঞ্জে ‘অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান’ প্রকল্পে শুভঙ্করের ফাঁকি!

জানুয়ারি ১৪, ২০১৮ , ১৯:১২

আবদুল বারেক ভূইয়া

শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার উত্তর তারাবুনিয়া, দক্ষিন তারাবুনিয়া, কাচিকাটা ও চরসেনসাস ইউনিয়নে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে ‘অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান’ কর্মসূচি প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ৪টি ইউনিয়নের ২৯টি প্রকল্পের কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। ভেদরগঞ্জ উপজেলায় ‘অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান’ কর্মসূচি প্রকল্পের কাজ মানেই শুভঙ্করের ফাঁকি। ফলে সরকার যে উদ্দেশ্য নিয়ে এ প্রকল্প হাতে নিয়েছে সে উদ্দেশ্য বিফলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সরকার মুলত গ্রামের অতিদরিদ্র কর্মবিমুখ বেকার যুবকদের কাজে ব্যাস্ত রাখার পাশাপাশি গ্রামের নারীদের ক্ষমতায়নের জন্য ২টি পর্যায়ে ৪০ দিন করে ৮০ দিনের কর্মসংস্থান প্রকল্প চালু করেন। আর সে প্রকল্পের ১ম পর্যায় চলছে ব্যাপক অনিয়ম এবং দুর্নীতি।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কর্তৃক ১ম পর্যায়ে সরবরাহকৃত তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, ভেদরগঞ্জ উপজেলায় ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে রামভদ্রপুর ইউনিয়নে ৭টি, মহিষার ইউনিয়নে ৬টি, ছয়গাঁও ইউনিয়নে ৭টি, নারায়নপুর ইউনিয়নে ২টি, ডি.এম.খালী ইউনিয়নে ৭টি, চরকুমারিয়া ইউনিয়নে ৫টি, সখিপুর ইউনিয়নে ৮টি, উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়নে ৭টি, কাচিকাটা ইউনিয়নে ৯টি, চরভাগা ইউনিয়নে ৭টি, আরশি নগর ইউনিয়নে ৬টি, দক্ষিন তারাবুনিয়া ইউনিয়নে ৬টি এবং চরসেনসাস ইউনিয়নে ৭টি প্রকল্প বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আর এ সকল প্রকল্পে কাজ করার জন্য শ্রমিক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৩ হাজার ৬ শত ৬১ জন। আর এই ৩ হাজার ৬ শত ৬১ জন শ্রমিকের বিপরীতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ কোটি ৯২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা।
ভেদরগঞ্জ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে উত্তর তারাবুনিয়া, দক্ষিণ তারাবুনিয়া, কাচিকাটা এবং চরসেনসাস এই ৪টি ইউনিয়নের ২৯টি প্রকল্পে ১ হাজার ৪ শত ৩৮ জন শ্রমিক কাজ করার জন্য বরাদ্দ দিয়েছেন। যার ৪০ দিনের পারিশ্রমিক হচ্ছে ১ কোটি ১৫ লক্ষ ৪ হাজার টাকা।
সরকারি বিধি মোতাবেক প্রত্যেকটি প্রকল্পে যে পরিমাণ শ্রমিক বরাদ্দ রয়েছে তার এক তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৪ শত ৮০ জন নারী শ্রমিক কাজ করার বিধান থাকলেও কোনো প্রকল্পেই কোনো নারী শ্রমিককে কাজ করতে দেখা যায়নি।
আর যে পরিমাণ পুরুষ শ্রমিক বরাদ্দ রয়েছে তার এক-চতুর্থাংশেরও কম শ্রমিক দিয়ে ঢিলে ঢালা ভাবে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। কোন প্রকল্পেই কোন নাম ফলক বা সাইন বোর্ড লাগানো হয়নি। কিছু প্রকল্পের কাজ ড্রেজার দিয়ে করা হচ্ছে। আর কিছু প্রকল্পের অস্তিত্বই খুজে পাওয়া যায়নি। সেখানে প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে তদারকি করার জন্য ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কোনো প্রতিনিধিকে পাওয়া যায়নি। শুধু তা-ই নয়, ব্যাংকে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রকল্পের নামে যেসব শ্রমিক দেখিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে প্রকৃতপক্ষে সেসব শ্রমিক দিয়ে কাজ না করিয়ে অন্য জেলার শ্রমিক দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। প্রত্যেকটি প্রকল্পের কাজ সরকারি বিধি মোতাবেক সম্পন্ন করার কথা থাকলেও চেয়ারম্যানরা সেই বিধি বিধানের তোয়াক্কা না করে তাদের ইচ্ছেমত মনগড়া নিয়মে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করছেন।
ভেদরগঞ্জের উত্তর তারবুনিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে নদীর পাড় থেকে মোহাম্মদ আলী সরকারের জমি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের জন্য ৪ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা, মোহাম্মদ আলী সরকারের জমি থেকে রশিদ বকাউলের জমি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের জন্য ৪ লক্ষ ৭২ হাজার টাকা এবং রশিদ বকাউলের জমি থেকে বকাউল বাড়ি মসজিদ পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণের জন্য ৪ লক্ষ ৭২ হাজার টাকার প্রকল্প বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ৩টি প্রকল্পই পাশাপাশি থাকায় নদীর পাড় থেকে মোহম্মদ আলী সরকারের জমি পর্যন্ত রাস্তাটির দুই পাশে মাটি দেয়া হয়েছে এবং তার মাঝখানের অংশে ড্রেজার দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে। সরকারী বিধি মোতাবেক “অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান প্রকল্পে” ড্রেজার দিয়ে রাস্তা নির্মাণের কোন সুযোগ নেই। অথচ সেখানে ড্রেজার দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এই প্রকল্পে প্রতিদিন ৫৯ জন শ্রমিকের কাজ করার কথা ছিলো। কিন্তু ড্রেজার দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করার কারণে ৫৯ জন শ্রমিক তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। একই ভাবে মোহম্মদ আলী সরকারের জমি থেকে রশিদ বকাউলের জমি পর্যন্ত রাস্তাটি ড্রেজার দিয়ে ভরাটের জন্য প্রস্তুত করা হলেও রশিদ বকাউলের ক্ষেত থেকে বকাউল বাড়ি মসজিদ পর্যন্ত রাস্তাটির কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে জামালপুর জেলা থেকে মাটি ভরাট কাজ করতে আসা গোলাম মোস্তফা, ইব্রাহিম খান, নাজমুল হোসেন বলেন, আমাদের বাড়ি জামালপুর জেলায়। আমরা এখানে প্রতি দিন সকাল ৭টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ১২ জন লোক কাজ করি। আমাদেরকে জনপ্রতি ৫শত টাকা করে দেয়া হয়। রাস্তার দুই পাশ নির্মিত হলে তারপর ড্রেজার দিয়ে মাটি ভরাটের কাজ করা হবে।
এ বিষয়ে উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শিপন মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়টি চেপে যান। এতো খোঁজ খবর নেয়ার দরকার নেই। চুড়ান্ত বিল পেলে আপনাদেরকে যথাযথ সম্মান করা হবে।
একই ভাবে ভেদরগঞ্জের দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে আলী দর্জির বাড়ি হতে পূর্বদিকে রাস্তা পর্যন্ত নির্মাণের জন্য ৩৬ জন শ্রমিক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আর এই ৩৬ জন শ্রমিকের বিপরীতে রাস্তা নির্মাণের জন্য ২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কিন্তু সেখানে কোন শ্রমিক দিয়ে কাজ না করিয়ে পাশের খাল থেকে ড্রেজার দিয়ে রাস্তাটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের স্থানীয় বাসিন্দা নুরু মিয়া বলেন, এ রাস্তার কাজে কোন শ্রমিক ছিলো না। পুরো রাস্তাই ড্রেজার দিয়ে করা হয়েছে।
এ বিষয়টি দক্ষিন তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার মরন আলী মাঝিকে মুঠোফোনে একাধিক বার কল করে পাওয়া যায়নি।


দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে হানিফ মালের বাড়ি হতে চরসিরিজ প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তা পূণঃ নির্মাণ প্রকল্পে ১২ জন শ্রমিককে রাস্তায় মাটি ভরাটের কাজ করতে দেখা যায়। সরকারি ভাবে এ প্রকল্পে ৪০ জন শ্রমিক বরাদ্দ রয়েছে এবং একজন শ্রমিকের পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ২শ টাকা। কিন্তু তারাবুনিয়ায় ২শ টাকায় শ্রমিক পাওয়া যায় না বিধায় চেয়ারম্যান ৩শ টাকা করে শ্রমিক নিয়েছেন। সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ৪০ জন শ্রমিকের প্রতিদিনের মূল্য আসে ৮ হাজার টাকা। সেক্ষেত্রে প্রতি শ্রমিকের পারিশ্রমিক ৩শ টাকা হলে ৮ হাজার টাকায় শ্রমিক পাওয়া যায় ২৬ জন। দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নূরুউদ্দিন দরজী ১২ জন শ্রমিক দিয়ে প্রকল্পের কাজ দায়সারা ভাবে সম্পন্ন করছেন। এখানে তিনি ১ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা ব্যায় করে ৩ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকার বিলের মধ্যে ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার পায়তারা করেছেন।
কাচিকাটা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে বোরকাঠি মোবারক মৃধার বাড়ি হতে কৃষপুর লতিফ খন্দকারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ ও ত্রানের ব্রীজের এপ্রোচে মাটি ভরাট প্রকল্পে ১২ জন শ্রমিককে রাস্তায় মাটি ভরাটের কাজ করতে দেখা যায়। সরকারি ভাবে এ প্রকল্পে ১০০ জন শ্রমিক বরাদ্দ রয়েছে এবং একজন শ্রমিকের পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ২শ টাকা। কিন্তু কাচিকাটা ইউনিয়নে ২শ টাকায় শ্রমিক পাওয়া যায় না বিধায় চেয়ারম্যান আবুল হাসেম দেওয়ান ৫শ টাকা করে শ্রমিক নিয়েছেন। সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ১০০ জন শ্রমিকের প্রতিদিনের মূল্য আসে ২০ হাজার টাকা। সেক্ষেত্রে প্রতি শ্রমিকের পারিশ্রমিক ৫শ টাকা হলে ২০ হাজার টাকায় শ্রমিক পাওয়া যায় ৪০ জন। কিন্তু কাচিকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম দেওয়ান ১২ জন শ্রমিক দিয়ে প্রকল্পের কাজ দায়সারা ভাবে সম্পন্ন করছেন।
কাচিকাটা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে জামালপুর জেলা থেকে কাজ করতে আসা সামসুদ্দিন হাওলাদার, আবদুল কাদের বেপারী, রহমান ঢালী বলেন, আমাদের বাড়ি জামালপুর জেলায়। আমরা এখানে প্রতি দিন সকাল ৭টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ১২ জন লোক কাজ করি। আমাদেরকে জনপ্রতি ৫শত টাকা করে দেয়া হয়।
একই ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে শিবসেন দুলাল খার বাড়ি হতে আইজল খলিফার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ কাজে ১৬ জন শ্রমিককে রাস্তায় মাটি ভরাটের কাজ করতে দেখা যায়। সরকারি ভাবে এ প্রকল্পে ৯০ জন শ্রমিক বরাদ্দ রয়েছে। এখানে তিনি ৯০ জন শ্রমিকের পরিবর্তে ১৬ জন শ্রমিক দিয়ে প্রকল্পের কাজ দায়সারা ভাবে সম্পন্ন করছেন। আর প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিনের যোগসাজসে তিনি মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে কাচিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হাসেম দেওয়ানের সাথে মুঠো ফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন, আমি বুড়া মানুষ। সবই তো আপনারা বোঝেন। প্রতি বছরই বাইরের লেবার দিয়ে কাজ করাই। তাছাড়া পি.আই.ও অফিসে অনেক খরচ দিতে হয়। প্রতিটি প্রকল্প থেকে ৩০ শতাংশ কেটে নেয় পি.আই.ও মোস্তফা কামাল। তারপর আবার সচিবকে দিতে হয় ৫ শতাংশ। আমি তো আর একলা খাই না। এতো কিছু দেয়ার পর আর বেশী কিছু থাকে না। বিল উঠানো হোক, সচিব আপনাদের সাথে দেখা করবে।
চরসেনসাস ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে ভেড়াচাক্কি আলমগীর শেখের বাড়ি হতে আমির গাজীর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ ও ত্রানের ব্রীজের এপ্রোচে মাটি ভরাট প্রকল্পে ১০ জন শ্রমিককে রাস্তায় মাটি ভরাটের কাজ করতে দেখা যায়। সরকারি ভাবে এ প্রকল্পে ৩৯ জন শ্রমিক বরাদ্দ রয়েছে এবং একজন শ্রমিকের পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ২শ টাকা। কিন্তু চরসেনসাস ইউনিয়নে ২শ টাকায় শ্রমিক পাওয়া যায় না বিধায় চেয়ারম্যান ৩শ টাকা করে শ্রমিক নিয়েছেন। সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ৩৯ জন শ্রমিকের প্রতিদিনের মূল্য আসে ৭ হাজার ৮মত টাকা। সেক্ষেত্রে প্রতি শ্রমিকের পারিশ্রমিক ৩শ টাকা হলে ৭ হাজার ৮মত টাকায় শ্রমিক পাওয়া যায় ২৬ জন। চরসেনসাস ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ১০ জন শ্রমিক দিয়ে প্রকল্পের কাজ দায়সারা ভাবে সম্পন্ন করছেন। এখানে তিনি ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ব্যায় করে ৩ লক্ষ ১২ হাজার টাকার বিলের মধ্যে ১ লক্ষ ৯২ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার পায়তারা করেছেন। আর অন্য প্রকল্প গুলোর চিত্র আরও খারাপ। চরসেনসাস ইউনিয়নে অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান প্রকল্প মানেই ঘাবলা।
এ ব্যাপারে চরসেনসাস ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিতু বেপারীর সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, এখানে ২শত টাকায় লেবার পাওয়া যায় না। তাই ৩ শত টাকা দিয়ে লেবার নিয়েছি। চিন্তার কোন কারণ নেই। বিল তোলার পর সচিব আপনাদের সাথে দেখা করবে।
এ বিষয়ে ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান প্রকল্পে ড্রেজার দিয়ে কাজ করার কোন সুযোগ নেই। বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Total View: 1113

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter