শনিবার,  ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  সন্ধ্যা ৬:৩৪

ভেদরগঞ্জে বিদ্যালয়ের ভবন বুঝিয়ে দেয়ার আগেই ফাটল !

মে ২৭, ২০১৮ , ২৩:০৩

স্টাফ রিপোর্টার
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার মহিষার ইউনিয়নের ১৮নং দক্ষিন মহিষার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবন নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ঠিকাদার নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক এবং স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, বিদ্যালয়টি পরিচালনা কমিটিকে বুঝিয়ে দেয়ার আগেই ভবনটির বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গেছে এবং ফাটল দেখা দিয়েছে। ফলে ঐ ভবনের ভবিষ্যত নিয়ে আশঙ্কায় রয়েছে তারা। এ বিষয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বার বার তাগিদ দেয়া হলেও তা কর্ণপাত করেনি ঠিকাদার। অনেকে বলছেন, ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেনের সঠিক তদারকি না থাকার কারণেই ঠিকাদার নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে ভবন নির্মাণের সুযোগ পেয়েছেন। বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মনিরুজ্জামান এবং অন্যান্যদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, প্রায় ১ বছর আগে ১৮নং দক্ষিন মহিষার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনের কাজ শুরু করেন ভেদরগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি অফিস। ৭৯ লক্ষ টাকা ব্যায়ে এ ভবন নির্মাণের দায়িত্ব নেয় মুজিবুর মোল্যা নামে স্থানীয় এক ঠিকাদার। কাজ শুরু করার পর থেকেই ঠিকাদার সেখানে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার শুরু করেন। ফলে ভবনটি বিদ্যালয় কমিটিকে বুঝিয়ে দেয়ার আগেই বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং মেঝের বিভিন্ন স্থানে আস্তার উঠে বালি বেরিয়ে পড়েছে। পরে বিষয়টি স্থানীদের চোখে পড়লে তড়িঘড়ি করে তা সংস্কার শুরু করে ঠিকাদার। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা লুৎফা খানম লতা বলেন, ভবনটি নির্মাণের শুরু থেকেই খুব নিম্নমানের রড, ইট ও বালি ব্যবহার করা হয়েছে। বার বার বলার পরও ঠিকাদার আমাদের কথা শোনেনি। এখন আমাদেরকে বুঝিয়ে দেয়ার আগেই ভবনের বিভিন্ন স্থানের আস্তর উঠে ফাটল দেখা দিয়েছে। সহকারী শিক্ষক ফারুক মিয়া ও রাজিয়া সুলতানা বলেন, ঠিকাদার রাতের আঁধারে নিজের ইচ্ছা মত কাজ চালিয়ে গেছেন। সিমেন্ট কম দেয়ায় এখন ভবনের বিভিন্ন জায়গায় আস্তর উঠে গেছে। ঠিকাদার এখন তা কোন রকম সংস্কার করা শুরু করেছে। এ বিষয়ে ঠিকাদার মুজিবর মোল্যা বলেন, সব কাজই ঠিক আছে। তবে ফ্লোরে একটু সমস্যা হয়েছে। তা ইঞ্জিনিয়ার ও ইউএনও স্যার এসে নিয়ম অনুযায়ী করতে বলেছেন। আমরা কাজ পুর্ণাঙ্গভাবে বুঝিয়ে দেব। তবে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কিছু লোকজন খুব বাড়াবাড়ি করছে। এ বিষয়ে ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আক্তার হোসেন বলেন, আমাদের লোকজনের অনুপস্থিতিতে ঠিকাদারের লোকজন ভবনটির ফ্লোরের কাজ কিছুটা নিম্নমানের করেছিল। তা পুণরায় করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাব্বির আহমেদ বলেন, ঘটনাটি শুনে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং ত্রুটিপূর্ণ কাজ পুণরায় করার নির্দেশ দিয়েছি।

Total View: 973

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter