বুধবার,  ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৮ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  বিকাল ৩:০৬

মানবিক কাজটিই করলেন জননেতা ইকবাল হোসেন অপু

আগস্ট ২৬, ২০১৯ , ০৭:৪৭

কাজী নজরুল ইসলাম
শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা ইকবাল হোসেন অপু’র সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে ডেঙ্গু আক্রান্ত এক অসহায় হতদরিদ্র পিতার অন্ধ সন্তানের জীবন ভিক্ষা দিয়েছেন মহান আল্লাহ।

জানা যায়, শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের চরযাদবপুর গ্রামের বাসিন্দা হতদরিদ্র আতাউর রহমান মোড়ল। তার চার সন্তানের মধ্যে তিন সন্তানই দৃষ্টি প্রতিবন্ধি। আতাউর ঢাকা শহরের অলি-গলিতে ফেরি করে কলা বিক্রি করেন। তার মেজো ছেলে হেলাল উদ্দিন(১৬) ঢাকার একটি মাদ্রাসায় কোরআনে হাফেজী পড়ে। ইতমধ্যে ২১ পাড়ার হাফেজ হয়েছে হেলাল।

গত ১০ আগষ্ট বাবার সাথে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে দৃষ্টিহীন হেলাল। এসেই আক্রান্ত হয় ডেঙ্গু জ্বরে। ভর্তি করা হয় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে। তিন দিন চিকিৎসার পর অবনতির দিকে যায় হেলালের স্বাস্থ্য। ১৪ আগষ্ট বিকেলের পর রক্তের চাপ এবং রক্তের প্লাটিলেট কমে যেতে থাকে। হাসপাতালের চিকিৎসকরা হেলালের বাবা আতাউর মোড়লকে জানিয়ে দেন দ্রুত আইসিইউ’তে ভর্তি করতে হবে হেলালকে। এ জন্য তাকে ঢাকা নেয়া ব্যতিত গত্যন্তর নেই। বিপাকে পরে যান আতাউর মোড়ল। ঢাকা নিয়ে সন্তানের চিকিৎসা চালানোর সংগতি তার নেই। আল্লাহর উপর ভরসা রেখে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালেই ছেলেকে রাখতে বাধ্য হন তিনি।

রাত দশটা নাগাদ এ সংবাদটি পৌছে যায় পালং-জাজিরার লাখো মানুষের শেষ ভরসার আশ্রয়স্থল, মানবিক নেতা সাংসদ ইকবাল হোসেন অপু’র কাছে। তিনি ছুটে যান হাসপাতালে। সাংসদকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন আতাউর।

চিকিৎসকদদের কাছ থেকে বিস্তারিত অবগত হন ইকবাল হোসেন অপু। কালবিলম্ব না করে তিনি ফোন করেন ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে। স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (মিটফোর্ট হাসপাতাল) এ আইসিইউ কেবিন নিশ্চিত করেন তিনি। রাত ১১টার পর নিজ তত্বাবধানে, নিজের পকেট থেকে প্রয়োজনীয় সব খরচ সহ দৃষ্টিহীন হেলালকে এ্যাম্বেলেন্সে তুলে দিয়ে কাঠালবাড়ি ঘাটে স্পেশাল ফেরী প্রস্তুত রাখেন অপু ভাই। যতক্ষণ গাড়িটি ঢাকা না পৌছে ততক্ষন মুঠোফোনে খোঁজ নিতে থাকেন এম,পি সাহেব। শুধু তাই না, মিটফোর্টের চিকিৎসকদের সাথেও একাধিকবার কথা বলেন তিনি। রাত তিনটের কিছু সময় আগে হেলালকে বহনকারি এ্যাম্বুলেন্সটি পৌছে যায় মিটফোর্ট হাসপাতালে। আইসিইউ রুমে ভর্তি করা হয় হেলালকে। সাথে সাথে শুরু হয় চিকিৎসা। আল্লাহর রহমতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় পরিচর্যায় সপ্তাহ খানেক পরে সুস্থ্য হয় হেলাল। ফিরে আসে বাড়িতে।

এরপর হেলালের বাবা আতাউর মোড়ল তার তিন অন্ধ সন্তানকে নিয়ে দেখা করতে আসেন অপু ভাইর শরীয়তপুর চৌরঙ্গীস্থ কার্যালয়ে। দু’চোখের অশ্রু ঝড়ানো আতাউরের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন আর উচ্ছাসের ভাষা সেদিন আর কেউ না বুঝলেও জনগন বুঝেছে। উপলদ্ধি করেছে, একজন রাজনৈতিক নেতা মানুষের জন্য কতখানি দরদ হৃদয়ে লালন করলে গণমানুষের নেতা-মানবতার নেতা হতে পারেন।

Total View: 445

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter