বুধবার,  ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ১২:১২

মা ইলিশ রক্ষায় নদীতে জাল ফেলেনি শরীয়তপুরের জেলেরা

অক্টোবর ১২, ২০১৯ , ২১:৪৯

স্টাফ রিপোর্টার

শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবার হোসেন অপু’র সার্বিক ব্যবস্থাপনায় জাতীয় সম্পদ মা ইলিশ রক্ষার্থে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির কারণে পদ্মানদীতে জাল ফেলেনি শরীয়তপুরের জেলেরা। অভাবের তাড়নায় জাজিরা উপজেলার দু’একটি জেলে নদীতে জাল ফেললেও তাৎক্ষণিক ভাবে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। গত ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত এই ২২ দিনের জন্য চলছে শরীয়তপুরের পদ্মা নদীতে ইলিশ মাছ নিধনের উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা। সরকারের এই নিষেধাজ্ঞা সফল করতে পূর্বে থেকেই শরীয়তপুরের জাজিরা, নড়িয়া এবং ভেদরগঞ্জ উপজেলার জেলেদেরকে সচেতন করা হয়েছে। এদিকে ৯ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এবং যুবলীগ জাজিরা উপজেলা শাখার নেতাকর্মীরা পদ্মানদীতে রাতদিন পাহারা দিয়ে চলেছেন। যাতে জেলেরা নদীতে জাল ফেলতে না পারে। তারপরও যারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ শিকারে নামবে তাদের বিরুদ্ধেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় মৎস্য বিভাগ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পদ্মা নদীতে বুধবার অভিযানের প্রথম দিনে শরীয়তপুরের কোনো জেলে মাছ আহরণের জন্য তাদের নৌকা পদ্মানদীতে ভাসায়নি। এদিনে অধিকাংশ জেলে তাদের নৌকা গুলো পদ্মা নদীর বিভিন্ন শাখা নদী ও বিভিন্ন খালের মধ্যে নিরাপদ স্থানে রেখে জাল নিয়ে বাড়িতে চলে গেছে। মাছ বৃদ্ধির জন্য অভিযানটি প্রয়োজন স্বীকার করে জেলেরা জানায়, অভিযান তারা মানেন। তবে অভিযানে যে সাহায্য দেয়া হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। তাই সাহায্যের পরিমাণ বাড়িয়ে দ্রুত সহায়তা দেয়ার আবেদন জানিয়েছেন তারা। সহায়তা যথা সময়ে না পেলে সরকারি নিষেধাজ্ঞা ভেঙ্গে মাছ আহরণে নেমে পড়বে তারা। প্রথম দিনের অভিযানে নদীতে কোনো নৌকা-জাল দেখতে না পেয়ে সন্তুষ্ট স্থানীয় জনগন। তারা অভিযান সফল করার দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নড়িয়া পৌরসভার মেয়র শহিদুল ইসলাম বাবু রাড়ী জানান, তারা মাছ ধরা থেকে জেলেদের বিরত থাকার আহবান জানিয়েছেন। জেলেদের পরিবারের জন্য সরকারি সহায়তা পেতে চাহিদা প্রশাসনের কাছে দেয়া হয়েছে। বরাদ্ধ পেলেই তাৎক্ষণিক জেলেদের মাঝে চাল সহায়তা প্রদান করা হবে। শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন, অভিযান সফল করতে জেলেদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির নানা কার্যক্রম পূর্ব থেকেই করা হয়েছে। মাছ ধরা থেকে জেলেরা বিরত থাকবেন এমনটাই আশা তাদের। দুই একদিনের মধ্যে সরকারি ভাবে পরিবার প্রতি ২০ কেজি করে চাল সহায়তা জেলেদের মাঝে বিতরণ করা হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ আহরণ পরিবহন ও বিক্রি করলে তাদের ধরে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। মৎস্য আইনে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ডের বিধান রয়েছে।

Total View: 190

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter