শুক্রবার,  ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১০ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ২:১৫

মেডিকেলের ‘প্রশ্ন ফাঁস চক্রের’ ৫ সদস্য গ্রেফতার

অক্টোবর ৬, ২০১৮ , ২২:০১

স্টাফ রিপোর্টার
মেডিকেল পরীক্ষার ভুয়া প্রশ্নপত্র সরবরাহকারী চক্রের পাঁচ সদস্যসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) একটি দল।

৬ অক্টোবর, শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন র‍্যাব-১০-এর অধিনায়ক ও অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক মো. কাইয়ুমুজ্জামান খান।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন মহিদুল কবির লিমন (২৬), মো. সারোয়ার হোসেন ওরফে বিপ্লব (২৯), মো. সাদ্দাম হোসেন (২৫), মো. মাসুদ (৩০), উজ্জল রবি দাস (২৩), রিফাত সরকার (১৯), ফয়সাল আহমেদ (১৮), মোক্তাকিন ফুয়াদ (১৯), আবু সাইদ (১৮), ঈশা আলম (২১) ও তারেক হাসান (১৯)।

র‌্যাবের ভাষ্য, ওই ১১ জনের মধ্যে ছয়জন প্রশ্নগ্রহীতা বা ক্রেতা রয়েছে। একই সঙ্গে ভুয়া প্রশ্নপত্র কেনার জন্য লেনদেনের ১ কোটি ২৪ লাখ টাকার চেক, ভুয়া প্রশ্নপত্র ও বিভিন্ন ধরনের ডিভাইসও উদ্ধার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে কাইয়ুমুজ্জামান খান বলেন, ‘গোয়েন্দা তথ্যের সূত্র ধরে র‍্যাব-১০-এর কোম্পানি কমান্ডার মহিউদ্দিন ফারুকী প্রথমে জানতে পারেন যে, এবারও মেডিকেল পরীক্ষার ভুয়া প্রশ্নপত্র তৈরি করে তা ফাঁসের চক্রান্ত করছে একটি প্রতারক চক্র। এ জন্য তারা বিভিন্ন পরীক্ষার্থীর অভিভাবকদের কাছে থেকে নগদ ও অগ্রিম টাকাও নিয়েছে। আর এসব ভুয়া প্রশ্নপত্র ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপ, ইমেইল ও ইমোসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছে। এরই জের ধরে গতকাল ৫ অক্টোবর রাত থেকে আজ ৬ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন ভুয়া প্রশ্নপত্র সরবাহকারী ও ছয়জন প্রশ্নপত্র ক্রেতা।’

র‍্যাব-১০-এর সিও বলেন, ‘গ্রেফতার চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন মেডিকেল কোচিং সেন্টারের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তারা পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে যোগাযোগ স্থাপন করে এসব ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র হিসেবে বিক্রির চেষ্টা করেছিল। আর মূল্য হিসেবে বিভিন্ন জনের কাছে থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকার চুক্তি করেছিল। এ জন্য তারা ওই পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের চেক, ভোটার আইডি কার্ড ও পরীক্ষার্থীদের মূল সার্টিফিকেট জমা নিয়েছিল, যাতে পরবর্তীতে সেই সব দেখিয়ে তাদের চাহিদামতো টাকা আদায় করে নিতে পারে।’

‘গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

এই অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া র‍্যাব-১০-এর কোম্পানি কমান্ডার মহিউদ্দিন ফারুকী বলেন, ‘গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে যেসব পরীক্ষার্থী রয়েছেন, তাদের অভিভাবকরা নিজেরাই সন্তানকে মেডিকেলে ভর্তি করাতে এত বিপুল পরিমাণ টাকার চেক দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, নিজেদের সন্তানদের অর্জন করা দুটি পরীক্ষার মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্টও এই চক্রের সদস্যদের হাতে তুলে দিয়েছেন। এদের অনেক অভিভাবক রয়েছেন বিভিন্ন স্তরের সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা।’

Total View: 503

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter