সোমবার,  ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৬ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ১:৪০

‘রমিজ খাঁ বাহিনী’র অত্যাচারে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা

ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯ , ১৫:৪২

স্টাফ রিপোর্টার
শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিকন্দী ইউনিয়নের আবুরা গ্রামের ‘কানা রমিজ খাঁ’র বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন নিরীহ মানুষ ও চিকন্দী বাজারের ব্যবসায়ীরা। ওই বাহিনীর ভয়ে ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। রমিজ খাঁ বাহিনীর অন্যায়, অত্যাচার থেকে রক্ষা পেতে ১৮ জন ব্যবসায়ী শরীয়তপুর পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছেন।
মৃত আবদুল আজিজ খাঁ’র ছেলে রমিজ খাঁ। রমিজ খাঁর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে ২৫ বছর আগে এলাকার মানুষ তার চোখ দুটি উপড়ে ফেলে। সেই থেকে তিনি কানা রমিজ খাঁ নামে পরিচিত। কিন্তু তিনি চোখে না দেখলেও তিন বিয়ে করা রমিজ খাঁ’র সন্তানদের নিয়ে গড়ে তুলেছেন অত্যাচারের এক বিশাল বাহিনী।
বাজারের ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী সূত্র জানায়, শরীয়তপুর সদর থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে চিকন্দী চৌকি আদালত। আদালতটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৭২ সালে। আর ১৯২৬ সালে আদালতের কাছেই গড়ে উঠে চিকন্দী বাজার। ওই বাজারে কোনো দোকান ঘর ও দালান নির্মাণ শুরু করলে কানা রমিজ খাঁ বাহিনীকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে হয়। তা ছাড়া বেশির ভাগ দোকান মালিকদের কাছ থেকে মালপত্র নিয়ে টাকা না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী বাবুল ফকির নিজের গরু বিক্রি করেন রমিজ খাঁর ছেলে মোদাচ্ছের খাঁর কাছে। পাঁচ বছর হয়ে গেলেও গরু বিক্রির ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিষোধ করেননি মোদাচ্ছের খাঁ। টাকা চাইতে গেলে বিভিন্ন ধরণের হুমকি দিচ্ছে।
চিকন্দী বাজারের ব্যবসায়ীদের মারধর করার অভিযোগও রয়েছে কানা রমিজ খাঁ বাহিনীর বিরুদ্ধে। তার ছেলেদের নির্যাতনের শিকার হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। চিকন্দী বাজারের বড় ব্যবসায়ী, ছোট ব্যবসায়ী, চা-পানের দোকানদার, দুধ ওয়ালা, মুচি থেকে শুরু করে ফুটপাতের হকারদের কাছ থেকেও দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা আদায় করে আসছে কানা রমিজ খাঁ’র বাহিনী। চিকন্দী বাজারসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে তারা। প্রতিবাদ করলে বাড়ি ঘরে হামলা, লুটপাট চালায় ওই বাহিনী।
চুন্নু মাতবর, এনামুল, আলমগীরসহ চিকন্দী বাজারের অনেক ব্যবসায়ী বলেন, ব্যবসায়ীরা কানা রমিজ খাঁ বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ। তাদের ভয়ে ব্যবসা করা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা রমিজ খাঁ ও তার বাহিনীর কাছে ৭ লাখ ৫শ ৪০ টাকা পাবেন। কিন্তু তাদের কাছে টাকা চাইলে বিভিন্ন ধরণের হুমকি দেয়া হয়। তাই রমিজ খাঁ বাহিনীর অন্যায়, অত্যাচার থেকে রক্ষা ও পাওনা টাকা আদায় প্রসঙ্গে শরীয়তপুর পুলিশ সুপার বরাবর একটি অভিযোগ করা হয়েছে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে।
তবে, অভিযুক্ত কানা রমিজ খাঁ জানান, তিনি ও তার সন্তানরা চাঁদাবাজি করে না। তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে কিছু খারাপ লোক।
শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার আবদুল মোমেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি, প্রমাণ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Total View: 180

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter