বৃহস্পতিবার,  ২১শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ৭ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ৪:১১

রাসূল (সা.) বলেন, জান্নাতে যাওয়ার উপায় দুটি অভ্যাসে

অক্টোবর ৩১, ২০১৭ , ০০:০৯

সংলাপ ৭১.কম ডেক্সঃ

জান্নাত মুমিন বান্দার একমাত্র চাওয়া-পাওয়া। মুমিন হৃদয়ের জল্পনা-কল্পনা সব জান্নাতকেই ঘিরে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলে দিয়েছেন জান্নাতে যাওয়ার সহজ দুই আমল। যা আমরা সকলেই করতে পারি। তবে শয়তানের ধোকায় পড়ে আমরা বিরত থাকি।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোন মুসলমান ব্যক্তি দুইটি অভ্যাসে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হতে পারলে সে নিশ্চয় জান্নাতে প্রবেশ করবে। জেনে রাখ! উক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো আয়ত্ত করা সহজ। সে অনুসারে অনেক অল্প সংখ্যক ব্যক্তিই তা আমল করে থাকে।
এক : প্রতি ফরজ নামাযের পর দশবার ‘সুবহানাল্লাহ’, দশবার ‘আল্হামদু লিল্লাহ’ ও দশবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে। আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে আমি নামাযের পর স্বীয় হাতে গণনা করতে দেখেছি। তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, পাঁচ ওয়াক্তে মুখের উচ্চারণে একশত পঞ্চাশবার এবং মীযানে (দাঁড়িপাল্লায়) দেড় হাজার হবে।
দুই : আর ঘুমাতে যাওয়ার সময় তুমি ‘সুবহানাল্লাহ’, ‘আল্লাহু আক্বার’ ও ‘আল্হামদু লিল্লাহ’ একশত বার বলবে, ফলে তা মীযানে এক হাজারে রুপান্তর হবে। তোমাদের মাঝে কে এক দিন ও এক রাতে দ্ইু হাজার পাঁচশত গুনাহে লিপ্ত হয়? (অর্থাৎ এতগুলো পাপও ক্ষমাযোগ্য হবে)।
সাহাবীগণ বলেন, কোন ব্যক্তি সব সময় এরুপ একটি ইবাদাত কেন করবে না! রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, তোমাদের কেউ নামাযে অবস্থানরত থাকাকালে তার কাছে শয়তান এসে বলতে থাকে, এটা মনে কর ওটা মনে কর। ফলে সেই নামাযী শয়তানের ধোঁকাবাজির মাঝেই রত থাকা অবস্থায় নামায শেষ করে। আর উক্ত তাসবীহ আমল করার সে সুযোগ পায় না। পুনরায় তোমাদের কেউ শোয়ার জন্য শয্যা গ্রহণ করলে শয়তান তার নিকট এসে তাকে ঘুম পাড়ায় এবং সে তাসবীহ না পাঠ করেই ঘুমিয়ে পড়ে। (জামে তিরমিজি হা : ৩৪১০; সুনানে ইবনে মাজাহ হাঃ ৯২৬)
অন্য হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ১০ বারের স্থলে ৩৩ বারের কথা বলেছেন। কাব ইবনে উজরাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, নামাযের পরে তিলাওয়াত করার মত এমন কিছু বিষয় আছে যে, যার তিলাওয়াতকারী কখনো বঞ্চিত হয় না। প্রতি ওয়াক্তের নামাযের পর ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’, ৩৩ বার ‘আল্হামদু লিল্লাহ’ এবং ৩৪ বার ‘আল্লাহু আক্বার’ পাঠ করবে। ( জামে তিরমিজি হা : ৩৪১২; সহিহ মুসলিম)

 

Total View: 1339

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter