মঙ্গলবার,  ২৪শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ৩:৩৮

শতভাগ ত্বকের খুঁত দুর করতে দারুণ কার্যকরী একটি পদ্ধতি !

অক্টোবর ২৯, ২০১৭ , ০৮:১০

শামীম আরা শিলাঃ

ইদানিং বিশ্বজুড়ে অনেক ধরণের বিউটি ট্রেন্ডই চলছে। চেহারার আদল এবং ত্বক নিখুঁত দেখাতে যেমন কনট্যুরিং এবং হাইলাইটিং বেশ জনপ্রিয়, ঠিক তেমনি শুধুই বিনোদনের জন্য ক্ষণস্থায়ী কিছু ট্রেন্ডও দেখা যায়।
যা আই মেকআপ এবং নেইল আর্ট নিয়ে। আর এ সবের মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে এমন একটি মেকআপ ট্রিক যা খুব কম মানুষই ব্যবহার করেন। অথচ তার ক্ষমতা অসাধারণ ! ‘কালার কারেক্টিং’ নামের এই পদ্ধতিতে চোখের নিচের দাগ থেকে শুরু করে ত্বকের বিভিন্ন দাগ, ত্বকের অবাঞ্ছিত পশমের উপস্থিতি সবই ঢেকে দেয়া সম্ভব।

কালার কারেক্টিং নিয়ে ইংল্যান্ডের বিউটি থেরাপিস্ট এবং মেকআপ আর্টিস্ট শেখ নাজিয়া বলেন, ‘কালার কারেক্টর ব্যবহার করতে হয় ফাউন্ডেশনের আগে এবং ময়েশ্চারাইজারের পরে। আমাদের ত্বকে অনেক দাগ, ব্রণ থাকে যার কারণে ফ্ললেস মেকআপ করা যায় না। ফাউন্ডেশনের আগে কারেক্টর ব্যবহার করলে অনেক ফ্ললেস একটা লুক পাওয়া যায়।’

কালার কারেকশন কী ?

কালার কারেকশন হলো একটি রঙের বিপরীত রং ব্যবহার করে তাকে ঢেকে দেওয়া। যেমন, বেগুনী ধরণের লিপস্টিক দিলে হলদেটে দাঁতকে সাদা দেখায়, ব্যাপারটা তেমনই। একটি রং এক্ষেত্রে অন্য রংটার ওপর এমন প্রভাব ফেলে যাতে তা ত্বকের সাথে মিশে যায়। কালার হুইলে থাকা একটি রংকে ঢাকতে হলে আপনাকে বেছে নিতে হবে এর ঠিক বিপরীত দিকের রংটিকে।

কার ব্যবহার করা দরকার কালার কারেক্টর ?

আপনি যদি শুধুই ফাউন্ডেশন এবং কনসিলার ব্যবহার করে ত্বকের সব খুঁত ঢাকতে পারেন এবং এতেই খুশি থাকেন, তাহলে আর আপনার কালার কারেকশনের দরকার হবে না। কিন্তু অনেক মেকআপ ব্যবহার করেও যদি আপনার ত্বকের দাগ না ঢাকে বা স্কিন টোন অসমান দেখায়, তাহলে আপনার কালার কারেক্টর ব্যবহার করাটা জরুরী।
কালার কারেক্টর করতে গেলে কোন রং দিয়ে কোন খুঁত ঢাকতে হবে?


কম কথায় বলতে গেলে, কমলা রং চোখের নিচের কালি ঢাকতে সাহায্য করে, সবুজ রং ত্বকের লালচেভাব দুর করে, আর ল্যাভেন্ডার/লাইলাক বা বেগুনী রং হলো ত্বকের হলদেটে ভাব ঢাকার জন্য কাজ করে। এখানে দেখুন আরো বিস্তারিত-

ত্বকের লালচেভাব- সবুজ
হালকা লালচেভাব- হলুদ
বাদামী ধরণের ডার্ক সার্কেল- হলুদ বা পিচ
ত্বকের বিবর্ণ বা হলদেটে ভাব (ব্যথা পাওয়ার পর)- ল্যাভেন্ডার বা লাইলাক
ফর্সা ত্বকের ডার্ক সার্কেল- স্যামন পিঙ্ক
হালকা বাদামি ত্বকের ডার্ক সার্কেল- পিচ বা অরেঞ্জ
শ্যামলা ত্বকের ডার্ক সার্কেল- লাল

কী করে ব্যবহার করবেন কালার কারেক্টর ?

হালকা কোনো খুঁত, যেমন চোখের নিচের হালকা কালচেভাব দুর করার জন্য অনেক সময়ে কনসিলারের সাথে একটু কমলা ধরণের কারেক্টর ব্লেন্ড করে নেওয়াই যথেষ্ট হয়। কিন্তু এই দাগ যদি ভারী হয়, তখন কারেক্টর প্রয়োগ করতে হবে বুঝেশুনে। প্রথমে কারেক্টর ব্যবহার করুন ত্বকে।, এর ওপরে কনসিলার দিন, তা দরকার না হলে ফাউন্ডেশন দিতে পারেন আলতো হাতে।

তবে এর ওপরে ফাউন্ডেশন দেবার ক্ষেত্রে সাবধান। শিয়ার কাভারেজ বা হালকা ধরণের ফাউন্ডেশন, বিবি ক্রিম, টিন্টেড ময়েশ্চারাইজার নয়, কালার কারেক্টরের ওপর ব্যবহার করতে হবে একটু ভারী, ঘন ফাউন্ডেশন।

অনেক কালার কারেক্টর প্যালেটে ত্বকের রঙের কাছাকাছি কিছু কনসিলার শেড থাকে যেগুলোকে আপনি নিজের ত্বকের সাথে ম্যাচ করতে পারেন। অথবা আপনি নিজের পছন্দের কনসিলারও ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

কালার কারেক্টর প্যালেট কিনবেন নাকি সিঙ্গেল শেড ?
সবার ত্বক এক রকম হয় না। আপনার ত্বকে যদি সমস্যা একটি বা দুটি হয়, তখন শুধু সেসব সমস্যার জন্য একটি বা দুটি রঙের কালার কারেক্টর স্টিক কিনে নিতে পারেন। কিন্তু আপনার যদি ত্বকে একাধিক সমস্যা থাকে (যেমন ব্রণের দাগ, ডার্ক সার্কেল, অসমান স্কিন টোন), তাহলে আপনার জন্য প্যালেট ব্যবহার করাই উপকারী হবে।

 

 

 

 

 

 

 

Total View: 1331

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter