শনিবার,  ১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  দুপুর ২:৪১

শরীয়তপুরের অধিকাংশ প্রবাসীই মানছে না হোম কোয়ারেন্টাইন

মার্চ ২৩, ২০২০ , ২২:৩৭

স্টাফ রিপোর্টার
স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও শরীয়তপুরের অধিকাংশ প্রবাসীই মানছে না হোম কোয়ারেন্টাইন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যেসব প্রবাসী শরীয়তপুর এসেছেন তাদেরকে হোম কোয়ারেন্টাইন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগ।

এদিকে একজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে আইইডিসিআরে জানানো হলে ওই প্রবাসীর নমুনা সংগ্রহ করেছেন আইইডিসিআর।

শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শনিবার পাঁচটা পর্যন্ত ২২৬ জন প্রবাসী শরীয়তপুরে এসেছেন। যাদের বেশির ভাগ ইতালি প্রবাসী। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে প্রতি ইউনিয়নে তিনজন স্বাস্থ্যকর্মীকে পর্যবেক্ষণ, নতুন প্রবাসী আগমন ও সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে অবহিত করার জন্য নিয়োগ করা হয়েছে। যারা এসেছেন তাদের স্বাস্থ্যগত অবস্থা এখনো ভালো রয়েছে তবে তারা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার একজন প্রবাসীকে সন্দেহ হওয়ায় তার নমুনা আইইডিসিআর সংগ্রহ করে নিয়ে গেছেন। দুই এক দিনের মধ্যে ফলাফল পাওয়া যাবে। সদর হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট খোলা হয়েছে। রয়েছে কোয়ারেন্টাইনও। স্বাস্থ্য বিভাগ দাবী করছে জাজিরা উপজেলায় ৫০ শয্যার কোয়ারেন্টাইন ইউনিট খোলা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তার কোন মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। নড়িয়া উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে আইসোলেশন ইফনিট চালু থাকার কথা বললেও বাস্তবে রয়েছে তার উল্টা। আর সদর উপজেলায় করোনা রোধে যে প্রস্তুতি রয়েছে তা মন্দের ভালো।

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুরের অন্তত দেড় লাখ প্রবাসী রয়েছেন। যার ৭৫ শতাংশই ইতালি প্রবাসী। শনিবার শরীয়তপুর সদর ও নড়িয়া উপজেলার কয়েকটি স্থানে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় অনেক প্রবাসী যারা মার্চ মাসের ৩ তারিখ থেকে ১১ তারিখের মধ্যে এসেছেন। তারা বাড়িতে না থেকে হাটবাজারে ঘুরছেন, চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছেন আর মিশছেন বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়-স্বজনের সাথে।

নিরাপদ দূরত্ব ও নিরাপত্তা বজায় রেখে কথা হয় এদের দুই একজনের সাথে। তারা বলছেন, তারা সুস্থ রয়েছেন। দেশের মাটিতে এসেছেন সুস্থ থাকার জন্য। তাদের সাথে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করা হচ্ছে বলেও জানান তারা।

শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন আব্দুল্লাহ আল মুরাদ জানান মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রতিদিন প্রবাসীদের পর্যবেক্ষণ করছেন, দিচ্ছেন পরামর্শ। অনেক ক্ষেত্রে এসব স্বাস্থ্যকর্মীরা মুখোমুখি হচ্ছেন নানা বিড়ম্বনার। তবে সব ধরনের বাধা অতিক্রম করে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীরা মাঠে থাকবেন।

জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা যেসব প্রবাসীরা মানবেন না প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে” সংক্রমণ রোগ নিরোধ আইন” প্রয়োগ করা হবে। আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার এবং সচেতন হওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন তিনি।

Total View: 161

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter