শনিবার,  ১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  সকাল ৯:১৮

শরীয়তপুরের প্রেসক্লাব ও প্রেস পলিটিক্স নিয়ে কিছু কথা-২

নভেম্বর ২৮, ২০২০ , ১৪:২৭

কাজী নজরুল ইসলাম
শরীয়তপুরের সিনিয়র সাংবাদিক কাজী নজরুল ইসলাম কিছু দিন পূর্বে শরীয়তপুরের প্রেসক্লাব ও প্রেস পলিটিক্স নিয়ে কিছু কথা বলবেন বলে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। সেই স্ট্যাটাসের প্রেক্ষিতে অনেকেই ইতিবাচক মতামত দিয়েছিলেন। আপনাদের ইতিবাচক মতামতের প্রতি সম্মান রেখে কিছু সত্য এবং বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রদানের চেষ্টা করেছেন সাংবাদিক কাজী নজরুল ইসলাম।
আশা রাখছি এবারও আপনারা আপনাদের সুচিন্তিত মতামত জানাবেন। এক দিনেই বা এক পর্বে পুরোটা লেখা সম্ভব হচ্ছে না। তাই একাধিক পর্বের মাধ্যমে পুরোটা জানানোর চেষ্টা করছি। আজ তার দ্বিতীয় পর্ব প্রকাশ করা হচ্ছে।
১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় বারের মত আব্দুর রহিম-মজিবুর মাদবরের নেতৃত্বে প্রেস ক্লাবের কমিটি গঠন করা হয়। এরই মধ্য শরীয়তপুরে আরো কিছু মেধাবী মুখ সাংবাদিকতা পেশায় আত্মপ্রকাশ করেন। তাদের মধ্যে বাবু অনল কুমার দে (দৈনিক ইত্তেফাক), আবুল হোসেন সরদার (দৈনিক মিল্লাত), হাবিবুর রহমান হাবিব (দৈনিক ইনকিলাব), মোস্তাফিজুর রহমান (দৈনিক জনতা), মোবারক হোসেন (নড়িয়ার আকতার ভাই মৃত্যুবরণ করায় তার ছোট ভাই মোবারক দৈনিক সংবাদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন), মোকবুল হোসেন (দৈনিক সংগ্রাম), শহিদুজ্জামান বাদল (আজকের কাগজ), এম.এ ওয়াদুদ মিয়া (দৈনিক জনকন্ঠ), নাসির উদ্দিন (দৈনিক রূপালী), রেজাউল হক মোল্লা (দৈনিক দিনকাল), আবদুল হাকিম খান (দৈনিক আল আমিন) অন্যতম। সংবাদপত্র ও সাংবাদিক যত বাড়তে থাকে শরীয়তপুরে প্রেস পলিটিক্স ততোই জটিল হতে থাকে আর প্রেস ক্লাবের ততোই অধঃপতন হতে থাকে।
আব্দুর রহিম সাহেব ঢাকায় সেটেল্ট হওয়া এবং মজিবর মাদবর সরকারি চাকুরী অতঃপর এনজিও গঠন করার কারনে চুরাশি সাল থেকে টানা ১৬ বছর আর কেউ প্রেস ক্লাব গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল বলে আমার জানা নেই। তবে, ১৯৯১ সালে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে ইত্যবসরে মজিবুর রহমান মাদবর বিটিভি’র জেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির ফলে দীর্ঘকাল পরে আবার সাংবাদিকতায় যুক্ত হন। পাশাপাশি এসডিএস নামে এনজিও-টি এগিয়ে নিতে থাকেন। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষে বিংশ শতাব্দীর শুরুতে এসে সেই মজিবুর মাদবরের উদ্যোগেই আবার প্রেসক্লাব গঠনের নতুন প্রক্রিয়া শুরু হয়।
তখন আমরা অনেকেই সাংবাদিকতায় শরীয়তপুর দাপিয়ে বেড়াতে শুরু করি। আমি ১৯৯৭ সালে দৈনিক ভোরের কাগজে ২০০০ সালে বিটিভি’তে নিয়োগপ্রাপ্ত হই। আবুল বাশার ডেইলি অবজারভার, শহিদুল ইসলাম পাইলট দৈনিক জনতা এবং নিজের সম্পাদিত সাপ্তাহিক কাগজের পাতা, আব্দুল হাকিম খান বাংলার বানী এবং নিজের সম্পাদিত সাপ্তাহিক মুক্তির কন্ঠ, শহিদুজ্জামান খান দৈনিক ইত্তেশাল (সম্ভবত), মাওঃ আনোয়ার হোসেন মনোয়ার, রফিকুল ইসলাম সবুজ, আব্দুস সামাদ (ডামুড্যা) সহ অনেকেই এ্যাক্টিভ সাংবাদিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তবে আসাদুজ্জামান জুয়েল, রায়হান কবীর সোহেল, সত্যজিৎ ঘোষ ও আব্দুস সামাদ তালুকদার একই সময়ে এই পেশায় বলিষ্ঠতার সাথে সম্পৃক্ত হয়েছিলেন।
যাহোক ২০০০ সালের ৫ মে হঠাৎ শুনতে পাই শরীয়তপুর ডাক বাংলো ভবনে বসে প্রেসক্লাবের কমিটি করা হচ্ছে। কিন্তু উপরে উল্লেখিত আমাদের তরুন সাংবাদিকদের কিছুই জানানো হয়নি। সেদিন অনল কুমার দে (ইত্তেফাক) সভাপতি এবং মজিবুর রহমান মাদবরকে (সাপ্তাহিক শরীয়তপুর এবং বিটিভি) সাধারণ সম্পাদক করে ১১ সদস্যের কমিটি গঠন করেন। সেখানে আমাকে এবং আব্দুল হাকিম খানকে কনিষ্টতম সদস্য করা হয়। গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন না করায় আমরা রিভোল্ট করি। অনিয়মতান্ত্রিক কমিটি থেকে বেড়িয়ে আসি। আমি এবং হাকিম খান তাৎক্ষনিক ঘোষনা দেই পাল্টা কমিটি গঠনের। ব্যাপক সাড়া পেয়ে যাই।
নড়িয়ার মোবারক ভাই, সামাদ স্যার, আবুল বাশার, পাইলট, সত্যজিৎ, শহিদুজ্জামান, মাওঃ আনোয়ার, হাকিম এবং আমি সহ আরো কয়েকজন তখনকার জেলা শহরের সবচেয়ে আধুনিক রেস্তোরাঁ মিষ্টি মেলায় বসে প্রাথমিক আলোচনায় মোবারক ভাইর প্রস্তাবে সামাদ স্যারের সমর্থনে “শরীয়তপুর জেলা প্রেসক্লাব” নামকরণ করে আমাকে সভাপতি ও আব্দুল হাকিম খানকে সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষনা করা হয়। ১২ মে তারিখে আমরা ১৫ সদস্য বিশিষ্ট শরীয়তপুর জেলা প্রেসক্লাবের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করি। শরীয়তপুরের রাজনীতি এবং প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
চলবে….

Total View: 72

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter