সোমবার,  ২৬শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১০ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ১:৪৯

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা

ডিসেম্বর ১৬, ২০১৭ , ২১:৩৭

আবদুল বারেক ভূইয়া

ভেদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে তার পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, ঐ সাংবাদিকের সাথে তিনি ঔধত্যপূর্ণ আচোরণ করেছেন। যা প্রচলিত আইনের পরিপন্থি।

আর এ অভিযোগটি করেছেন দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি শাহাদাৎ হোসেন হিরো।

১৬ ডিসেম্বর শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম শরীয়তপুর জেলা শাখার সভাপতি’র বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। এদিকে ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাব্বির আহমেদ বলেছেন তিনি ব্যাপারটি দেখবেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সারা দেশের ন্যায় ভেদরগঞ্জ উপজেলার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান চলছিল। তখন দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি শাহাদাৎ হোসেন হিরো তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সেখানে যান এবং সেখানকার কিছু ছবি তোলেন। তখন ভেদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাখাওয়াত হোসেন তাকে বাঁধা প্রদান করেন। শাহাদাৎ হোসেন হিরো কৃষি কর্মকর্তা শাখাওয়াত হোসেনকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তার পরিচয় পত্র উপাস্থাপন করা হলেও তাকে চ্যালেঞ্জ করেন। শুধু তাই নয়, সাংবাদিক শাহাদাৎ হোসেন হিরো’র সাথে ঔধত্যপূর্ণ আচোরণ করেন।

এ ব্যাপারে দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার ভেদরগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি শাহাদাৎ হোসেন হিরো’র সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, শনিবার মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ভেদরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে যাই। অনুষ্ঠান চলাকালিন কয়েকটি ছবি তুলতে গেলে ভেদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাখাওয়াত হোসেন আমার পেশাগত কাজে বাঁধা দেয়। আমার পরিচয় পত্র দেখানোর পরেও আমার সাথে খারাপ আচোরণ করে। যা আমি মনে প্রাণে মেনে নিতে পারিনি। আমি এর বিচার চাই।

এ ব্যাপারে ভেদরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাখাওয়াত হোসেনের সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন, আমি ভেদরগঞ্জে ৫ বছর যাবৎ আছি। কিন্তু এখানকার কোন সাংবাদিককে আমি চিনি না। আমার সন্দেহ হয়েছিল শাহাদাৎ হোসেন হিরো সাংবাদিক কি না ? তাই আমি ওর পরিচয় পত্র দেখতে চেয়েছিলাম। আমি তার সাথে খারাপ আচোরণ করিনি।

এ ব্যাপারে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ রিফাতুল হোসাইন এর সাথে মুঠোফোনে আলাপ করতে চাইলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাব্বির আহমেদ’র সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, সাংবাদিক শাহাদাৎ হোসেন হিরোকে আমি চিনি। সে অনেক ভদ্র। খুব বেশী প্রয়োজন না হলে সে আমার কাছে আসে না। সাংবাদিকরা আমাদের প্রত্যেকটি কাজে সহযোগিতা করে। কৃষি অফিসার ওর সাথে খারাপ আচোরণ করবে কেন ? ৫ বছর যাবৎ ভেদরগঞ্জে থাকা সত্ত্বেও সাংবাদিকদের চিনবে না, এটা হয় না। রাতে তার সাথে আমার দেখা হবে। আমি বিষয়টি দেখবো।

Total View: 1563

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter