বৃহস্পতিবার,  ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৯ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  দুপুর ১:৪০

শরীয়তপুরের সাংসদ মোজাম্মেল হকের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন

জানুয়ারি ২৫, ২০১৮ , ০৯:১৫

স্টাফ রিপোর্টার

শরীয়তপুরের জাজিরায় মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আলী হোসেন খান নামে এক মুক্তিযোদ্ধাকে অশ্লীল ভাষায় বকাঝকা এবং তাকে হুমকি দেয়ার প্রতিবাদে মুক্তিযোদ্ধা-জনতা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন।

২৪ জানুয়ারী বুধবার দুপুরে জাজিরা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

জানা যায়, অতি সম্প্রতি শরীয়তপুরের জাজিরায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আলী হোসেন খান নামে এক মুক্তিযোদ্ধাকে শরীয়তপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বি.এম মোজাম্মেল হক অশ্লিল ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজ করেন। এক পর্যায় তিনি ওই মুক্তিযোদ্ধাকে তিনি দেখে নেয়ার হুমকি প্রদান করেন।

তারই প্রতিবাদে ২৪ জানুয়ারী বুধবার এম.পি’র নিজ এলাকা জাজিরা উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে সকাল সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত ঘন্টা ব্যাপী শরীয়তপুরের মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ও মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের আয়োজনে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান করেন।

এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল জলিল হাওলাদার, যুদ্ধকালিম কমান্ডার আব্দুর রহমান খান, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব মুন্সীর নেতৃত্বে সহশ্রাধিক লোক কর্মসূচীতে অংশ নেয়। মানববন্ধনে বক্তারা শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্যের পদত্যাগসহ দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করেন। পরে তারা বিক্ষোভ করে জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহেলা রহমাতুল্লাহ এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

এর আগে গত ১৮ জানুয়ারী শরীয়তপুর জেলা সদরে এবং ২২ জানুয়ারি ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে একই দাবিতে বিক্ষোভ-মানববন্ধন করেন হাজার হাজার জনতা। এছাড়া দেশের অন্যান্য স্থানে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ড অনুরূপ কর্মসূচি পালন করে আসছে।

উল্লেখ্য, অতি সম্প্রতি জাজিরা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতেই রজনীগন্ধা ফুলের ষ্টিক দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধিত করেন মোজাম্মেল হক। এক পর্যায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন খানের কাছে ফুলের স্টিক নিয়ে গেলে তিনি সাংসদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “ আপনি রাজাকার লালন করেন, আপনি রাজাকারের সন্তানকে মূলনা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন দিয়েছেন, আমি আপনার হাত থেকে এই ফুল নিতে পারি না”।

মুখের উপর এমন কথা বলায় তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠেন এম.পি মোজাম্মেল হক। তিনি মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেনকে উত্তেজিত হয়ে বলেন, “আপনি বাজে কথা বলবেন না, ফালতু কথা বলেন কেন ? আপনি কি সার্টিফিকেট দেন নাকি মুক্তিযোদ্ধাদের ? আপনার থেকে আমার বয়সটা কি কম নাকি ? রাখেন। ফালতু কথা বলেন কেন ?, আর কোন দিন বলবেন না।  বেয়াদ্দপ, খবরদার আর কোনদিন বলবেন না। তাইলে খুব-খুব ক্ষতি হয়ে যাবে আপনার। বালের মুক্তিযোদ্ধা হইছো তুমি। বেয়াদ্দপ, আর একদিন যদি শুনি একটা বাজে কথা, তাইলে কিন্তু খবর আছে। আমি তোমার সম্পর্কে জানি। তুমি খুব আজে বাজে কথা বলো, খবরদার আর একদিন কিছু শুনি যদি…” ইত্যাদি। মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধিত করার সময়ে এভাবে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে ভৎসনা করায় হতবিহবল হয়ে পরেন শত শত মুক্তিযোদ্ধারা।

Total View: 1248

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter