শনিবার,  ১৬ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ২রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  সকাল ৯:২২

শরীয়তপুরে আওয়ালীগের সাংগঠনিক কর্মকান্ড স্থবির

মে ১৩, ২০১৮ , ২১:৫৫

এস.এম শফিকুল ইসলাম স্বপন
অতি সম্প্রতি শরীয়তপুর জেলা আওয়ামীলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। সেই কমিটিতে জেলার কিছু প্রবীণ রাজনীতিবিদদের না রাখায় জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এ সকল রাজনীতিবিদরা এখন ঘরমুখী হয়ে পড়েছে। এদিকে জেলা আওয়ামীলীগ দীর্ঘদিন যাবৎ দুইটি দলে বিভক্ত হয়ে আছে। এদের মধ্যে একটি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং শরীয়তপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য বি.এম মোজাম্মেল হক। অপরটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশে আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন অপু। জেলা কমিটি ঘোষনার আগে এ দু’টি দলই আলাদা আলাদা ভাবে তাদের সাংগঠনিক কর্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু কমিটি ঘোষনার পর দল নতুন করে চাঙ্গা হওয়ার পরিবর্তে দলটির সাংগনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এর কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা গেছে, সাবেক সংসদ সদস্য এবং জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাষ্টার মজিবুর রহমান, জাজিরা উপজেলা চেয়ারম্যান মোবারেক আলী সিকদার, সাবেক জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি এবং শরীয়তপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র নূর মোহাম্মদ কোতোয়াল এবং সাবেক জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং শরীয়তপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুর রব মুন্সির মতো প্রবীণ রাজনীতিবিদ এই নতুন কমিটিতে জায়গা হয়নি। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে যে সকল লোক রয়েছেন তাদের বেশীর ভাগ লোকই ঢাকায় অবস্থান করছেন। পাশাপাশি জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেদুর রহমান খোকা সিকদার বেশীর ভাগ সময়েই ব্যবসায়ীক কাজে ঢাকায় অবস্থান করেন। যার কারণে সাংগঠনিক কর্মকান্ডে তাকে খুব একটা পাওয়া যায় না। এদিকে সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে শারীরিক ভাবে অসুস্থ্য। তিনি চিকিৎসার জন্য দীর্ঘদিন যাবৎ কলকাতা অবস্থান করছেন। যার কারণে কমিটির অন্যান্য সদস্যরাও চুপ হয়ে আছেন। বিধায় জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক কর্মকান্ড ঝিমিয়ে পড়েছে। তাদের এ ঝিমিয়ে পড়ার কারণে গত ২৬ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষনটি বাজানো হয়নি। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২৬ মার্চ উপলক্ষ্যে সকালে সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন হাওলাদার তার ক্লিনিকস্থ ব্যাক্তিগত অফিসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষনটি বাজান এবং বিকেলে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক তাইজুল সরকার তার বাসা থেকে ঐতিহাসিক ভাষনটি বাজানো হয়। এ ছাড়া সদর উপজেলার কোথাও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষনটি বাজানো হয়নি। অপ্রিয় হলেও সত্য যে, ২৬ মার্চকে উপলক্ষ্য করে জেলা আওয়ামীলীগের অফিসেও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষনটি বাজানো হয়নি। যার কারণে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মনে বিভিন্ন ধরণের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তারা এখন দ্বিধায় পড়ে গেছেন। এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদারের সাথে কথা বলার জন্য বেশ কয়েক বার তার মুঠো ফোনে কল দেয়া হয়। তিনি ব্যবসায়িক কাজে এতোটাই ব্যাস্ত ছিলেন যে, এক বারের জন্য কলটি রিসিভ করার প্রয়োজন বোধ করেননি। পরবর্তীতে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, সরকারী ভাবে তো ২ শে মার্চ উদযাপন করা হচ্ছে। আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ্য। এ ব্যাপারে আর কিছু বলতে পারবো না।

Total View: 1376

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter