শুক্রবার,  ২৩শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ১০ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,  দুপুর ১:৫৪

শরীয়তপুরে ট্রাফিক আইন শুধু মোটর সাইকেলের জন্য !

এপ্রিল ৪, ২০১৯ , ১৬:৫৪

স্টাফ রিপোর্টার
শরীয়তপুরে নসিমন, করিমন, মাহেন্দ্র, ট্রলি এবং ট্রাক্টোরসহ ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সার দৌরাত্ম্য বেড়েই চলেছে। তাদের দৌরাত্ম্যের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। আর এ দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশ প্রশাসন কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করছে না।

ট্রাফিক পুলিশ এখন মোটর সাইকেল নিয়ে ব্যাস্ত সময় পার করছেন। তাদের সমস্ত আইন যেন মোটর সাইকেলের জন্য। অথচ জেলার প্রতিটি উপজেলায় প্রতিনিয়ত নিয়মনীতি ভঙ্গ করে চলছে নসিমন, করিমন, মাহেন্দ্র, ট্রলি, ট্রাক্টোরসহ ব্যাটারী চালিত অটো রিকশার মতো বিভিন্ন ধরণের যানবাহন। সেদিকে বিন্দু মাত্র খেয়াল নেই ট্রাফিক পুলিশের। তাদের দ্বিধাহীন চলাচলের কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে মারাত্মক দুর্ঘটনা।

এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সড়ক দুর্ঘটনা জনিত কারণে যে সকল রোগী শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন তাদের বেশীর ভাগ রোগী নসিমন, করিমন, মাহেন্দ্র, ট্রলি বা ট্রাক্টোর দিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে মটরসাইকেল দিয়ে যে আক্রান্ত হচ্ছেন না তা ঠিক নয়। তবে নসিমন, করিমন, মাহেন্দ্র, ট্রলি বা ট্রাক্টোরের তুলনায় অনেক কম।

এদিকে ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা চলাচলে সরকারী কোনো অনুমোদন না থাকলেও ট্রাফিক পুলিশের তালিকায় থাকা হাজার হাজার অটোবাইক পুলিশকে মাসোহারা দিয়েই চলছে নিয়ম নীতিহীন ভাবে। তাদের বেপরোয়া চলাচলের কারণে দুর্ঘটনার সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। হচ্ছে প্রাণহানি। ভাঙ্গছে অনেক পরিবারের মধুর স্বপ্ন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে একাধিক সার্জেন্ট ও পুলিশ কনস্টেবল তাদের কার্যদিবস পার করছেন মোটর সাইকেলের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই এবং ট্রাক থেকে টোকেন মানি আদায়ের জন্য। কিন্তু তাদের সামনে দিয়ে অবৈধ নসিমন, করিমন, মাহেন্দ্র, ট্রলি এবং ট্রাক্টোরের মতো ভারী যানবাহন বুক টান করে চলে গেলেও তাদের দিকে ফিরে তাকাচ্ছেন না। মোটর সাইকেল আটক এবং তার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করার নামে সাধারণ জনগনকে হয়রানী করছেন তারা। আর এমন দৃশ্য প্রতিদিন প্রত্যক্ষ করছেন জেলাবাসী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শরীয়তপুরে চলমান বেশিরভাগ নসিমন, করিমন, মাহেন্দ্র, ট্রলি এবং ট্রাক্টরের বৈধ কাগজপত্র না থাকার পাশাপাশি চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। তারপরেও তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়নের এসকেন্দার মৃধা এবং আবদুল আজিজ ঢালী বলেন, অবৈধ নসিমন, করিমন, ইজিবাইক ট্রলিসহ লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চলাচলের কারণে রাস্তায় প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। ট্রাফিক পুলিশ এসব নিয়ন্ত্রণ করছে না। তারা অকারণে মোটরসাইকেল ধরে মামলা দিচ্ছে।

শরীয়তপুর পুলিশ বক্সে অবস্থানরত ট্রাফিক সার্জেন্ট মেহেদী হাসান বলেন, সড়কের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে মোটর সাইকেলের কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পাশাপাশি অবৈধ যানবাহন গুলোকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। এটা আমাদের রুটিন ওয়ার্ক।

শরীয়তপুর ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মোঃ বজলুর রহমান বলেন, গত মার্চ মাসে নসিমন থেকে ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা, অটোবাইক থেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। শুধু মোটর সাইকেল নয়, রাস্তায় সব ধরণের যানবাহনে আইন প্রয়োগ করা হয়। আইন সবার ক্ষেত্রেই সমান।

Total View: 849

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter