রবিবার,  ২৪শে জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ১০ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ৮:৪৮

শরীয়তপুরে শুস্ক মৌসুমে আবার পদ্মায় ভাঙ্গন

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০১৮ , ২০:৫৭

ইলিয়াছ মাহমুদ
শুষ্ক মৌসুমে শরীয়তপুরের নড়িয়ার উপজেলার সুরেশ্বর রক্ষাবাঁধ আবার ভাঙ্গতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৩শ’ মিটার ভেঙ্গে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, স্কুল-কলেজ এবং মসজিদ-মাদরাসা সহ সুরেশ্বর দরবার শরীফ।

স্থানীয়রা জানায়, ১৭ ফেব্রুয়ারী শনিবার পদ্মা নদীর ডান তীরে সুরেশ্বর দরবার শরীফ রক্ষাবাঁধের পূর্ব পাশে বিশাল এলাকা জুড়ে ধসে যায়। গত চার দিনে পদ্মা নদীর তীরবর্তী রক্ষাবাঁধের ৩শ’ মিটার এবং বাঁধ সংলগ্ন ২শ’ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

বাঁধের বিশাল একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে সুরেশ্বর গ্রাম, সুরেশ্বর কলেজ, সুরেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়, মধ্য সুরেশ্বর জামে মসজিদ ও সুরেশ্বর বাজার। এছাড়াও গত বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকজনের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলে পদ্মাপাড়ের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সরকারের কাছে দ্রুত সময়ের মধ্যে ধসে যাওয়া বাঁধ মেরামতের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

প্রসঙ্গত গত দুই বছরে পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে শরীয়তপুরের নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার প্রায় ৭ হাজার পরিবার গৃহহীন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুযায়ী বর্তমানে ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে ৮ হাজার বসত বাড়ি, ১৮৫ কিলোমিটার সড়ক, ১ কিলোমিটার সুরেশ্বর রক্ষা বাধ, ২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৫৫ মসজিদ মাদরাসা সহ প্রায় ৩ হাজার ৪২৫ কোটি টাকার সম্পদ। এ ক্ষতি এড়াতে জাজিরা-নড়িয়া পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প ২ জানুয়ারি অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। ১ হাজার ৯৭ কোটি টাকার এ প্রকল্পের আওতায় ৯ কিলোমিটার এলাকায় বাঁধ ও চর ড্রেজিং করা হবে। কিন্তু শুষ্ক মৌসুমে এ প্রকল্পের কোন দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে দুই উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। শুস্ক মৌসুমে বাঁধ নির্মাণ করা না গেলে আগামী বর্ষায় নড়িয়া উপজেলা সদর বিলিন হওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, গত শনিবার সুরেশ্বর রক্ষা বাঁধের পার্শ্ববর্তী ২শ মিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যায়। হঠাৎ ধ্বসে পরার বিষয়টি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আমরা জরুরি ভিত্তিতে রাজস্ব খাত থেকে ধসে যাওয়া বাঁধ মেরামত করার চেষ্টা করছি। একনেকে অনুমোদিত প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে প্রকল্পের প্রশাসনিক আদেশ জারী হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা চ্যালেঞ্জিং। আমরা কাজ চলমান রেখে নদী ভাঙ্গন রোধ করার চেষ্টা করবো।

Total View: 1206

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter