শুক্রবার,  ৭ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ২৪শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,  রাত ২:০৯

শরীয়তপুরে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হয়েছেন রনজিৎ কুমার দাস

ডিসেম্বর ১৫, ২০১৯ , ১৬:১১

রূপক চক্রবর্তী
শরীয়তপুর জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক মনোনীত হয়েছেন ৫৭নং ধানুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনজিৎ কুমার দাস। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতা আবুল কালাম আজাদের স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে রনজিৎ কুমার দাস জানতে পারেন যে, তাকে জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক মনোনীত করা হয়েছেন। ইতিপূর্বে তিনি শরীয়তপুর সদর উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক মনোনীত হয়েছিলেন।
রনজিৎ কুমার দাস ব্যাক্তিগত জীবনে একজন সাদামাটা মানুষ। তিনি ১৯৭১ সালে ২১শে নভেম্বর শরীয়তপুর সদর উপজেলার ধানুকা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম কালিপদ দাস এবং মাতার নাম খেলা রানী দাস। তিনি ঐতিহ্যবাহী পালং তুলাসার গুরুদাস সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হতে মাধ্যমিক এবং শরীয়তপুর সরকারি কলেজ হতে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। এরপর তিনি ঢাকায় অবস্থিত ঢাকা মেট্রোপলিটন টিচার্স ট্রেনিং কলেজ হতে অত্যন্ত সুনামের সহিত বি এড ডিগ্রী অর্জন করেন।
রনজিৎ কুমার দাস ২০০৩ সালের ১৭ আগস্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। চাকরির শুরুতে তিনি নড়িয়া উপজেলার চর নড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। এরপর তিনি পশ্চিম চররোসুন্দী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলী হয়ে আসেন। পূর্ববর্তী দুটি বিদ্যালয়ে অত্যন্ত সুনামের সহিত দায়িত্ব পালনের পরে ২০১৬ সালের ৩১ মার্চ ৫৭নং ধানুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন।
ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। তার স্ত্রী শিখা রানী দাসও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। তিনি ৬৯নং চরসোনামুখী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা।
এ ব্যাপারে রনজিৎ কুমার দাস বলেন, আমাকে শরীয়তপুর জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক মনোনীত করায় প্রশাসনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি সদা সর্বদা চেষ্টা করি যাতে ৫৭নং ধানুকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শরীয়তপুর জেলার মধ্যে অন্যতম আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠুক। বর্তমানে এ স্কুলে শিশু শ্রেণী হতে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ৭শ জন শিক্ষার্থী রয়েছে এবং শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছে ১৪ জন।
আমাদের বিদ্যালয়ে প্রতি বছর ৫ম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষায় ২০ থেকে ২৫টি জিপিএ-৫ পায়। ট্যালেন্টফুল এবং সাধারণ মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পায়। এ সফলতার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে প্রতিনিয়ত শ্রেণীর পাঠদান কার্যক্রমে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ এবং প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অত্যন্ত গুরুত্বের সহিত পাঠদান করা।
তিনি আরো বলেন, ইতিপূর্বে বিদ্যালয়ের মূল ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আমরা শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে খুবই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি। এরপরে সরকারি কিছু অনুদান, আমার নিজের অর্থায়ন, সহকারি শিক্ষকদের এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে ১০টি শ্রেণীকক্ষ তৈরি করে শ্রেণীর পাঠদান কার্যক্রম চলমান রাখি। বিদ্যালয়ের মূল ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারণে যখন পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। তখনও একদিনের জন্য ও শ্রেণীর পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রাখিনি।

Total View: 332

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter