শুক্রবার,  ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১০ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  সকাল ৯:৩২

শরীয়তপুরে ৯০ বছর মেয়াদের ছাদ ২৮ বছরেই ভেঙ্গে পড়ল !

আগস্ট ৮, ২০১৯ , ১৩:৪১

জান্নাতুল শাহানাজ
শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলা পরিষদের অফিস কক্ষের ছাদ ধসে পড়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা পরিষদের অফিস কক্ষের ছাদের মূল অংশ ভেঙ্গে পড়ে। রাতে ঘটনাটি ঘটায় হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি।

ভবনের ছাদ ভেঙ্গে পড়ায় বুধবার থেকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মো. আবুল খায়ের ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম অফিস সংলগ্ন গাড়ির গ্যারেজে বসে অফিস করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের ছাদের মূল অংশ ভেঙ্গে পড়ে আসবাবপত্রের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভবনের বেশ কিছু স্থানে ফাটল ধরেছে। সীমানা ঘেঁষে চলছে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের পাইলিংয়ের নির্মাণকাজ। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একটি ভবনের মেয়াদকাল প্রায় ৯০ বছর। কিন্তু মাত্র ২৮ বছরের মাথায় ভেঙ্গে পড়ল ছাদের মূল অংশ। সেই সঙ্গে প্রায় ১০ ফুট জায়গার রড সম্পূর্ণ বের হয়ে গেছে।

উপজেলা পরিষদ অফিস সূত্র জানায়, ১৯৯০-৯১ অর্থবছরে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানদের জন্য বাসবভবন নির্মাণ করেন ঠিকাদার সরদার মনিরুজ্জামান। ওই সময় সাড়ে সাত লাখ টাকা ব্যয়ে ভবনটি নির্মিত হয়। পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত হলে ভবনটি দীর্ঘদিন জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদ চালু করলে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বাসভবন অফিস করা হয়। সেখানে অফিস করেন তৎকালীন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বর্তমান চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান। তখনই তিনি ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।

উপজেলা পরিষদের কনফিডেনশিয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট সুবল বিশ্বাস বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ ছাদের মূল অংশ ভেঙ্গে পড়ে অফিসের টেবিল-চেয়ার ভেঙ্গে যায়। জীবন বাঁচাতে আমরা আতঙ্কিত হয়ে কক্ষ থেকে বের হয়ে যাই। ওই সময় উপজেলা চেয়ারম্যান অফিসেই ছিলেন।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান বলেন, ব্যবহার অনুপযোগী একটি ভবনে অফিস করেছিলাম। হঠাৎ ভেঙ্গে পড়ে সেটি। ফলে অফিস করছি গাড়ির গ্যারেজে বসে। আমাদের দাপ্তরিক কাজ সম্পাদনের জন্য কমপক্ষে একটি টয়লেটসহ পাঁচটি কক্ষের প্রয়োজন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. মতিউর রহমান বলেন, বর্তমানে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের কাজ চলছে। চেয়ারম্যানের কক্ষের ছাদের মূল অংশ ভেঙ্গে পড়ার খবর শুনে উপজেলা প্রকৌশলীকে দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দিয়েছি।

Total View: 231

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter