বৃহস্পতিবার,  ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৯ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  দুপুর ১:০৬

শরীয়তপুর জেলার ইজতেমা শুরু হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি

ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৮ , ২৩:৫৬

আবদুল বারেক ভূইয়া

শরীয়তপুর আঞ্চলিক ইজতেমার অংশ হিসেবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার থেকে শরীয়তপুরে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা শুরু হবে।

১৭ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে এ ইজতেমা শেষ হবে। সেই উপলক্ষে আংগারিয়া বাইপাস সড়কের দক্ষিণ পাশের পরসুদ্দি এলাকায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং তার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। ইজতেমায় আগত মুসল্লিদের অবস্থানের জন্য প্রায় ১৭ একর জায়গা জুড়ে অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে।

১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই প্যান্ডলসহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন ইজতেমা আয়োজক কমিটি। তারা জানান, গত বছরের ইজতেমার বিষয়টি মাথায় রেখে এবার দ্বিগুণেরও বেশি জায়গা জুড়ে প্রস্তুতি চলছে। মুসল্লিদের থাকার জন্য যে অবকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে তাতে ৫০ হাজার মুসল্লি থাকতে পারবে। এ ছাড়া এবারের ব্যবস্থাপনায় প্রায় ২ লাখ মুসল্লি একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করতে পারবে। মূলত এটা জেলা ইজতেমা হলেও শরীয়তপুর, মাদারীপুর এবং চাঁদপুরসহ পাশ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে মুসল্লিরা সমবেত হবেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তাবলিগের মুসল্লি, বিভিন্ন মাদ্রাসা-স্কুল-কলেজের ছাত্র এবং এলাকাবাসীদের সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যৌথ স্বেচ্ছাশ্রমে তৈরি হচ্ছে ইজতেমার নানা অবকাঠামো। এ আয়োজনের কাজে বিদেশি ১০টি জামাতসহ ১০০ টি দেশি জামাত সহযোগিতা করছে। মুসল্লিদের থাকার শেড নির্মাণ, অজুখানা, শৌচাগারসহ অন্যান্য স্থাপনা তৈরির কাজ চলছে দ্রুতগতিতে।

গত ২০১৬ সালের ১১ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শরীয়তপুর সদর উপজেলার তুলাসার ইউনিয়নের আড়িগাঁও গ্রামে তিন দিনের ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় প্রায় দেড় লাখ মুসল্লি একসাথে জুমার নামাজ আদায় করতে পেরেছিলেন। কিন্তু মুসল্লিদের সংখ্যা বেশি থাকায় কিছুটা সমস্যা হয়েছিল। সে বিষয়টি মাথায় রেখেই এবার বিশাল পরিসরে ইজতেমার প্যান্ডেল তৈরীর আয়োজন চলছে। মুসল্লিদেরদের অজু করার জন্য দুইটি পুকুরের চারপাশ দিয়ে ঘাট নির্মাণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া গোসলের জন্য ইজতেমার ময়দানের পাশেই রয়েছে কৃত্তিনাশা নদী। বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য মাঠ জুড়ে ১ হাজার লিটার ও ৫০০ লিটারের ১০টি ট্যাংক স্থাপনা করা হচ্ছে। মাঠের চারপাশে অস্থায়ী ৫০০টি শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। ইজতেমা ময়দানা জুড়ে আলোর জন্য থাকবে আড়াই হাজারেরও বেশি বাতি। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য থাকবে জেনারেটরের ব্যবস্থা।

ইজতেমার মাঠ প্রস্তুতির জিম্মাদারের দায়িত্বে নিয়োজিত মুরব্বি মো. মোশারফ হোসেন বলেন, ইজতেমায় ১০০টির বেশি তাবলিগ জামাতের মুসল্লি স্বেচ্ছাশ্রম দিচ্ছেন। ১০টি বিদেশি জামাতের পাশাপাশি একটি বাকপ্রতিবন্ধীদের জামাতও আছে। এবারের আয়োজনে বাকপ্রতিবন্ধীদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে।

Total View: 1099

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter