শনিবার,  ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  বিকাল ৩:৪১

শরীয়তপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সংস্কার কাজ সম্পন্ন

মার্চ ১৫, ২০১৯ , ০৮:৫০

স্টাফ রিপোর্টার

অবশেষে শরীয়তপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমীর একাডেমিক ভবনের সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সে সকল সংবাদের গুরুত্ব বিবেচনা করেননি।

সর্বশেষ ১ ফেব্রুয়ারী প্রখ্যাত সাংবাদিক আবেদ খান সম্পাদিত দৈনিক জাগরণ পত্রিকায় “বেহাল দশায় শরীয়তপুর শিল্পকলা একাডেমী” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। তার পর থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের টনক নরে। নড়েচরে বসেন তারা। শুরু হয় জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সংস্কার কাজ।

সংস্কৃতিক কর্মীদের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী ছিল জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সংস্কার। পাশাপাশি ছিলো নতুন কমিটি গঠনের দাবী।

শরীয়তপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমীর ২০১৮ সালে কমিটির মেয়াদ শেষ হলে নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করার কথা থাকলেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে সময় মত নির্বাচন করা সম্ভব হয়নি। তাই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জরুরী অবস্থা মোকাবেলায় ৩ মাসের জন্য ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি এডহক কমিটি গঠন করা হয়।

সেই কমিটিতে পদাধিকার বলে জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের আহবায়ক, সহকারী কমিশনার মোঃ বেলাল হোসেন সদস্য সচিব, প্রফেসর মোঃ মনোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ তালুকদার এবং এ্যাডভোকেট মুরাদ হোসেন মুন্সীকে সদস্য করা হয়।

কিন্তু জেলা শিল্পকলা একাডেমীর উন্নয়ন কাজে অন্য কোন সদস্যকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে দেখা না গেলেও এ্যাডভোকেট মুরাদ হোসেন মুন্সীকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। তিনি এডহক কমিটিতে ঢোকার পর মিটিংয়ে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সংস্কারের জন্য তাৎক্ষণিক ভাবে ২ টন টি.আর অর্থাৎ ৮৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেন। শুরু হয় জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সংস্কার কাজ। কিন্তু এতো কম টাকায় সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। বিধায় এ্যাডভোকেট মুরাদ হোসেন মুন্সী তার নিজ পকেট থেকে আরও ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেন। শেষ হয় জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সংস্কার কাজ। সেই সাথে বোনাস হিসেবে পাওয়া যায় শিল্পকলায় ঢোকার রাস্তাটি। যা সকলের মনকে আন্দলিত করেছে।

এ ব্যাপারে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর এডহক কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট মুরাদ হোসেন মুন্সী’র সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, আমি দায়িত্বটিকে দায়িত্ব হিসেবেই নিয়েছি। তাই সরকারী অনুদানের পাশাপাশি ব্যাক্তিগত অনুদানকে কাজে লাগাতে সক্ষম হয়েছি। আমি আন্তরিক ভাবে চেষ্টা করেছি জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সংস্কার করার।

আমি সারাক্ষণ উপস্থিত থেকে জেলা শিল্পকলা একডেমির বারান্দার সকল টিন পরিবর্তন করে রঙ্গিন টিন লাগানোর ব্যবস্থা করেছি। বর্ষার সময় শিল্পকলা একডেমীতে ঢোকা যেতো না। এখন প্রধান সড়ক থেকে শিল্পকলা একাডেমী ভবনে যাতায়াতের জন্য একটি পাঁকা রাস্তা করে দেয়া হয়েছে। যাতে শিক্ষক, অভিভাবক এবং ছাত্র-ছাত্রীরা অনায়াসে যাতায়াত করতে পারে। শিল্পের প্রতি অকৃতিম ভালোবাসা থাকলে সব কিছু করা সম্ভব। যদিও বর্তমান এমপি ইকবাল হোসেন অপু সাহেবের সু-দৃষ্টিতে শিল্পকলা একাডেমীর সামগ্রীক পরিবর্তন আসবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

Total View: 674

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter