মঙ্গলবার,  ২৪শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৯ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  সকাল ৯:০৯

শরীয়তপুর হাসপাতাল এখন মাদকসেবী, বালু ব্যবসায়ী এবং দালালদের আশ্রয়স্থল

নভেম্বর ৫, ২০১৮ , ০৮:৪৩

আবদুল বারেক ভূইয়াঃ

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। আর তার এই দায়িত্ব অবহেলার কারণে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। যার প্রেক্ষিতে হাসপাতালটি এখন দালাল, বালু ব্যবসায়ী এবং মাদকসেবীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে।

হাসপাতালে দালালদের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে আসা গরীব রোগী সঠিক চিকিৎসা সেবা নিতে পারছে না। রোগীরা বিভিন্ন ভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। এদিকে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা দালালদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে রোগীদেরকে অপ্রাসঙ্গিক টেষ্ট দিয়ে হয়রানী করছেন। হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, প্রত্যেকটি চিকিৎসকের রুমে রোগীর পাশাপাশি ৪-৫জন করে দালাল রয়েছেন। যারা শরীয়তপুর সদরে অবস্থিত বিভিন্ন ক্লিনিকের সাথে জড়িত।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আশে পাশে ছোট বড় ১৪টি ক্লিনিক রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে কর্মরত বিভিন্ন চিকিৎসক, নার্স, ব্রাদার, অফিস সহকারীসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড বয়রা এ সব ক্লিনিকের মালিক। তারা হাসপাতালটিকে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে ইচ্ছেমত পরিচালনা করছেন। এদিকে তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ তাদের এ স্বেচ্ছাচারিতার ব্যাপারে কোন ব্যবস্থাই গ্রহণ করছেন না। বরং তার বিরুদ্ধে ক্লিনিকের মালিকের কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে হাসপাতালের পিছনে এবং চিকিৎসকদের আবাসস্থলের সামনে মাদকসেবীরা তাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করছে। এখান প্রতিদিন সন্ধ্যার স্থানীয় এবং বহিরাগত মাদকসেবীরা মাদক সেবন করেন। মাদকসেবীদের কারণে হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য কর্মচারীরা ঠিকমত যাতাযাত করতে পারছেন না।

শুধু তাই নয়, তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ আবদুল্লার প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণে এক শ্রেণীর প্রভাবশালী বালু ব্যবসায়ী হাসপাতালের বাউন্ডরীর ভিতরে ড্রেজারের বুষ্টার বসিয়ে বছরের পর বছর ধরে বালুর ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সেখানেও রাতে চলে মাদক ও জুয়ার আড্ডা। মাদকসেবীদের যাতাযাতের জন্য হাসপাতালের বাউন্ডারী ওয়াল ভেঙ্গে রাস্তা তৈরী করা হয়েছে। কিন্তু কি এক অদৃশ্য কারণে তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করে নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন।

এ ব্যাপারে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ’র সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, ড্রেজারের ব্যাপারে আমি লিখিত ভাবে সিভিল সার্জন এবং জেলা প্রশাসনকে জানিয়েছি। তারা ব্যবস্থা না নিলে আমি কি করবো ? আর দালালদের কথা বলছেন ? এ হাসপাতালের বেশীর ভাগ চিকিৎসক, নার্স, ব্রাদার, অফিস সহকারীসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড বয়রা কোন না কোন ক্লিনিকের মালিক। তারাই এ সব দালালদের পরিচালনা করছে। পুলিশকে জানানো হয়েছে। তার মাঝে মধ্যে দু’এক জন দালালকে ধরলে ক্লিনিকের মালিকরা আবার তাদেরকে ছাড়িয়ে আনছে। এ ক্ষেত্রে আমার কিছু করার নেই। আর মাদকসেবীদের ব্যাপারে আমি পুলিশ প্রশাসনকে জানাবো।

Total View: 942

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter