মঙ্গলবার,  ১১ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ২৮শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,  সকাল ৭:১৫

শিক্ষক নেই, তারপরেও চলছে বিদ্যালয়!

নভেম্বর ১৭, ২০১৯ , ১৮:৩৬

স্টাফ রিপোর্টার
মিস্ত্রী’র ঘরের যে চাল থাকে না তা আবার নতুন করে প্রমাণিত হলো। শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু এমপি’র পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত ১২৩ নং শিবপুর রনখোলা এ্যাডভোকেট হাজী সুলতান হোসেন মিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদালয়টিরও হয়েছে সেই অবস্থা। এমপি সাহেবের সুদৃষ্টি না থাকার কারণে বিদ্যালয়টি এখন খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে।
১২৩ নং শিবপুর রনখোলা এ্যাডভোকেট হাজী সুলতান হোসেন মিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ২০১৩ সাথে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রধান শিক্ষকসহ ৫ জন শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হলেও অদ্যবধি কোন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি। বিভিন্ন প্রতিকুলতা উপেক্ষা করে ধার করা শিক্ষক দিয়ে চলছে বিদ্যালয়টি। এমপি সাহেবের পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টির অবস্থা এতো খারাপ কেন হবে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির নামে প্রচুর জমি রয়েছে। কিন্তু সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে সেই জমি এখন অনাবাদী অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের নেই কোন খেলার মাঠ। দায়সারা ভাবে একটি টয়লেট থাকলেও পানি খাওয়ার জন্য নেই কোন টিউবয়েল।
বিদ্যালয়ে ৫ জন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও স্থায়ী পদ হিসেবে কোন শিক্ষক নেই। সেখানে শফিকুল ইসলাম নামে একজনকে ডেপুটিশনে সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বানিয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করানো হচ্ছে। শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পার্শ্ববর্তী বিদ্যালয় থেকে ডেপুটিশনে সহকারী শিক্ষক হিসেবে খাদিজা খানমকে আনা হয়েছে। আর শিল্পী আক্তার এবং রোমানা আক্তার নামে দুইজন ন্যশনাল সার্ভিসে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক রয়েছেন। তারাই মূলত বিদালয়টি পরিচালনা করছেন।
বিদ্যালয়টির দুরাবস্থার কথা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। শিক্ষকের অভাবে অনেক শিক্ষার্থী অন্য বিদ্যালয়ে চলে যাচ্ছে। এখন বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ১শ ৩১ জন। যা একটি বিদ্যালয়ের প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। জরুরী ভিত্তিতে বিদ্যালয়ের প্রতি সুদৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এ ব্যাপারে ১২৩ নং শিবপুর রনখোলা এ্যাডভোকেট হাজী সুলতান হোসেন মিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামের সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, এ বিদ্যালয়টি আমাদের এমপি সাহেবের পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত। বিদ্যালয়টিকে জাতীয়করণ করা হয়েছে। কিন্তু বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর শূণ্যপদ থাকা সত্ত্বেও এ পর্যন্ত কোন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি। শিক্ষক না থাকার কারণে অনেক ছাত্র-ছাত্রী অন্যত্র চলে যাচ্ছে। জরুরী ভিত্তিতে নতুন শিক্ষক নিযোগ দেয়া প্রয়োজন।
এ ব্যাপারে শরীয়তপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষক নেই শুনে আমি বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। বর্তমানে বিদ্যালয়টি ডেপুটিশনে সহকারী শিক্ষক দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। আগামী নিয়োগে পর নতুন শিক্ষক দেয়া হবে।

Total View: 390

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter