শনিবার,  ২৪শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ৮ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  দুপুর ২:১০

সংবাদ প্রকাশের পর সরকারী ত্রাণ সামগ্রী পেলেন শাহনাজ বেগম

মার্চ ২৯, ২০২০ , ২২:১৩

স্টাফ রিপোর্টার
সংবাদ প্রকাশের পর সরকারী ত্রাণ সামগ্রী পেলেন শাহনাজ বেগম। ২৯ মার্চ রবিবার “মোবাইল বিক্রি করে ওষুধ ও খাবার কিনেছেন শরীয়তপুরের শাহনাজ বেগম” এই শিরোনামে সংলাপ ৭১.কমে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদটি শরীয়তপুর ১ আসনের সাংসদ জননেতা ইকবাল হোসেন অপু এমপি’র দৃষ্টি আকর্শণ করে। তিনি তাৎক্ষণিক ভাবে শাহনাজ বেগমের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

তারই প্রেক্ষিতে শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুর রহমান শেখ দুপুর দেড়টায় শাহনাজ বেগমের বাড়িতে গিয়ে ১০ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি মশুর ডাল, ১টি সাবানসহ আনুসাঙ্গিক জিনিসপত্র দিয়ে আসেন।

এরপর জননেতা ইকবাল হোসেন অপু এমপি শরীয়তপুর সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম বাবুকে পূণরায় শাহনাজ বেগমের ব্যাপারে খোঁজ নিতে বলেন এবং তার ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে ত্রাণ সামগ্রী দিতে বলেন। তখন শরীফুল ইসলাম বাবু, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল রহমান সুমন খান, প্রচার সম্পাদক মামুন খান মিলে শাহনাজ বেগমের বাড়িতে যান এবং জননেতা ইকবাল হোসেন অপু এমপি’র ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি তেল, ৩ কেজি আলু, ১ কেজি পিয়াজ এবং লবন সহ কাঁচা বাজার দিয়ে আসেন।

এ ব্যাপারে শাহানাজ বেগম বলেন, পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ার কারণে আজ আমি সরকারী সাহায্য পেলাম। তা না হলে আমাদের না খেয়ে মরতে হতো।

এ ব্যাপারে শরীয়তপুর সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম বাবু বলেন, জননেতা ইকবাল হোসেন অপু এমপি’র নির্দেশে আমরা শাহানাজ বেগমের বাড়িতে যাই। তার খোঁজ খবর নেই। তাকে জননেতা ইকবাল হোসেন অপু এমপি’র ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি তেল, ৩ কেজি আলু, ১ কেজি পিয়াজ এবং লবন সহ কাঁচা বাজার দিয়ে আসি।

এ ব্যাপারে শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুর রহমান শেখের সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন, অনলাইন পোর্টল সংলাপ ৭১.কমে সংবাদটি প্রকাশের পর জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের আমাকে শাহানাজ বেগমের ব্যাপারে খোঁজ নিতে বলেন এবং কিছু ত্রাণ সামগ্রী তার বাড়িতে দিয়ে আসতে বলেন। আমি সেই মোতাবেক পালং ইউনিয়নের চেয়ানম্যান আবুল দেওয়ানকে সাথে নিয়ে শাহনাজ বেগমের বাড়িতে যাই। সেখানে গিয়ে তার খোঁজ খবর নেই এবং সরকারী ত্রাণ ১০ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি মশুর ডাল, ১টি সাবানসহ আনুসাঙ্গিক জিনিসপত্র দিয়ে আসি। এখন সে ভাল আছে।

উল্লেখ্যঃ শাহনাজ বেগম সদর উপজেলা পালং ইউনিয়নের আটিপাড়া গ্রামের আবদুল হাই খন্দকারের স্ত্রী। বৃদ্ধ স্বামী ও ৩ ছেলেসহ পাঁচজন নাতি-নাতনি নিয়ে তার সংসার হলেও দুই ছেলেই বাবা-মা থেকে আলাদা থাকেন।

তিনি ইট ভেঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করেতেন। করোনার কারণে গত ৪ দিন ধরে কোনো কাজ না থাকায় ধার-দেনা করে কোনো রকম ৩ জনের সংসার চালাতেন তিনি। ঘরে খাবার না থাকায় ৪ দিন পর কোনো উপায়ান্তর না দেখে নিজের ১০ হাজার টাকা দমের স্যামসাং মোবাইলটি ১ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। তারপর সেই টাকা দিয়ে ওষুধ ও খাবার ক্রয় করেন তিনি।

Total View: 648

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter