বৃহস্পতিবার,  ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ,  ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  রাত ২:১৪

সখিপুরের ডিএম খালীতে বিদ্যুৎ সংযোগের নামে চলছে চাঁদাবাজি

মার্চ ৮, ২০১৮ , ০০:৪১


আবদুল বারেক ভূইয়া
শরীয়তপুরের সখিপুর থানার ডিএম খালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সরকার কান্দি গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের নতুন সংযোগ দেয়ার নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। সেখানে ৮০টি পরিবার থেকে ২হাজার করে চাঁদা আদায় করা হয়েছে। সরকার দেশের প্রতিটি গ্রামকে বিদ্যুতের আওতায় আনার জন্য বিনা খরচে বিদ্যুতের সংযোগ দেয়ার ঘোষনা দিলেও পল্লী বিদ্যুতের কতিপয় অসাদু কর্মকর্তা তাদের নির্দিষ্ট কিছু দালালের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ হতে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করছে। আর চাঁদাবাজির মূল হোতারা রয়ে যাচ্ছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আর এদিকে চাঁদা নেয়ার ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ডিএম খালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সরকার কান্দি গ্রামের ৮০টি পরিবারকে বিদ্যুতের আওতায় আনার জন্য শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি একটি প্রকল্প হাতে নিয়ে ছিলেন। সেই প্রকল্প অনুসারে বিদ্যুতের লাইন টানার জন্য খুটি গাড়াসহ লাইন টানার কাজ চলছে। আর এই লাইন টানার নাম করে একই এলাকার জাকির হোসেন মাল (৩৭), মোহাম্মদ আলী সরকার (৫০), তোফাাজ্জল হোসেন সরকার (৩৫) এবং বাবুল ঢালী (৩৮) এলাকার ৮০টি পরিবার থেকে ২ হাজার টাকা করে ১লক্ষ ৬০ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। যার একটা বিশাল অংশ চলে গেছে শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার সোহরাব আলী বিশ্বাসের পকেটে।
ডিএম খালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সরকার কান্দি গ্রামের বাসিন্দা মানিক সরকার এবং ফাতেমা বেগম জানায়, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রকৌশলী এসে সরকার কান্দি গ্রামে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার জন্য ডিজাইন করে যান। তার কিছুদিন পর এই গ্রামের জাকির হোসেন মাল, মোহাম্মদ আলী সরকার, তোফাজ্জেল হোসেন সরকার এবং বাবুল ঢালী এই চার জন লোক গ্রামের সবাইকে বলেন বিদ্যুৎ পেতে হলে দুই হাজার টাকা করে চাঁদা দিতে হবে। চাঁদা না দিলে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে না। তাই আমরা গ্রামের প্রতিটি পরিবার তাদেরকে ২হাজার করে চাঁদা দিয়েছি।


এ ব্যাপারে চাঁদাবাজীর সাথে জড়িত মোহাম্মদ আলী সরকারের সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, আমি ১৫টি পরিবারের কাছ থেকে ২হাজার করে ৩০ হাজার টাকা উত্তোলন করেছি। আর জাকির হোসেন মাল ২০টি পরিবারের কাছ থেকে চল্লিশ হাজার টাকা উত্তোলন করেছে। চাঁদাবাজীর সাথে জড়িত আরেক চাঁদাবাজ জাকির মালের সাথে আলাপ করতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া চেষ্টা করেন। এক পর্যায় তিনি সাংবাদিকদের উপর ক্ষেপে যান এবং ঔধত্যপূর্ণ আচোরণ করেন। যা প্রাণ নাশের হুমকির সামিল। এ ব্যাপারে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরী করার প্রস্তুতি নিয়েছেন এ প্রতিবেদক।
এ ব্যাপারে ডি এম খালী ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার নাজমুল সরকারের সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি অল্প কিছুদিন আগে শুনেছি। তবে আমার কাছে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। আসলে আমি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবো।
ডিএম খালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জসিম মাদবরের সাথে মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি বলেন, নতুন বিদ্যুতের সংযোগ দেয়ার নাম করে এলাকায় কতিপয় লোক চাঁদাবাজি করছে তা আমি জানি না। আর এ ব্যাপারে আমার কাছে কেউ সালিশ নিয়ে আসেনি। আসলে আমি ব্যাপারটি দেখবো।
এ ব্যাপারে শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার সোহরাব আলী বিশ্বাসের সাথে মুঠোফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন, ডিএম খালী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সরকার কান্দি গ্রামের জাকির হোসেন মাল, মোহাম্মদ আলী সরকার, তোফাজ্জেল হোসেন সরকার এবং বাবুল ঢালী শরীয়তপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কোন প্রতিনিধি নয়। তাদেরকে আমি চিনি না। তারা যে আমার নাম করে চাঁদা তুলছে তা আমি এই প্রথম শুনলাম। আর ব্যাপারটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Total View: 1398

    আপনার মন্তব্য





সারাদেশ

কক্সবাজার

কিশোরগঞ্জ

কুড়িগ্রাম

কুমিল্লা

কুষ্টিয়া

খাগড়াছড়ি

খুলনা

গাইবান্ধা

গাজীপুর

গোপালগঞ্জ

চট্টগ্রাম

চাঁদপুর

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চুয়াডাঙা

জয়পুরহাট

জামালপুর

ঝালকাঠী

ঝিনাইদহ

টাঙ্গাইল

ঠাকুরগাঁও

ঢাকা

দিনাজপুর

নওগাঁ

নড়াইল

নরসিংদী

নাটোর

নারায়ণগঞ্জ

নীলফামারী

নেত্রকোনা

নোয়াখালী

পঞ্চগড়

পটুয়াখালি

পাবনা

পিরোজপুর

ফরিদপুর

ফেনী

বগুড়া

বরগুনা

বরিশাল

বাগেরহাট

বান্দরবান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভোলা

ময়মনসিংহ

মাগুরা

মাদারীপুর

মানিকগঞ্জ

মুন্সিগঞ্জ

মেহেরপুর

মৌলভীবাজার

যশোর

রংপুর

রাঙামাটি

রাজবাড়ী

রাজশাহী

লক্ষ্মীপুর

লালমনিরহাট

শরীয়তপুর

শেরপুর

সাতক্ষীরা

সিরাজগঞ্জ

সিলেট

সুনামগঞ্জ

হবিগঞ্জ

Flag Counter